Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯ , ৪ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-০৮-২০১৯

হংকংয়ে জরুরি আইন জারির পরিকল্পনা নেই সরকারের

হংকংয়ে জরুরি আইন জারির পরিকল্পনা নেই সরকারের

হংকং, ০৮ অক্টোবর - ঔপনিবেশিক আমলের জরুরি আইন জারির কোনো পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই বলে জানিয়েছেন চীনের আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকং এর নির্বাহী প্রধান ক্যারি লাম।

মঙ্গলবার সাপ্তাহিক এক সংবাদ সম্মেলনে ক্যারি লাম বলেন,‘‘হংকংয়ে গোল্ডন উইক হলিডে চলছে। অথচ অক্টোবরের প্রথম ছয় দিনে অতীতের তুলনায় ৫০ শতাংশ কম পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করেছেন। ফলে বিপণন, ক্যাটারিং, পর্যটন এবং হোটেল ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে প্রায় ছয় লাখ মানুষের ওপর।’’

গত মঙ্গলবার চীনের কমিউনিস্ট শাসনের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশটির স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকংয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ চূড়ান্ত আকার ধারণ করে। এদিন হংকংয়ে ছাতা নিয়ে, মুখোশ পরে দলে দলে বিক্ষোভকারী জড়ো হতে থাকেন। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাদানে গ্যাসের শেল ও জলকামান থেকে পানি ছোড়ে। পুলিশকে লক্ষ্য করে বিক্ষোভকারীরা প্রজেক্টাইল ও পেট্রলবোমা ছুঁড়েছেন।

পুলিশের গুলিতে এক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভে ফুঁঠে বিক্ষোভকারীরা। হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে এ ঘটনার প্রতিবাদ করে। এছাড়া, পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটের আঘাতে ইন্দোনেশিয়ার এক সাংবাদিকের ডান চোখ স্থায়ীভাবে অন্ধ হয়ে গেছে।

এর পরই মুখোশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা করে সরকার। শুক্রবার গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীদের ব্যাপারে ঔপনিবেশিক যুগের জরুরি আইন প্রয়োগ করেছিল দেশটির সরকার। শনিবার থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। চীন বিরোধী বিক্ষোভে ক্রমাগত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সরকারের জন্য উদ্বেগজনক। বর্তমানে বিক্ষোভে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ২৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ শতাংশ হয়েছে। তারা বিভিন্ন সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। দেশটির সরকার আশা করেছিল, এই নিষেধাজ্ঞার কারণে বিক্ষোভে শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার অনেক কমবে।

কিন্তু মুখোশ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভে নতুন মাত্রা পায়। হাজার হাজার শিক্ষার্থী সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে।

টানা চার মাস ধরে দেশটিতে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। এখনও পর্যন্ত ২৬৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আহত হয়েছে ৩০ জনের অধিক।

পুলিশের ছোড়া কাঁদানে গ্যাস এবং প্রজেক্টাইল থেকে বাঁচতে বিক্ষোভকারীরা হলুদ হেলমেট, কালো বা রঙিন চশমা এবং কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যবস্থাসম্পন্ন মুখোশ পরছেন। তাদের যেন শনাক্ত করা না যায়, এ জন্য তারা মুখোশ ব্যবহার করছেন।

তবে মুখোশ নিষিদ্ধের সমালোচনা করেছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক। আইনসভাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যেকোন আইন প্রণয়ন করার ক্ষমতা দেওয়া এমন একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য বিপজ্জনক হবে। কারণ যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক সাফল্য সেখানকার আইনের শাসন ও বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতার ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

সূত্র : ঢাকাটাইমস
এন এইচ, ০৮ অক্টোবর

এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে