Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১৪-২০১৯

রাবি-রুয়েট: টর্চার সেল নেই, টর্চার আছে!

শরীফ সুমন ও মঈন উদ্দিন


রাবি-রুয়েট: টর্চার সেল নেই, টর্চার আছে!

রাজশাহী, ১৪ অক্টোবর- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে ছাত্রলীগের ‘টর্চার সেলে’ শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের বিষয়টি সামনে আসে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ও রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েও (রুয়েট) বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দ্বারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। তাই এ দু’বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘টর্চার সেল’ পাওয়া না গেলেও প্রতিটি হলে বেশ কয়েকটি কক্ষ দখলে নিয়ে ‘পলিটিক্যাল ব্লক’ বানিয়েছে ছাত্রলীগ। বিভিন্ন সময়ে এসব কক্ষে শিক্ষার্থীদের এনে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রলীগের মারধরে শিক্ষার্থীদের হাত-পা এমনকি মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

বিভিন্ন সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও কর্মচারী মারধর, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ছাত্রী উত্ত্যক্ত, সিট বাণিজ্য, টেন্ডার ছাড়াই আম ও লিচু বাগান দখল ও হলগুলোতে ‘পলিটিক্যাল ব্লক’ তৈরি করাসহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্মে জড়িয়েছেন এই দু’শাখা ছাত্রলীগের কতিপয় নেতাকর্মী।

রুয়েটে প্রতিপক্ষ গ্রুপের নেতাকর্মীদের মারধরের ঘটনায় নিরাপত্তা সংকটে ইতোপূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণারও ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দ্বারা অসংখ্যবার সাধারণ শিক্ষার্থীরা নির্যাতনের শিকার হলেও জড়িতদের বিরুদ্ধে এ দু’বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারধর: ছাত্রলীগের এই দু’শাখায় বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য সাধারণ শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয়েছেন। গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর রাবির মাদার বখশ হলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে ৪ ঘণ্টা আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করেন রাবি ছাত্রলীগের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লাহিল গালিব, সহ-সম্পাদক আব্দুল্লাহিল কাফি ও ছাত্রলীগ কর্মী শুভ্রদেব।

ধূমপান নিয়ে কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে ১ অক্টোবর এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেন সহ-সভাপতি রমিজুল ইসলাম। ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় ১৪ শিক্ষার্থীকে মুন্নুজান হলের সামনে থেকে ধরে বঙ্গবন্ধু হলের এক ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর ও জিজ্ঞাসাবাদের পর ৪ জনকে শিবির সন্দেহে পুলিশে দেওয়া হয়। এরপর গত ১৩ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘কটূক্তি’র অভিযোগ এনে আরবী বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীকে মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ২০ নভেম্বর রাবির পরিবহনের আব্দুল গণি নামে এক বাসচালককে মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ১ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে বণিজ্যিক ধারার ‘দহন’ সিনেমার প্রদর্শনীর প্রতিবাদ করায় এক সাংবাদিক ও প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ছয় নেতাকর্মীকে মারধর করেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। ৬ ডিসেম্বর তুচ্ছ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে এক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গুফরান গাজীসহ কয়েকজন নেতাকর্মী।

৬ মার্চ নাট্যকর্মী মাইনুল ইসলামকে মারধর করেন ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুর রহমান কানন ও ঝলক সরকার। ৪ জুলাই ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘কটূক্তি’র অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুরঞ্জিত প্রসাদ বৃত্তের নেতৃত্বে কয়েক নেতাকর্মী ৩ শিক্ষার্থীকে সোহরাওয়ার্দী হলে জিম্মি করে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে তাদের মারধর করেন মাদককারবারি ও ছাত্রদল আখ্যা দিয়ে পুলিশে দেয়। ১৫ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের ছাদে এক শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন ছাত্রলীগকর্মীরা। গত ২৮ এপ্রিল রাবির দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে লিচু পাড়ার অভিযোগে মারধর করা হয়।

৫ আগস্ট মতিহার হলে এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক তারেক আহমেদ খান শান্ত ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন ও চোখ বেঁধে রড় দিয়ে মারধর করেন। সর্বশেষ ২৮ সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগকে না জানিয়ে হলে ওঠায় সৈয়দ আমীর আলী হলে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেন ছাত্রলীগ নেতা হাসান মো. তারেক। ২ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে তরিকুল ইসলাম নামে এক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীকে হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক পেটানোয় তরিকুলে পা এবং মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যায়।

এদিকে রুয়েটে ২০১৭ সালের ১৭ আগস্ট পূর্ব শত্রুতার জেরে রুয়েট শাখা ছাত্রলীগের উপ-গণশিক্ষা সম্পাদক নির্ঝর আহমেদকে মারধর করেন দলীয় কর্মীরা। একই বছর ২৫ অক্টোবর সাইফ নামে এক শিক্ষার্থীকে ‘শিবির’ সন্দেহে মারধর করে পুলিশে দেন রুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ১২ এপ্রিল রুয়েটের আবাসিক হল থেকে আটক করে শহিদুল ইসলাম নামে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এক ছাত্রকে মারধর করে পুলিশে দেয় ছাত্রলীগ।

আবার শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনাগুলো ঢাকতে ছাত্রদল-শিবির আখ্যা দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ‘শিবির সন্দেহে’ শিক্ষার্থীদের মারধর করে পুলিশে দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্টতা খুঁজে না পাওয়ায় অনেকে মুক্তি পান। আবার একাধিক শিক্ষার্থীকে ‘শিবির’ সন্দেহে আটক করে কয়েকজনকে পুলিশে দিয়ে বাকিদের মারধর করে ছেড়ে দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় শিক্ষার্থীদের ফোন-মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া যায়।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুরঞ্জিত প্রসাদ বৃত্তের নেতৃত্বে কয়েক নেতাকর্মী ৩ শিক্ষার্থীকে সোহরাওয়ার্দী হলে জিম্মি করে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে তাদের মারধর করে মাদককারবারি ও ছাত্রদল আখ্যা দিয়ে পুলিশে দেয়।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর ১৪ শিক্ষার্থীকে মুন্নুজান হলের সামনে থেকে ধরে বঙ্গবন্ধু হলের এক ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর করা হয়। পরে ৪ জনকে শিবির সন্দেহে পুলিশে দিয়ে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এসময় আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেওয়া হলেও তার ফোন কেড়ে নেয় ছাত্রলীগ।

দলীয় নেতাকর্মীদের মারধর: সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদেরও মারধরের অভিযোগ রয়েছে। চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর রাবির মাদার বক্স হলের আবাসিক হলের গেস্ট রুমে বসা নিয়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপের ৭ কর্মীকে ব্যাপক মারধর করেছে।

অন্যদিকে গত বছরের ২৪ জানুয়ারি আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রুয়েটের হামিদ হলে ছাত্রলীগের সভাপতির অনুসারীদের মারধর করেছেন সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এ সময় ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মী আহত হয়।

সাংবাদিক লাঞ্ছিত: ২০১৮ সালের ১০ জুলাই ছাত্রলীগের ১০-১২ জন নেতাকর্মী ডেইলি স্টারের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরাফাত রহমানকে বেধড়ক মারধর করেন। এরপর চলতি বছরের ১ ডিসেম্বর দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি আলী ইউনুস হৃদয়কে মারধর করেন রাবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরুন জামিল সুষ্ময়।

চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর শহীদ হবিবুর রহমান হলে ইংরেজি দৈনিক দ্য এশিয়ান এজের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি সাকিব আল হাসানের সিট দখল ও লাঞ্ছিত করেন ছাত্রলীগ নেতা মিনহাজুল ইসলাম। সর্বশেষ ২৮ সেপ্টেম্বর শহীদ হবিবুর রহমান হলে ডেইলি স্টারের সাংবাদিক আরাফাত রহমানকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় ছাত্রলীগের দু’নেতাকে বহিষ্কার করা হয়।

চাঁদাবাজি: গত বছরের ৮ নভেম্বর রাবির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে শিবির আখ্যা দিয়ে তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেন রাবি ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক সাফি। পরে সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দেন তিনি। এরপর ৭ ডিসেম্বর আল আরমান হৃদয় নামে এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ২০ হাজার টাকা চুক্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সাধারণ সম্পাদক শফিউর রহমান রাথিক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসীমউদ্দীন রাহুল। চুক্তি অনুযায়ী হৃদয় পাঁচ হাজার টাকা দেন এবং পরে বাকি ১৫ হাজার টাকা দিতে অস্বীকৃতি তার একাডেমিক সনদপত্র জিম্মি করে রাখে বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির হুমকি: নিজের প্রেমিকার সঙ্গে তার হলের সিনিয়র এক ছাত্রী খারাপ আচরণ করায় ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির হুমকি দেন রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সারোয়ার হোসেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ছাত্রী উত্ত্যক্তের অভিযোগও রয়েছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা একের পর এক উশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড সংগঠিত হচ্ছে। যেসব নেতাকর্মী বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।

জানতে চাইলে রাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু এ প্রতিবেদককে বলেন, ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কোনো টর্চার সেল বা পলিটিক্যাল ব্লক নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হলে তল্লাশি চালিয়ে কিছুই পায়নি। ছাত্রলীগ একটি বৃহৎ সংগঠন। অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনা ঘটে। আমরা নেতাকর্মীদের সতর্ক করেছি। এরপর কেউ নেতিবাচক কর্মকাণ্ড করে। তবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে রুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি নাইমুর রহমান নিবিড় এ প্রতিবেদককে বলেন, ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে জানালে তারা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাইকে নিয়ে একটি পরিবার। তবে, অনেক সময় এখানে কিছু তুচ্ছ ও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে যায়। সেক্ষেত্রে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমাধান করার চেষ্টা করি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসে যে যাই অপরাধ করুক তা দেখার এখতিয়ার কেবল বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসনের। আমাকে কেউ যদি হয়রানির অভিযোগ দেয় তবে আমি ব্যবস্থা নেবো।

রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম সেখ এ প্রতিবেদককে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে, এটা সত্য। এ ধরনের ঘটনাগুলো ঘটলে আমরা সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেই। এসব ঘটনার যেন পুনারবৃত্তি না হয় সেজন্য আমরা সচেষ্ট আছি।

রাবির উপ-উপাচার্য আনন্দ কুমার সাহা বলেন, ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন দ্বারা ছাত্রদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়গুলোতে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আমরাও চেষ্টা করছি ছাত্রদের ওপর এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুসারে সুশৃঙ্খলভাবে সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। কেউ যেন বেপরোয়া কর্মকাণ্ড ঘটাতে না পারে, সে ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট আছি।

সূত্র: বাংলানিউজ

আর/০৮:১৪/১৪ অক্টোবর

শিক্ষা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে