Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২২-২০১৯

‘প্রতারণা করে ডিসি অফিসের গাড়িচালক কোটিপতি’

‘প্রতারণা করে ডিসি অফিসের গাড়িচালক কোটিপতি’

খুলনা, ২২ সেপ্টেম্বর - খুলনার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সাবেক গাড়িচালক আমিনুল ইসলাম ও তার স্ত্রী রেহানা পারভীন প্রতারণার মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

নগরীর অসহায় ও সহজ-সরল নারীর কাছ থেকে এসব টাকা হাতিয়ে নেন তারা। কাউকে চাকরি দেয়ার কথা বলে আবার কারও সন্তানকে সরকারি স্কুলে ভর্তির কথা বলে এসব টাকা নিয়েছেন আমিনুল ইসলাম ও তার স্ত্রী রেহানা।

রোববার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়। ভুক্তভোগী নারীদের পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নগরীর টিবি ক্রস রোডের বাসিন্দা নাজমুন নাহার লিপি। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন জেলা প্রশাসকের সাবেক গাড়িচালক আমিনুল ইসলাম ও তার স্ত্রী রেহেনা পারভীন বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন পদে চাকরি দেয়ার নাম করে এবং খুলনার সরকারি বিভিন্ন স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেয়ার নামে আমাদের সাথে প্রতারণা করেছন। অসহায় নারীদের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তারা।

নাজমুন নাহার লিপি বলেন, গাড়িচালক আমিনুল নিজের অপকর্ম তৎকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আউয়ালের কাছে স্বীকার করেছেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আউয়ালকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছিলেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক।তার অপকর্ম প্রমাণ হওয়ায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে দিঘলিয়ায় বদলি করা হয়। পরে তাকে বদলি করা হয় খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে। তিনি বর্তমানে সেখানে কর্মরত। তবে আমিনুল ইসলাম তার স্ত্রী রেহানাকে তালাক দিয়েছেন এমন মিথ্যা নাটক সাজিয়েছেন। যে কারণে অসহায় নারীরা আজ টাকা না পেয়ে পথে পথে ঘুরছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গাড়িচালক আমিনুল এতই চতুর যে, টাকা ফেরতের সময় স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব থেকে চেক দেন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে কেউ কেউ চেক ডিজঅনার মামলা করেছেন আদালতে। আদালত থেকে রেহানা পারভীনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। কিন্তু তাকে গ্রেফতার করছে না পুলিশ।

যাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে তাদের কেউ কেউ অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। একজন তার বাবার কাফনের কাপড়ের টাকাও আমিনুল ও রেহানাকে দিয়েছেন। একজন বৃদ্ধাকে বয়স্কভাতা পাইয়ে দেয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছেন। তারা যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন ওই বাড়ির মালিকের ছেলেকেও চাকরি দেয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছেন। এ ব্যাপারে আদালতে মামলা চলছে।

নাজমুন নাহার লিপি বলেন, রেহানার বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলা করলে আমার পক্ষে রায় হয়। কিন্তু আত্মগোপনে থাকায় তাকে গ্রেফতার করতে পারছে না পুলিশ। টাকা হারিয়ে আমরা নিঃস্ব। পাওনা টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করছি আমরা।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নারীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মাবিয়া রোজী, নাজমুন নাহার লিপি, রুনা, হ্যাপি, লিপি, রুবি, হাওয়া, শারমিন, হালিমা, ফাতেমা, মনোয়ারা, হাসিনা ও সালমা।

সুত্র : জাগো নিউজ
এন এ/ ২২ সেপ্টেম্বর

অপরাধ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে