Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩০ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-২১-২০১৯

তাপস-মাশরাফি নাকি আজম-মহি?

তাপস-মাশরাফি নাকি আজম-মহি?

ঢাকা, ২১ অক্টোবর- যুবলীগের কংগ্রেস এখন আওয়ামী লীগের প্রধান আলোচ্য বিষয়। গতকাল প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে যুবলীগের বৈঠকের পর এখন সংগঠনটির নতুন নেতৃত্বে কে আসবে তা নিয়ে নানা রকম জল্পনা কল্পনা চলছে। গতকালের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা যুবলীগের বয়স নির্ধারণ করে দিয়েছেন। ৫৫ বছরের বেশি কেউ হলে তিনি যুবলীগ করতে পারবেন না।

এরফলে যুবলীগের প্রেসিডিয়ামে যে প্রবীণ নেতৃবৃন্দ আছে তাদের বিদায় ঘন্টা বেজে গেল। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি একটি তরুণ নির্ভর এবং বিতর্কমুক্ত যুবলীগ গড়তে চান।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরপরই যুবলীগের নেতৃত্বে কে যাবে এ নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন সময়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেখ ফজলে নূর তাপস যুবলীগের চেয়ারম্যান হয়েছেন এরকম একটি খবর প্রচার করা হয়। যদিও এই খবরের কোন সত্যতা ছিল না। কারণ যুবলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হতে গেলে দলের প্রেসিডিয়ামের সদস্য হতে হবে।

বিভিন্ন সূত্র বলছে, ফজলে নূর তাপসকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিকবার আলোচনা করেছেন। সেই প্রেক্ষিতেই ফেসবুকে এই গুজবটি ছড়িয়েছিল।

উল্লেখ্য যে, এ পত্রিকা থেকেও ফজলে নূর তাপস পরবর্তী চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন এ সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। এখন যুবলীগের নেতৃত্ব কার হাতে যাবে সে ব্যাপারে আওয়ামী লীগের মধ্যে নানা রকম আলাপ আলোচনা চলছে। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুবলীগের জন্য সম্ভব্য দুটি বিকল্প ভাবছেন। একটি হলো যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতো শেখ ফজলুল হক মণির সন্তান শেখ ফজলে নূর তাপস এবং ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজাকে সাধারণ সম্পাদক করে যুবলীগের কমিটি গঠন হতে পারে। তাপস যেহেতু যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতার পুত্র, সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী শেখ হাসিনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ নেতাদের একজন সেজন্য তার জন্য সংগঠন গোছাতে কষ্ট হবে না। অন্যদিকে মাশরাফির জনপ্রিয়তায় অনেক তরুণ সংগঠনের জন্য আকৃষ্ট হবে।

বিকল্প হিসাবে নেতৃত্বে ভাবছেন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মির্জা আযম। তিনি জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। এখানে তার সঙ্গে বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহি থাকতে পারেন। এরা দুজনেই অত্যন্ত ভালো সংগঠক। দীর্ঘদিন ধরে তারা যুবলীগের নেতৃত্বে আছেন। যুবলীগে কে ভালো কে খারাপ সে ব্যাপারে ওয়াকিবহল রয়েছেন। তাদের নেতৃত্বের শীর্ষে আনলে এখন যে ক্ষত রয়েছে তা সারিয়ে যুবলীগকে সঠিক পথে নিয়ে আসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সম্মেলনের এখনো এক মাস সময় বাকি আছে। এর মধ্যে অনেককিছু ঘটতে পারে।

সূত্র : বাংলা ইনসাইডার
এন কে / ২১ অক্টোবর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে