Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১৭-২০১৯

ডিবি থেকে র‌্যাব-১ কার্যালয়ে সম্রাট

ডিবি থেকে র‌্যাব-১ কার্যালয়ে সম্রাট

ঢাকা, ১৭ অক্টোবর - যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয় থেকে র‌্যাব-১-এর কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল ৪টার দিকে তাকে র‌্যাব-১-এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান ভূঁঞা এই তথ্য জানিয়েছেন।

সম্রাটের বিরুদ্ধে রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে দায়ের করা দুটি মামলার তদন্তভার পেয়েছে র‌্যাব-১। বুধবার  (১৬ অক্টোবর) রাতে মামলা দুটি তদন্ত করার আদেশ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান ভূঁঞা। তিনি বলেন, ‘মামলা দুটি তদন্তের আদেশ পাওয়ার পর ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে ডিবি কার্যালয় থেকে র‌্যাব-১ এর কার্যালয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। সন্ধ্যা নাগাদ তাকে নিয়ে আসা হতে পারে।’

গত ৭ অক্টোবর অস্ত্র আইনের মামলায় সম্রাটকে গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। একই দিনে মাদক আইনের মামলায় সম্রাটকে গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিনের  রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন একই থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মাহফুজুল হক ভূঞা। ওই দিন (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরা শুনানির জন্য ৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

কিন্তু ৯ অক্টোবর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সম্রাটকে আদালতে হাজির করা হয়নি। ফলে বিচারক শুনানির জন্য ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এদিন শুনানি শেষে মাদক ও অস্ত্র মামলায় তাকে মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। নতুন করে র‌্যাব-১ সম্রাটের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা দুটির তদন্ত ভার পাওয়ায় তাকে ডিবি কার্যালয়ে থেকে র‌্যাব-১ এর কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন স্পোর্টস ক্লাবের আড়ালে ক্যাসিনো ব্যবসা চালানোর অভিযোগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় ওই দিনই গ্রেফতার করা হয় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে। এর দুদিন পর গ্রেফতার করা হয় যুবলীগ নেতা জিকে শামীমকে। অভিযানের প্রথম দিন থেকেই আলোচনায় আসে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের নাম। গত ২৩ সেপ্টেম্বর অন্যদের সঙ্গে সম্রাটেরও দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়। গত ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, র‌্যাবের একটি দল জানতে পারে, চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে অন্যতম পলাতক আসামি ক্যাসিনো সম্রাট গ্রেফতারের ভয়ে কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এলাকায় লুকিয়ে আছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলম ও নিজাম উদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গিয়ে আলকরা গ্রামের কঞ্জুশ্রীপুর গ্রামের মনির চৌধুরীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সম্রাট ও আরমানকে গ্রেফতার করা হয়। আরমানকে মাদক সেবনরত অবস্থায় পাওয়া যাওয়ায় তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাৎক্ষণিক ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আর সম্রাটের কাকরাইলের কার্যালয়ে অস্ট্রেলিয়ান ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ায় তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে র‌্যাব সদর দফতরের উপপরিচালক (মিডিয়া) মিজানুর রহমান বলেন, ‘সম্রাটের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা র‌্যাবই তদন্ত করবে। এরইমধ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন
এন এইচ, ১৭ অক্টোবর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে