Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.1/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২১-২০১৯

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বলেছিলেন সু চি: ডেভিড ক্যামেরন

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বলেছিলেন সু চি: ডেভিড ক্যামেরন

লন্ডন, ২১ সেপ্টেম্বর- নিজের স্মৃতিকথা ‘ফর দ্য রেকর্ড’-এ এর যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন উল্লেখ করেছেন, এক বৈঠকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বলে উল্লেখ করেছিলেন মিয়ানমারের নেতা অং সান সু চি।

ডয়েচে ভেলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের নানা ঘটনা নিয়ে এই বই লেখেন ক্যামেরন। বৃহস্পতিবার বইটি প্রকাশ পায়।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন নিউজউইকে ক্যামেরনের বই নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। যেখানে সু চির সঙ্গে বৈঠক নিয়ে বইতে ক্যামেরনের বক্তব্য উঠে আসে।

২০১৩ সালের অক্টোবরে লন্ডন সফরে যান সু চি। সেখানে ক্যামেরনের সঙ্গে দেখা হয় তার। সে বৈঠক নিয়ে ক্যামেরন লেখেন, ২০১৩ সালের অক্টোবরে তিনি লন্ডন সফরে আসেন। তখন সেখানে সবার মনযোগ ছিল তার দেশের রোহিঙ্গা মুসলমানদের অবস্থা নিয়ে, যাদের বৌদ্ধ রাখাইনরা বাড়ি ছাড়া করছে। সেখানে ধর্ষণ, হত্যা ও জাতিগত নিধনের খবর পাওয়া যাচ্ছিল। পুরো বিশ্ব তা দেখছিল, আমি তাকে ওই বিষয়ে বললে উত্তরে তিনি বলেন, তারা আসল বার্মিজ নন, তারা বাংলাদেশি।

এছাড়াও ২০১৩ সালে লন্ডন সফরের সময় বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সু চি বলেছিলেন, শুধু মুসলমানরা নিপীড়নের শিকার হচ্ছে এমনটা নয়, বৌদ্ধরাও নৃশংসতার শিকার হচ্ছে।

এরপর ২০১৫ সালে তিনি মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় নেতা হলেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চলতেই থাকলো।

এর আগে ২০১৩ সালে সেখানে বৌদ্ধ রাখাইন ও রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে ভয়াবহ দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও নিপীড়ন নিয়ে প্রতিবাদ না করায় তখনই আন্তর্জাতিক মহলে দারুণ সমালোচিত হয়েছিলেন ১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সু চি।

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি পুলিশ পোস্টে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় নয় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হওয়ার পর ওই রাজ্যে বিশেষ করে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে সেনা অভিযান শুরু হয়।

পরবর্তীতে বাংলাদেশে এগারো লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে আসে। তার বড় অংশই প্রবেশ করা শুরু করেছিল ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট।

এরপর জাতিসংঘসহ নানা সংস্থার নানা উদ্যোগে ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি প্রত্যাবাসন শুরুর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি।

আর/০৮:১৪/২১ সেপ্টেম্বর

ইউরোপ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে