Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১৯-২০১৯

সরকারি গাছ সাবাড় করে দিলেন দুই আ.লীগ নেতা

সরকারি গাছ সাবাড় করে দিলেন দুই আ.লীগ নেতা

যশোর, ১৯ অক্টোবর- কোনো প্রকার টেন্ডার ছাড়াই নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে যশোর পুলেরহাট-সাতক্ষীরা সড়কের (মণিরামপুর উপজেলার খোদাপাড়া ইউনিয়ন অংশ) দুই পাশের গাছের বড় ডাল ও গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছেন দুই আওয়ামী লীগ নেতা। স্থানীয় আব্দুল আজিজ ও আমিন নামে দুই আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে চলছে গাছ কাটার এ মহোৎসব।

অবশ্য আওয়ামী লীগের দুই নেতা দাবি করেছেন, সড়কে যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের মৌখিক নির্দেশে দৈনিক মজুরির শর্তে এসব গাছের ডাল কাটাচ্ছেন তারা। যদিও স্থানীয় জেলা পরিষদের সদস্যকেও এ ব্যাপারে কিছুই জানানো হয়নি।

সড়কের বড় রেইনট্রি গাছের সব ডাল কেটে ফেলার কারণ জানতে চাইলে শনিবার দুপুরে কর্মরত শ্রমিক সিদ্দিকুর রহমান, শহীদসহ কয়েকজন জানান, তারা মজুরিভিত্তিতে কাজ করছেন। আসল কারণ জানতে সামনে গিয়ে আব্দুল আজিজ ও আমিনের সঙ্গে কথা বলতে বলেন শ্রমিকরা।


শনিবার দুপুরে সড়ক ধরে এগিয়ে যেতেই আরও ৬-৭ জন শ্রমিকের ডাল কাটার চিত্র চোখে পড়ে। লাল পতাকা হাতে দাঁড়ানো আব্দুল আজিজ ও আমিনুর রহমান নিজেদের আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা পরিচয় দিয়ে জানান, জনগণসহ যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পিকুল ভাইয়ের (সাইফুজ্জামান পিকুল) মৌখিক নির্দেশনা পেয়েই ডালপালা কাটা হচ্ছে। বিনিময়ে তাদেরকে মজুরি দেয়া হচ্ছে।

তবে স্থানীয় জেলা পরিষদের সদস্য শহিদুল ইসলাম সরকারি গাছের ডালপালা কাটার ব্যাপারে কিছুই জানেন না দাবি করে বলেন, টেন্ডার ছাড়া গাছের পাতা কাটারও নিয়ম নেই। এ ব্যাপারে জেলা পরিষদে কোনো মিটিংও হয়নি।

একটু পরেই সেখানে উপস্থিত হয়ে মণিরামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইয়েমা হাসান বলেন, সড়কের জায়গা জেলা প্রশাসকের অধীন খাস খতিয়ানভুক্ত। কোনোভাবেই জেলা পরিষদ গাছ কাটার নির্দেশ দিতে পারে না।


এ ব্যাপারে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল বলেন, স্থানীয়দের আবেদনের প্রেক্ষিতে স্বল্প সংখ্যক গাছের ডাল কাটার জন্য বলা হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টেন্ডারের মাধ্যমে দেয়া হলে সব গাছ কেটে ফেলা হতে পারে এ আশঙ্কায় এভাবে কাটা হচ্ছে।

জেলা পরিষদের নির্বাহী এটিএম রফিকুন্নবী বলেন, ডাল কাটতে সীমা লঙ্ঘন করা হলে অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে।
এরই মধ্যে সেখানে খবর আসে ভ্যানযোগে বড় আকারের কয়েকটি ডাল আমিনের বাড়ি নেয়া হয়েছে। খবর শুনে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের তহশিলদার নিছার উদ্দীন ভ্যানসহ গাছের ডাল ফিরিয়ে আনেন।

ভ্যানচালক শহীদ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা আমিনের নির্দেশে বড় আকৃতির কয়েকটি ডাল আমিনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/১৯ অক্টোবর

যশোর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে