Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ , ২৯ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২৬-২০১৯

জান্নাতে মুমিনদের জন্য জুমআর দিন যেমন হবে

জান্নাতে মুমিনদের জন্য জুমআর দিন যেমন হবে

রহমত বরকত মাগফিরাতে ভরপুর হচ্ছে জুমআর দিন। মুসলিম উম্মাহর জন্য অনেক বড় মর্যাদার দিন। অনেক বুজুর্গানে দ্বীনের জুমআর দিনকে নফল হজের চেয়ে মর্যাদার দিন হিসেবে মনে করতেন।

জুমআর দিন মর্যাদাপূর্ণ হওয়ার কারণ

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘সূর্য উঠে এমন দিনগুলোর মধ্যে জুমআর দিনটিই হলো সর্বোত্তম দিন। কারণ-

- হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, এক ইয়াহুদি তাঁকে বলল, ‘হে আমিরুল মুমিনিন ! আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে, যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, তা যদি আমাদের ইয়াহুদি জাতির উপর অবতীর্ণ হতো, তবে অবশ্যই আমরা সেই দিনকে ঈদ হিসাবে পালন করতাম, তিনি বললেন, ‘কোন আয়াত’? সে বলল, ‘আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।’ (সূরা মায়েদা : আয়াত ৩) হজরত ওমর বললেন, ‘এটি যে দিনে এবং যে স্থানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর অবতীর্ণ হয়েছিল তা আমরা জানি। তিনি সেদিন আরাফায় দাঁড়িয়েছিলেন আর সেটা ছিল জুমুআ’র দিন।’ (বুখারি)

- এই দিনেই আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল; এই দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল (আবু দাউদ) এবং এই দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল (মুসলিম) এই দিনে তাঁকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছিল, এই দিনেই তাঁর তওবা কবুল করা হয়েছিল এবং এই দিনেই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিল (আবু দাউদ)

জুমআর দিনের করণীয় সম্পর্কে কুরআনের ঘোষণা

আল্লাহ তাআলা কুরআনে ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ! জুমআর দিনে যখন নামাজের আজান দেয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর ইবাদতের জন্য দ্রুত যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝ।’ (সূরা জুমআ : আয়াত ৯)

জুমআর দিনের ফজিলত

- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মুমিনের জন্য জুমআর দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন। তিনি আরও বলেন, ‘মহান আল্লাহ পাকের কাছে জুমআর দিনটি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনের মত শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনটি আল্লাহর কাছে অতি মর্যাদা সম্পন্ন।’ (ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমাদ)
- হে মুসলমানগণ! জুমআর দিনকে আল্লাহ্ তাআলা তোমাদের জন্য (সাপ্তাহিক) ঈদের দিন হিসাবে নির্ধারণ করেছেন (جَعَلَهُ اللهُ عِيْدًا)। তোমরা এদিন মেসওয়াক কর, গোসল কর ও সুগন্ধি লাগাও।’ (মুয়াত্তা, ইবনু মাজাহ, মিশকাত)

- জুমআর রাতে বা দিনে যে ব্যক্তি ঈমান নিয়ে মারা যায়; আল্লাহ তায়ালা তাকে কবরের আজাব থেকে মুক্তি দেন।’ (তিরমিজি)

জান্নাতে জুমআর দিন

- জান্নাতে প্রতি জুমআর দিনে জান্নাতিদের হাট বসবে। জান্নাতি লোকেরা সেখানে একত্রিত হবেন। সেখানে এমন মনমুগ্ধকর বাসাত বইবে, যে বাতাসে জান্নাতিদের সৌন্দর্য অনেক গুণ বেড়ে যাবে এবং তাদের স্ত্রীরা তা দেখে অভিভূত হয়ে পড়বে। পাশাপাশি তাদের স্ত্রীদেরও অনুরূপ সৌন্দর্য বেড়ে যাবে।’ (মুসলিম)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দুনিয়া ও পরকালে জুমআর দিনের মর্যাদা ও ফজিলত লাভের তাওফিক দান করুন। জুমআর দিনের করণীয় যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এন এইচ, ২৬ সেপ্টেম্বর

ইসলাম

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে