Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.5/5 (11 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১৫-২০১৯

ফরিদপুরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা

ফরিদপুরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা

ফরিদপুর, ১৫ অক্টোবর- দিন-দুপুরে ফরিদপুরে নিজ বাড়িতে দুই সন্তানের জননীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ফরিদপুর বর্ধিত পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম গঙ্গাবর্দী গ্রামে মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই গৃহবধূর নাম ঝর্ণা মণ্ডল (৪২)। তিনি ওই গ্রামের দুলাল মণ্ডলের (৪৮) স্ত্রী। ঝর্ণা মণ্ডল এক ছেলে ও এক কন্যাসন্তানের জননী।

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ সুপার মো. আলীমুজ্জামান (বিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা, র‌্যাব, পিবিআইসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম গঙ্গাবর্দী গ্রামের দুলাল মণ্ডল রাজমিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার স্ত্রী ঝর্ণা মণ্ডল গৃহিণী। ছেলে কৃষ্ণ মণ্ডল (১৯) পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার সঙ্গে কাজ করেন। মেয়ে বন্যা মণ্ডল (১৭) দুর্গাপূজার সময় মামাবাড়ি বেড়াতে যায়। মঙ্গলবার সকালের খাবার খেয়ে দুলাল ও তার ছেলে কৃষ্ণ রাজমিস্ত্রির কাজ করতে বাইরে যান। ঝর্ণা মণ্ডল বাড়িতে একাই ছিলেন। দুপুরের দিকে প্রতিবেশীরা ওই বাড়িতে এসে দেখতে পান ঝর্ণা মণ্ডল রক্তাক্ত অবস্থায় খাটের ওপর শুয়ে রয়েছেন। এ অবস্থা দেখে তারা চিৎকার দিলে পার্শ্ববর্তী বাসিন্দারা ছুটে আসেন। পরে থানায় খবর দিলে বিকেলে পুলিশ ঝর্ণা মণ্ডলের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

ঝর্ণা মণ্ডলের ছেলে কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, আমাদের সঙ্গে কারও কোনো বিবাদ ছিল না। আমার মাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা কেউ বাড়িতে না থাকার সুযোগে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের শাস্তি চাই।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদ আলম জানান, স্বামী ও ছেলে কাজে যাওয়ার পর কোনো একসময় ধারাল অস্ত্র দিয়ে ওই গৃহবধূর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

তিনি বলেন, বসতবাড়ির যে ঘরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে সেটির দরজা খোলাই ছিল। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শেখ শহিদুল ইসলাম জানান, দুলাল ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরীহ প্রকৃতির। ২০ বছর আগে নদীভাঙনের শিকার হয়ে এই পরিবারের সদস্যরা পশ্চিম গঙ্গাবর্দী এলাকার ওই জায়গায় জমি কিনে বসবাস করে আসছেন। তাদের কোনো শত্রু আছে বলে কখনই শোনা যায়নি।

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলীমুজ্জামান (বিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা, র‌্যাব, পিবিআইসহ পুলিশের কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলীমুজ্জামান (বিপিএম) বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে একাধিক টিম অভিযান পরিচালনা শুরু করেছে।

এদিকে দিনের বেলায় এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। এ ঘটনা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/১৫ অক্টোবর

ফরিদপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে