Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১৬-২০১৯

এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ওয়াহিদুল হকের বিচার শুরু

এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ওয়াহিদুল হকের বিচার শুরু

ঢাকা, ১৭ অক্টোবর - জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন। আসামির উপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য উপস্থাপনের জন্য ২৪ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। সাবেক এ সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে নির্যাতন, হত্যা, গণহত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা

জানায়, তদন্ত ওয়াহিদুল হক মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্য। ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফেরেন তিনি। দুবছর পর পুলিশে যোগ দেন। নব্বইয়ের দশকে এনএসআইয়ের ডিজির দায়িত্ব পান তিনি। গত শতকের শেষদিকে পাসপোর্ট অধিদপ্তরেও ডিজির দায়িত্ব পালন করেন।

প্রসিকিউশন বলছে, মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হক পাকিস্তান আর্মির সদস্য হিসেবে একাত্তরে রংপুর ক্যান্টনমেন্টে নিরীহ-নিরস্ত্র বাঙালিদের হত্যা, গণহত্যা চালানোর পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধ সংঘটন করেন।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ বিকাল ৪টার দিকে বিভিন্ন এলাকা থেকে মুক্তিকামী হাজার হাজার সাধারণ মানুষ রংপুর সেনানিবাসের দক্ষিণে কোতোয়ালি থানা এলাকায় অবস্থান নেন। সেখানে তারা ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বর হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ ও স্বাধীনতার পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছিলেন। আসামি মেজর (অব) মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হকের (একাত্তরে তিনি রংপুর ক্যান্টনমেন্টের ২৯ ক্যাভালরি (অশ্বারোহী) রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন ছিলেন) নেতৃত্বে সশস্ত্র সেনাবাহিনী সেদিন মেশিনগান দিয়ে মুক্তিকামী মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ৫০০ থেকে ৬০০ বেসামরিক লোককে হত্যা করে। সেদিন যারা আহত হয়েছিলেন, তাদের কয়েকজনকে পরে ফাঁসি দিয়েছিলেন পাকিস্তানি বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাগের। নিহতদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনের নাম-পরিচয় আনুষ্ঠানিক। অভিযুক্ত মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হক সেদিন সক্রিয়ভাবে ‘গণহত্যায়’ অংশ নিয়েছিলেন। এ ছাড়া ‘অন্যান্য অমানবিক আচরণ’, ‘নির্যাতন’, ‘হত্যা’র মাধ্যমে ১৯৪৩ সালের জেনেভা কনভেনশনের ৩(২) (কে) (ই) (জি) (জ) ধারা লঙ্ঘন করে তিনি অন্তর্জাতিক অপরাধ আইন, ১৯৭৩ ২০(২) ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বর ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তালিকাভুক্ত করা হয়। অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে তদন্ত শুরু হয়। গত বছরের ২৪ এপ্রিল গুলশানের বারিধারার বাসা থেকে ওয়াহিদুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সুত্র : আমাদের সময়
এন এ/ ১৭ অক্টোবর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে