Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২৬-২০১৯

মেঘনাগর্ভে কমলনগরের প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিক

মেঘনাগর্ভে কমলনগরের প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিক

লক্ষ্মীপুর, ২৬ সেপ্টেম্বর - লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের মেঘনার ভয়াবহ ভাঙনে উপজেলায় স্থাপিত প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিকটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

প্রতিদিনই ভাঙছে বিদ্যালয় ভবন, মসজিদ ও আশপাশের এলাকা। এমন পরিস্থিতিতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা যথাযথ নয় বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।

নিম্নমানের কাজ ও অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

১৯৯৭ সালে চর ফলকন গ্রামের তালুকদার বাড়ির সামনে ক্লিনিকটি নির্মাণ করা হয়। প্রতিদিন ফলকন ও পাটারিরহাট ইউনিয়নের শত শত বাসিন্দা এ ক্লিনিক থেকে স্বাস্থ্যসেবা নিতেন। বর্তমানে এটি মেঘনার ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

চর ফলকন লুধুয়া এলাকার বাসিন্দা মরহুম আবুল হোসেন তালুকদারের ছেলেরা সরকারিভাবে ক্লিনিকটি স্থাপনের জন্য জমি দান করেন। তাদের জমিতে নির্মাণ হওয়ায় নাম দেয়া হয়েছে আবুয়াল হোসেন কমিউনিটি ক্লিনিক।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ক্লিনিকটি নদীতে ভেঙে পড়েছে। আশপাশের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ফসলি জমিসহ শত শত পরিবার এখন হুমকির মুখে।

ক্লিনিকের পাশেই রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ। এসব রক্ষায় নামমাত্র বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে কাজ না করায় ব্যাগ ডাম্পিং করেও কোনো লাভ হয়নি। নিম্নমানের জিও ব্যাগ ও বালুর পরিবর্তে মাটি ব্যহারের কারণে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সরকারের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অপচয় হয়েছে। এমনকি জিও ব্যাগের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে সার ও লবণের বস্তা।

এলাকাবাসী বলছেন, ক্লিনিকটি নদীতে ভেঙে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সর্বনাশ হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসাবঞ্চিত হতে পারেন ভাঙনকবলিত এলাকার অসহায় মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা হাজিরহাট উপকূল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক জামাল উদ্দিন তালুকদার বলেন, মেঘনাপাড়ের বাসিন্দারা এ ক্লিনিক থেকে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতেন। প্রতিদিন শত শত মানুষ এখান থেকে চিকিৎসা ও বিনামূল্যে ওধুষ নিতেন। ক্লিনিকটি মেঘনার ভাঙন থেকে রক্ষা পায়নি। পর্যাপ্ত শ্রমিকের মাধ্যমে যথাযথভাবে নদীরপাড়ে জিও ব্যাগ স্থাপন না করায় এমন দশা হয়েছে।

কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি কামরুল আহসান বলেন, ভাঙন ঠেকাতে ক্লিনিকের আশপাশে বালুভর্তি জিও ব্যাগ স্থাপনের অনুরোধ করা হলেও তা করা হয়নি।

কাজে অনিয়মের কারণেই ক্লিনিকটি এখন নদীগর্ভে। লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মুসা বলেন, ক্লিনিকসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনা রক্ষায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

সূত্র : যুগান্তর
এন এইচ, ২৬ সেপ্টেম্বর

লক্ষীপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে