Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.8/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১৯-২০১৯

শ্লীলতাহানির প্রতিবাদে খুন হয় তাহের

এস এম জোবায়ের


শ্লীলতাহানির প্রতিবাদে খুন হয় তাহের

ময়মনসিংহ, ১৯ অক্টোবর - ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাউথকান্দা আরজি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র আবু তাহের হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ওই স্কুলের এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার প্রতিবাদ করায় খুন হতে হয় অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহেরকে।

চলতি বছরের মে মাসে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নে তাহের হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। পিবিআই জানায়, গত ৩০মে সকালে উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের কুর্ষানগর খিরো নদীর পাড়ে একটি বাঁশ বাগানে তাহেরের অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশের খবর দিলে তারা লাশ উদ্ধার করে। গত ৩০মে তাহেরের বাবা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ত্রিশাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করছিল পুলিশ। পরে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলার তদন্তের দায়িত্বভার গ্রহণ করে পিবিআই ময়মনসিংহ শাখা। সংস্থাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু বকর সিদ্দিক, পিপিএম এর সার্বিক তত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন আহমেদ হত্যাকাণ্ডের জড়িত সন্দেহে ফরিদ খান (১৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে।

ফরিদ খানকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পিবিআই আরও জানায়, তিনি ও তার কয়েকজন সহপাঠী মিলে আরজি উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে উত্যক্ত করতেন। একদিন ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানিও করেন তারা। এ ঘটনায় নিহত আবু তাহের প্রতিবাদ করে। স্কুলের শিক্ষাকদের কাছেও তাদের বিরুদ্ধে নালিশ করে।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফরিদ ও তার বন্ধুরা মিলে তাহেরকে হত্যার পরিকল্পনা করে। গত ২৪মে তারা ডাব খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে আনান তাহেরকে। পরে কুর্ষানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খিরো নদীর পাড়ে ৮জন মিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তাহেরকে খুনের পর জঙ্গলে বাঁশ ঝাড়ের নিচে লতা পাতা দিয়ে ঢেকে ফরিদ ও তার বন্ধুরা পালিয়ে যায়।

আসামি ফরিদকে আদালতে নেওয়া হলে ১৬৪ ধারায় নিজেকে জড়িত থাকার কথা স্বীকার। এ ছাড়া অন্যান্য সহযোগী আসামিদের নাম উল্লেখ করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন তিনি।

নিহত তাহেরের বাবা ছেলে হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে বলেন, ‘আমার ছেলে নিরপরাধ ছিল, তাও তাকে হত্যা করা হয়েছে। আর কোনো বাবা-মা এভাবে সন্তান হারা না হন।’

পিবিআই ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু বকর সিদ্দিক জানান, শিক্ষকদের জানানো হলেও তার গাফিলতি কারণে তাহের হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর দায় স্কুলের শিক্ষকরা এড়াতে পারেন না। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

সুত্র : আমাদের সময়
এন এ/ ১৯ অক্টোবর

ময়মনসিংহ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে