Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 1.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১৭-২০১৯

ঘুষের টাকাসহ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দুইজন ধরা

ঘুষের টাকাসহ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দুইজন ধরা

নওগাঁ, ১৭ অক্টোবর- নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালিয়ে ঘুষের টাকাসহ দুইজনকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সহকারী পরিচালক আল-আমিনসহ দুদকের একটি টিম উপস্থিত ছিল।

আটকরা হলেন- উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী ও উপজেলার চকযদু গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে রেজাউল ইসলাম (৫০) এবং নৈশ্য প্রহরী ও চকপ্রসাদ গ্রামের নিয়াজ উদ্দিনের ছেলে এনামুল হক (৪০)।

জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন ১০৬ নম্বরে ফোন করে ধামইরহাট উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অনিয়ম-দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সেখানে অভিযান পরিচালনা করে দুদক। এ সময় অফিসের সকল কার্যক্রম শেষ করে অফিস বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল। ঠিক এর আগ মুহূর্তে অভিযান পরিচালনা করে ২৮ হাজার ৮৮৫ টাকাসহ রেজাউল ইসলাম ও এনামুল হককে আটক করা হয়। দুদক কর্মকর্তারা সেখানে গিয়ে দেখেন অফিসের মধ্যে সারা দিনে দলিল রেজিস্ট্রির অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকা গণনা ও ভাগ বাটোয়ারা চলছিল।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা বলেন, এ উপজেলায় জমি বেঁচাকেনা করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। দাখিলার নামে জমি রেজিস্ট্রি করতে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা বাড়তি দিতে হয়। এছাড়া মসজিদ, মন্দিরের নামেও বাড়তি টাকা দিতে হয়। এছাড়াও কাগজপত্রে ভুল থাকলে তা সংশোধন করতেও হয়রানি হতে হয়।

আটক অফিস সহকারী রেজাউল ইসলাম বলেন, সাব-রেজিস্ট্রারের নির্দেশেই তারা জমি রেজিস্ট্রি খরচের বেশি টাকা নিয়ে থাকেন। দিন শেষে হিসেব নিকেশ করে স্যার সেই টাকার কিছু অংশ আমাদের দিয়ে বাকিটা নিজের কাছে রাখেন।

সাব-রেজিস্ট্রার তাহাজ্জোদ আলী বলেন, জমি রেজিস্ট্রি করতে কোনো বাড়তি টাকা নেয়া হয় না। সরকারি যে ফি সেটাই দিতে হয়। তবে কোনো অনিয়মের সঙ্গে তিনি জড়িত নয় বলে দাবি করেন।

দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ধামইরহাট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ২১টি দলিল সম্পাদন হয় এবং তার সরকারি ফি হিসাব অনুযায়ী ৯ হাজার ৪৮৫ টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু সেখানে সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত ২৮ হাজার ৮৮৫ টাকা পাওয়া যায়। যা অফিস সহকারী ও নৈশ্য প্রহরী অনিয়ম করে গ্রহণ করেছেন বলে স্বীকার করে। এছাড়া সাব-রেজিস্ট্রারকেও আমরা নজরদারিতে রেখেছি।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/১৭ অক্টোবর

নওগা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে