Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯ , ৭ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.5/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২৮-২০১৯

ম্রো ভাষার প্রথম লেখক

আহমেদ মুনির ও বুদ্ধজ্যোতি চাকমা


ম্রো ভাষার প্রথম লেখক

বান্দরবান শহর থেকে ম্রোলাংপাড়ার দূরত্ব ১৩ কিলোমিটার। পড়ন্ত বিকেলে শহর থেকে একটা ফোরহুইল ড্রাইভ  গাড়িতে করে রওনা দিয়েছিলাম। সঙ্গে ছিলেন ইয়াংঙান ম্রো। তাঁর কাছেই শোনা একটি তথ্য আমাদের এই পাহাড়ি পথ ধরতে উৎসাহ জুগিয়েছিল।

ইয়াংঙানের তথ্যটা আপনাদেরও জানিয়ে রাখি, ম্রো সমাজে গল্প খুব গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। পাড়ায় বয়োজ্যেষ্ঠরা সবাইকে নিয়ে গল্পের আসর বসান। এসব গল্প ম্রোদের জীবনে দিকনির্দেশনা দেয়। তাই আসরগুলো অনেকটা বিকল্প পাঠশালা। এমন গল্পের আসর না দেখে বান্দরবানকে বিদায় জানানো, এক অর্থে অপূর্ণতা সঙ্গী করে ফেরার শামিল!

সন্ধ্যার কিছু আগে ম্রোলাংপাড়ায় গিয়ে আমরা পৌঁছাই। তবে যে বাসনা নিয়ে যাওয়া, ভাগ্য যেন তাতে জল ঢেলে দিল। আট-দশ ঘরের পাড়াটি সন্ধ্যার শুরুতেই ঘুমে আচ্ছন্ন যেন। এমন আশঙ্কার কথা অবশ্য ইয়াংঙান ম্রো আগেই বলেছিলেন, ‘জুম কাটার সময় এখন। পাড়ার সবাই খেয়ে শুয়ে পড়তে পারে।’ ঠিক তা–ই হলো।

তবে কার্বারি ঙুইন ম্রোকে পাওয়া গিয়েছিল তাঁর ঘরে। সবে রাতের খাওয়া শেষ করে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গল্পের আসরের কথা তোলায় তিনি হেসে বলছিলেন, ‘এখন গল্প বলি না আমরা। জুম কাটার সময় গল্প বললে শূকরে ধান খেয়ে নেয়।’ অগত্যা শূকরে ধান খাবে, এমন ঝুঁকি সত্ত্বেও ইয়াংঙান নিজেই গল্পের ঝাঁপি খুলে বসেন। ম্রো জনগোষ্ঠীর মুখে মুখে ফেরা গল্পগুলোকে মলাটবন্দী করেছিলেন তিনি। তাঁর চেয়ে ভালো গল্প আর কে বলতে পারবে। আমরাও গল্পে ভেসে যাই। সেই গল্প যেন জাদুর তুলির মতো এঁকে চলে ম্রো সমাজের ঝকঝকে ছবি।  

মাঝারি উচ্চতার, সহজ-সরল এই ইয়াংঙান ম্রোই ম্রো ভাষার প্রথম লেখক। ম্রোলাংপাড়া থেকে বান্দরবান শহরে ফিরেও গল্প চলতে থাকে। গল্পের ফাঁকে জানা হয়ে যায় তাঁর সাহিত্যিক হয়ে ওঠার কাহিনিও।

এক বাক্যে যত সহজে এটা বলা গেল, তত সহজে ইয়াংঙান লেখক হয়ে ওঠেননি। এভারেস্টের চূড়ায় ওঠার মতোই কঠিন ছিল তাঁর এত দূর আসা। মূল কথায় ঢোকার আগে আগে সংক্ষেপে তাঁর পরিচয় জেনে নেওয়া যাক।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্য ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে ২০১২ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন ইয়াংঙান। সেই সময় ম্রোদের মধ্যে স্নাতকোত্তরধারী দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন তিনি। পাস করে নয়টা-পাঁচটার চাকরি না করে লেখালেখিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। ইয়াংঙানের প্রকাশিত ১৫টি বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুই খণ্ডে প্রকাশিত ম্রোদের ক্রামা ধর্মগ্রন্থ রিইয়ুং খাতি, ক্রামাদি, ম্রো রূপকথা, ম্রো ভাষায় আন্তর্জাতিক আদিবাসী ঘোষণাপত্র, ম্রো ভাষায় পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি, ম্রো ওয়ার্ড বুক (ম্রো লাইসম বইক), ম্রো গানের বই (ম্রোচ্য মেং বইক)। প্রকাশিতব্য বইয়ের তালিকায় আছে ১০১ জন ম্রো ব্যক্তিত্বের জীবনী ও আত্মজীবনী বেদনার মহাকাব্য এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ম্রো অনুবাদ।

বান্দরবান শহরের মারমাপাড়ায় একটা মেস তাঁর বর্তমান ঠিকানা। লেখালেখির জন্য একটা টেবিল পর্যন্ত নেই সেখানে। মাটিতে পাতা বিছানায় বসেই লেখালেখি করেন তিনি। চিম্বুকের কাছে একটা ছোট্ট বাগান আছে তাঁর। সেটার আয় দিয়েই চলেন তিনি।

পাঠশালায়
ইয়াংঙান কথায় কথায় জানালেন, বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার দুর্গম সাংলাইপাড়ায় জন্ম ইয়াংঙানের। জন্মতারিখ মনে নেই। স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর বয়স কমিয়ে ফরমে শিক্ষকেরা লিখে দিয়েছিলেন ২৯ নভেম্বর, ১৯৮৬। সেটাই চলছে।

ইয়াংঙানের বাবা ছিলেন জুম চাষি। তিন ভাই, চার বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। জ্ঞাতিগোষ্ঠীর অনুরোধে সাংলাইপাড়া থেকে চিম্বুকের বাইট্টাপাড়ায় চলে আসেন ১৯৮৯ সালে। তত দিনে বান্দরবানে পুরোদমে চালু হয়েছে ম্রো আবাসিক উচ্চবিদ্যালয়। বাইট্টাপাড়া থেকে কয়েকজন ম্রো বালক সেখানে পড়তে গিয়েছিল। ওই স্কুলের জন্য নতুন শিক্ষার্থী সংগ্রহ করতে হতো প্রত্যেক ছাত্রকে। তাই বাইট্টাপাড়ার ম্রো ছাত্ররা ছুটিতে গ্রামে ফিরে এসে নতুন শিক্ষার্থী সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। তাদের নজর পড়েছিল ইয়াংঙানের ওপরও। কিন্তু দূরের অচেনা শহর বান্দরবানে যেতে রাজি ছিল না ইয়াংঙান ম্রো। বাবা মাংকম ম্রো হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেন ছেলেকে পড়াবেন।

দরিদ্র জুম চাষি বাবার সন্তান ইয়াংঙানদের বাড়িতে ভাত রান্না হতো কালেভদ্রে। যেদিন ভাত রান্না হতো, সেদিন উৎসবের আমেজ থাকত। গানের আসরও বসত। বাবা মাংকম ম্রো বুঝতে পারলেন, লেখাপড়া শিখলে ছেলেকে অন্তত না খেয়ে থাকতে হবে না। ১৯৯১ সালে পাড়ার বড় ভাইদের সঙ্গে বান্দরবান শহরে এসে ম্রো আবাসিক উচ্চবিদ্যালয়ে যখন ভর্তি হলো। তখনো বাংলা ভাষার বিন্দু–বিসর্গও বুঝতে পারে না ইয়াংঙান। চিম্বুক পাহাড়ের বাইট্টাপাড়া থেকে জেলা শহরে এসে ডাঙায় তোলা মাছের মতো অবস্থা হলো। ম্রোদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, গলার মালা, হাতের বালা, চূড়া করে বাঁধা চুল—সবই ছেঁটে ফেলতে হলো। পরতে হলো স্কুল ইউনিফর্ম। কিন্তু দেহমনে থেকে গেল বাইট্টাপাড়ার সেই ছেলেটিই।

ভাষাবাধা জয়
স্কুলে ভর্তি হলো ঠিকই, কিন্তু ক্লাসে ইয়াংঙান শিক্ষকদের হাত–পা নাড়া দেখেই শুধু। ভাষা বোঝে না এক ফোঁটাও। শিক্ষকেরা চুপ করতে বললে, নমস্কার দিত দুই হাত জোড় করে। কারণ, ম্রো ভাষায় চুপ অর্থ নমস্কার।

সেই সময় সুকুমার বড়ুয়া নামের এক বাঙালি শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করলেন। তিনি ম্রো ভাষা জানতেন। ওই শিক্ষক বই থেকে ম্রো ভাষায় অনুবাদ করে পড়াতেন তাদের। কিন্তু বছর না পেরোতেই সুকুমার বড়ুয়া স্কুলে আসা কমিয়ে দিলেন। জানা গেল অসুস্থ তিনি। একসময় আর এলেন না। তখন ইয়াংঙান আর তাঁর সহপাঠীরা চোখে অন্ধকার দেখল। বিদ্যালয়ের উঁচু ক্লাসের ছেলেরাও খুব যে বাংলা বুঝত এমন নয়। তাদের কাছ থেকেও সাহায্য পাওয়া গেল না। তাই তৃতীয় শ্রেণিতে উঠে এক রাতে হোস্টেল থেকে পালাল ইয়াংঙান। সঙ্গে আরও দুই সহপাঠী। ইয়াংঙানের বয়স তখন ১৩-১৪। ম্রো ছেলেদের বিয়ের জন্য বয়সটা যথেষ্ট। পালিয়ে বাড়ি গেলে মা খুশি হয়ে বলেছিলেন, ‘এবার, বিয়ে দেব তোর।’ কিন্তু বাবার জন্য ভেস্তে গেল সব। দুদিন পর বাবা জোর করে আবার স্কুলে পাঠিয়ে দিলেন। সেই ইয়াংঙানের আজও বিয়ে করা হয়ে ওঠেনি। স্কুলে ফিরে ভাষা শেখার জন্য প্রাণপণ লড়তে হয়েছে তাকে। এসএসসি পর্যন্ত পড়তে আর লিখতে পারলেও অনর্গল বলতে পারত না। রাঙামাটি কলেজে ভর্তি হওয়ার পর সে বাধা কেটে গেল।

যেভাবে শুরু লেখালেখি
ম্রো জনগোষ্ঠীর ক্রামা ধর্মের প্রবর্তক ও শিক্ষা প্রসারের অগ্রদূত মেনলে ম্রো না থাকলে ইয়াংঙানের মতো অনেক ম্রো শিক্ষার্থীর এত দূর আসা হতো না। লেখকও হয়ে উঠতে পারতেন না। ম্রোরা সম্মান করে মেনলেকে ‘ক্রামাদি’ বলে সম্বোধন করে। বর্তমানে অজ্ঞাতবাসী মেনলে ম্রো ১৯৮৫ সালে ম্রো ভাষার হরফ উদ্ভাবন করেন। তবে খুব বেশি দূর লেখাপড়া সম্ভব হয়ে ওঠেনি মেনলের পক্ষে। তাঁর প্রচেষ্টাতেই ম্রো ভাষার শিক্ষাকেন্দ্র আর কম্পিউটারে লেখার পদ্ধতি চালু হয়।

স্কুলে পড়ার সময় ম্রো ভাষায় গল্প-কবিতা লিখত ইয়াংঙান। মেনলে ম্রোর প্রবর্তিত বর্ণমালাও শিখেছিল  তত দিনে। ম্রোপাড়াগুলোতে তখন নিয়মিত ধর্মসভা হতো। সেখানে হাতে লেখা গল্প বিলি করত ইয়াংঙান। লেখালেখির এই ধারা অব্যাহত ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনেও।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ভীষণ অর্থকষ্টে পড়লেন ইয়াংঙান। ভাবতে অবাক লাগে, এই অর্থকষ্ট থেকে মুক্তি পেতে লেখালেখি বেছে নিলেন তিনি। গ্রামে গ্রামে ঘুরে ম্রো ভাষার গল্প, কবিতা আর অভিধান (ওয়ার্ড বুক) ফটোকপি করে বিক্রি করতেন। এভাবে পড়াশোনার খরচও উঠে এল। ২০১৩ সালে বান্দরবানের একতা প্রিন্টার্স থেকে প্রকাশিত হয় ক্রামা ধর্মগ্রন্থ রিইয়ুং খাতি। বইটি ম্রোদের ক্রামা–অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে তাঁর ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

ইয়াংঙানের তিন বই
ইয়াংঙান মেনলে ম্রোকে কখনো চোখের দেখাও দেখেননি। কিন্তু সারা জীবন তাঁকেই অনুসরণ করে গেছেন। বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে থাকা মেনলে ম্রোর নানা উপদেশ, নীতিকথা একসঙ্গে সংকলন করেছেন ইয়াংঙান ম্রো। রিইউং খাতি নামের ২০০ পৃষ্ঠার এই বইকে ক্রামা ধর্মের বাইবেল বলা যায়।

রিইয়ুং খাতির মতো উল্লেখযোগ্য আরও দুটি বই ম্রো অভিধান ম্রো লাইসম বইক আর ম্রো রূপকথার সংকলন।

ভাষা জানা না থাকায় অনেক ম্রো পরিবারের সদস্য হাসপাতালে পর্যন্ত যেতে পারেন না। গেলেও চিকিৎসক কী বলেছেন, তা বুঝতে পারেন না। এভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। তাই একটা অভিধানের খুব প্রয়োজন ছিল। সেই চিন্তা থেকেই ইয়াংঙান লিখে ফেলেন ম্রো লাইসম বইক নামের ওয়ার্ড বুক। অনেক ম্রো তরুণ-তরুণীর ভাষা শেখার অবলম্বন এখন এই বই।

ইয়াংঙান বিভিন্ন ম্রোপাড়ায় ঘুরে গল্প সংকলন করেছেন। ৩৫টি গল্প নিয়ে ম্রো রূপকথার প্রথম পর্ব প্রকাশ করেছে বিদ্যানন্দ প্রকাশনী। রূপকথার বই হলেও ম্রো জনগোষ্ঠীর কাছে এই বই অন্য রকম অর্থ বহন করে। কারণ, রূপকথাগুলোতে থাকে উপদেশমূলক কথা।  

প্রথম ম্রো লেখক
পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩০ থেকে ৪০ হাজার ম্রো জনগোষ্ঠীর মধ্যে ইয়াংঙানই একমাত্র লেখক নন। তাঁর আগে বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য সিংইয়ং ম্রো লেখালেখি শুরু করেন। তবে সিংইয়ং ম্রো প্রধানত লিখেছেন বাংলা ভাষায়। ম্রো ভাষায় তিনি লিখলেও সেসব প্রকাশিত হয়নি। সেদিক থেকে ইয়াংঙানই ম্রো ভাষার একমাত্র লেখক, যিনি মেনলে ম্রো প্রবর্তিত ম্রো বর্ণমালাকে ছাপার অক্ষরে এনেছেন। লিখছেন ম্রো ও বাংলা দুই ভাষাতেই।

সিংইয়ং ম্রো জানালেন, তিনি ইয়াংঙান ম্রোর আগে লেখালেখি শুরু করলেও ম্রো ভাষায় প্রকাশিত তাঁর কোনো বই নেই। তিনি বলেন, ‘ম্রো ভাষার ওয়ার্ড বুক আর রূপকথার বই ইয়াংঙানের খুব উল্লেখযোগ্য কাজ। অনেক ম্রো তরুণ-তরুণী এখন তাঁর বই পড়ছে।’

বান্দরবানের মারমা ভাষার বিশিষ্ট লেখক মংক্যশোয়েনু নেভি মারমার সঙ্গে কথা হয়েছিল। তিনি বলেছেন, ইয়াংঙান ম্রো নিজের জনগোষ্ঠীর মানুষের কৃষ্টি-সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও দুঃখ-বেদনা তুলে ধরার জন্য সবকিছু বাদ দিয়ে লেখালেখি করেন। তিনি ঘুরে বেড়ান নিজের জনগোষ্ঠীর দুর্গম পাড়া-গ্রামে। এ জন্য ম্রো ভাষায় ও বর্ণমালায় তিনিই লেখক হতে পেরেছেন।

মানুষের পাশে
লেখালেখির পাশাপাশি ইয়াংঙান নাটকের সঙ্গে জড়িত। ম্রো ভাষায় বেশ কয়েকটি নাটক লিখেছেন। পাশাপাশি ম্রো ভাষাভাষী শিক্ষার্থীদের জন্য লামা উপজেলায় ‘রুংলেন থাবা’ নামের একটি হোস্টেলও প্রতিষ্ঠা করেছেন তাঁরা কয়েকজন মিলে। ইয়াংঙান বলেন, মা তাঁর বিয়ের জন্য ১২০টি রুপার মুদ্রা রেখেছিলেন। হোস্টেল চালাতে গিয়ে সেসব বিক্রি করতে হয়েছে তাঁকে। তবে এখন আর তাঁকে খরচ দিতে হয় না। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সে দায়িত্ব নিয়েছে।

ইয়াংঙানের কথা, লেখালেখি কিংবা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি তাঁর কাছে আলাদা নয়। কারণ, এ সবকিছুই তিনি করছেন পিছিয়ে পড়া ম্রো সম্প্রদায়ের জন্য। সারা জীবন মানুষের পাশেই থাকবেন, এটাই লক্ষ্য তাঁর।

আর/০৮:১৪/২৮ সেপ্টেম্বর

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে