Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ১ পৌষ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.7/5 (3 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১৭-২০১৯

অমিত সাহা ও তানভীর ফের রিমান্ডে

অমিত সাহা ও তানভীর ফের রিমান্ডে

ঢাকা, ১৭ অক্টোবর- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যা মামলায় বুয়েট ছাত্রলীগ নেতাসহ দু’জনের ফের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে অপর আসামি বুয়েট এমই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হোসেন মোহাম্মদ তোহাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ আসামিদের রিমান্ড ও কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত আইনবিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহা ও সদস্য খোন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর।

এদিন পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আসামি অমিত সাহা ও হোসেন মোহাম্মদ তোহাকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান আসামি অমিত সাহার ফের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আর আসামি হোসেন মোহাম্মদ তোহাকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গত ৬ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে শিক্ষার্থী আবরারকে শেরেবাংলা হলে তার রুম (নম্বর ১০১১) থেকে হত্যার উদ্দেশ্যে ডেকে নিয়ে যায়। ৭ অক্টোবর রাত আড়াইটা পর্যন্ত ওই হলের ২০১১ ও ২০০৫ নম্বর রুমের ভেতর নিয়ে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ক্রিকেট স্টাম্প ও লাঠিসোটা এবং রশি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় প্রচণ্ড মারধর করে। এতে ঘটনাস্থলেই আবরার মারা যায়।

এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করে আসামিরা ওই ভবনের দ্বিতীয় তলার সিঁড়িতে আবরারের লাশ ফেলে রাখে। পরে কিছু ছাত্র আবরারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তদন্তকালে সাক্ষ্য-প্রমাণে, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামি অমিত সাহার প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ইতিপূর্বে আদালতে দোষ স্বীকারোক্তি দেয়া আসামিদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অমিত সাহার নাম প্রকাশ করেছে। মামলাটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। এ জন্য আসামিকে ব্যাপক ও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত জরুরি। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, এজাহারভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতার ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে তাদের গ্রেফতারের লক্ষে আসামিকে রিমান্ডে নেয়া প্রয়োজন।

আদালতে অমিত সাহার পক্ষে আইনজীবী মঞ্জুরুল আলম রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, অমিত সাহা সম্পূর্ণ নির্দোষ। মামলার এহাজারে তার নাম নেই। ভিডিও ফুটেজেও তাকে দেখা যায়নি। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। পূজার ছুটিতে তিনি বাসায় ছিলেন। ফের রিমান্ডে নেয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আর আসামি হোসেন মোহাম্মদ তোহার পক্ষে আইনজীবী আইয়ুব হোসেন জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, আসামি তোহা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। যে কোনো শর্তে আসামির জামিন মঞ্জুর করা হোক।

রাষ্ট্রপক্ষে আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার জিআরও মাজহারুল ইসলাম আসামি অমিত সাহার রিমান্ড চেয়ে শুনানি করেন এবং আসামি তোহাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত উভয় আসামির জামিন নাকচ করে অমিত সাহার তিনদিনের রিমান্ড ও তোহাকে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন।

এদিকে গত ৮ অক্টোবর আসামি খোন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীরের পাঁচদিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। রিমান্ড শেষে গত ১৩ অক্টোবর এ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর গত ১৫ অক্টোবর এ আসামির ফের সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

ওইদিন আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য এদিন (বৃহস্পতিবার) ধার্য করেন আদালত। এদিন কারাগার থেকে তাবাখখারুলকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে তার পক্ষে এদিন কোনো আইনজীবী ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত এ আসামির তিনদিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

সূত্র : যুগান্তর
এন কে / ১৭ অক্টোবর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে