Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ , ২৮ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২০-২০১৯

এবার আফগানিস্তানের সামনে ‘আত্মবিশ্বাসী’ এক বাংলাদেশ

এবার আফগানিস্তানের সামনে ‘আত্মবিশ্বাসী’ এক বাংলাদেশ

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর- এক জয়ে তিনটি প্রাপ্তি। তিনটি স্বস্তি। প্রথম প্রাপ্তি, ফাইনাল নিশ্চিত করা। দ্বিতীয় প্রাপ্তি, ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে ব্যাটিং ও বোলিংটা উন্নত করা এবং তৃতীয় ও শেষ প্রাপ্তি, দলে অনেকদিন পর একজন লেগস্পিনার পাওয়া। সব মিলে গত ১৮ সেপ্টেম্বর জিম্বাবুয়ের সাথে ম্যাচটি ছিল সাকিব বাহিনীর নিজেদের ফিরে পাবার ম্যাচ।

আগামীকাল শনিবার আফগানিস্তানের সাথে খেলাটির গুরুত্ব কমে গেছে। এখন আর টাইগারদের জয়ের কোন তাড়া নেই। জিতলেও ফাইনাল। হারলেও ফাইনাল। তাই আফগানদের সাথে শেষ ম্যাচটি এখন শুধুই নিয়ম রক্ষার বা আনুষ্ঠানিকতা হয়ে গেছে। এ ম্যাচে আর যাই হোক সংশয়, শঙ্কা, হারানোর ভয়-ডর নেই। বরং ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আছে নিজেদের আবার খুঁজে পাবার অন্যরকম সন্তুষ্টি।

সব মিলে টাইগাররা আবার চনমনে। অন্যরকম স্বস্তি সবার মনে। আবার দল হিসেবে ভাল খেলার উপাদান যুক্ত হয়েছে। এখন অনেক নির্ভার সাকিবের দল, কাল শনিবার সন্ধ্যায় মুখোমুখি হবে রশিদ খানের আফগানিস্তানের বিপক্ষে।

ঢাকায় অনেক ফিঁকে, আড়ষ্ট আর ছন্নছাড়া মনে হলেও চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ঐ খেলায় ব্যাটিং-বোলিং আর ফিল্ডিং তিন ডিপার্টমেন্টেই দেখা মিলেছে এক অন্য বাংলাদেশের। ঢাকার শেরে বাংলায় ১৩ ও ১৫ সেপ্টেম্বর যে বাংলাদেশকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

১৩ তারিখ শক্তি ও সামর্থ্যে অনেক পিছিয়ে থাকা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জিততেও অনেক ঘাম ঝরাতে হয়েছে। দুই তরুণ মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আর দেড় বছর পর জাতীয় দলে ফেরা আফিফ হোসেন ধ্রুব ব্যাট হাতে জ্বলে না উঠলে, কি যে হতো তা বলা কঠিন। আফিফ শক্ত হাতে হাল না ধরলে হয়ত ঐ ম্যাচ জেতাও সম্ভব হতো না।


প্রথম ম্যাচে আফিফ-সৈকতের চওড়া ব্যাটে জিতলেও পরের খেলায় আফগানিস্তানের সাথে আর পেরে ওঠেনি সাকিবের দল। হেরেছে ২৫ রানে। টি-টোয়েন্টির হিসেবে যেটাকে বড় হারই বলা যায়।

আফগানদের সাথে ঐ ম্যাচে অনুজ্জ্বল ও দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ে ম্যাচ হারের পর মনে হচ্ছিল, এ আসরে টাইগারদের ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে। কিন্তু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচেই সে ধারণা ভুল প্রমাণ করেছে সাকিব আল হাসানের দল।

যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ভাল খেলার ওপর নির্ভর করে টাইগারদের টিম পারফরমেন্স- সেই বিশেষ জায়গা মানে ব্যাটিং ও বোলিং হয়েছে মনমতো। বাংলাদেশ পায় ৩৯ রানের বড় জয়।

অনুজ্জ্বল, শ্রীহীন ও নড়বড়ে ছন্নছাড়া অবস্থায় পড়ে যাওয়া একটা দলের আলোয় ফেরার জন্য যেমন এক উদ্দীপক জয় দরকার ছিল। সেটা পাওয়া গেছে। তবে ফাইনাল নিশ্চিত হলেও একটি অস্বস্তি রয়েই গেছে টাইগারদের নিয়ে। আফগানিস্তানের সাথে এখনও জয় পাওয়া হয়নি। শনিবারও সেই জয় না পেলে দুই হার নিয়ে ফাইনালে যেতে হবে টাইগারদের। যে দলের বিপক্ষে দুই দেখায়ও জয় পাওয়া যাবে না, সেই দলের বিপক্ষে ফাইনাল জেতার আশা করাটাও তো বোকামি হবে। তাই কালকের ম্যাচটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ সাকিবদের জন্য।


আর সেটা পেতে হলে শুরুতে মুজিবুর রহমান আর রশিদ খানের বৈচিত্র্যে ভরা স্পিনে আগের মত শঙ্কিত না হয়ে নিজেদের সামর্থ্যের সঠিক প্রয়োগ ঘটাতে হবে। জিম্বাবুয়ের সাথে ম্যাচের মত ৬ ওভারে ওভার পিছু ৮ রানের আশপাশে থেকে প্রথম উইকেটে ৪০-৫০ রান যোগ করতে পারলেই ব্যাটিংয়ের অচলাবস্থা কেটে যাবে। শুরু ভাল হলেই পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের স্বচ্ছন্দে ও সাবলীল ব্যাট চালনা সহজ হয়ে যাবে।

তবে বোলিংয়ে একটা অভাববোধ হয়তো হবে। আগের ম্যাচে ফিল্ডিংয়ে হাতে ব্যথা পাওয়ায় সম্ভবত এ ম্যাচ খেলতে পারবেন না লেগস্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। যদিও আজ এ তরুণ লেগি অনুশীলন করেছেন, তারপরও টিম ম্যানেজমেন্ট এবং নির্বাচকরা বিপ্লবকে খেলানোর ঝুঁকি নিতে নারাজ। তাকে এ ম্যাচ বিশ্রাম দিয়ে একবারে ফাইনালে আফগানদের বিপক্ষে খেলানোর চিন্তাই চলছে। আগের ম্যাচে তার টাইট বোলিংটা ছিল বোলিংয়ের অন্যতম কার্যকর অস্ত্র। কাল শনিবারের ম্যাচে তা মিস হলে কাউকে না কাউকে সে ঘাটতি পুুষিয়ে দিতে হবে। দেখা যাক, কে সেই ঘাটতি পুষিয়ে দেন।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/২০ সেপ্টেম্বর

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে