Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩০ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১৫-২০১৯

দারিদ্র্য কোনও সমস্যা নয়: নোবেলজয়ী অভিজিৎ

দারিদ্র্য কোনও সমস্যা নয়: নোবেলজয়ী অভিজিৎ

কলকাতা, ১৫ অক্টোবর- ভারতের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে  উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ ব্যানার্জি। বৈশ্বিক দারিদ্র্য লাঘবে অবদান রাখায় অর্থনীতিতে অমর্ত্য সেনের পর দ্বিতীয় বাঙালি হিসেবে নোবেল পেয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, দারিদ্র্য কোনও সমস্যা নয়। গবেষণার মধ্য দিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনের পথ বের করা সম্ভব।

বাংলাদেশ সময় সোমবার (১৪) বিকেল সাড়ে ৩টায় রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস অভিজিৎ ব্যানার্জিসহ ৩ নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদের নাম ঘোষণা করে। উন্নয়ন অর্থনীতির মধ্য দিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।  পুরস্কারপ্রাপ্ত বাকি দুই অর্থনীতিবিদ হলেন অভিজিতের স্ত্রী ফরাসি নাগরিক অ্যাস্থার ডাফলো এবং মার্কিন নাগরিক মাইকেল ক্রেমার। সম্মানী হিসেবে তাদের ১১ লাখ মার্কিন ডলারও দেওয়া হচ্ছে।

নোবেল জয়ের খবর পাওয়ার পর অভিজিৎ ব্যানার্জি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘খবর পেয়েই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। তারপর উঠে দেখি প্রচুর ফোন আসছে। বন্ধুবান্ধবরা ফোন করছেন। যদিও এখনও কারও সঙ্গে কথা হয়নি। মায়ের সঙ্গেও কথা বলে উঠতে পারিনি।’ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে অভিজিৎ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খুব ভাল নয়। বিভিন্ন রিপোর্টে অর্থনীতি সংক্রান্ত যে পরিসংখ্যান প্রকাশিত হচ্ছে, তাতে কোনোভাবেই আশ্বস্ত হতে পারছি না। কয়েকবছর আগেও আর্থিক বৃদ্ধির হার ভাল ছিল। এখন আর সেই আশাও দেখছি না।’

গবেষণার বিষয় নিয়ে অভিজিৎ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য দূরীকরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছি। দারিদ্র্য কোনও সমস্যা নয়। এই সমস্যার অনেকগুলি স্তর রয়েছে। সমস্যাগুলিকে এক এক করে খুঁজে বের করা সমাধানের পথ কী হবে তা নির্ধারণ করা নিয়েই গবেষণা করি। পরীক্ষামূলক গবেষণার মাধ্যমেই দারিদ্র্য সমস্যার সমাধান সম্ভব।’

কবে থেকে গবেষণার কাজ করছেন, এমন এক প্রশ্নের উত্তরে অভিজিৎ জানান, ১৯৯৫–৯৬ সাল থেকে তিনি গবেষণা করছেন। বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২০ বছর ধরে এই গবেষণার কাজ করেছি। সাউথ আফ্রিকা, কেনিয়া, ইন্দোনেশিয়া, চীন, কানাডায় কাজ করেছি। পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও গবেষণার কাজে যুক্ত করেছি। এই বাংলাতেই কেটেছে আমার ছেলেবেলা। এখানেই পড়াশোনা। মূলত বাংলার অর্থনৈতিক ইতিহাস আমায় গবেষণার কাজে অনেকটাই সাহায্য করেছে।’

আর/০৮:১৪/১৫ অক্টোবর

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে