Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ , ২৯ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২০-২০১৯

জাতিসংঘে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনাগুলো দিলেন

জাতিসংঘে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনাগুলো দিলেন

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর- আজ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন শেখ হাসিনা। ঢাকা ত্যাগের আগে তিনি আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের বিভিন্ন রকম নির্দেশনা দিয়েছেন। এ সমস্ত নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে চোখ-কান খোলা এবং যার যার ওপর অর্পিত দায়িত্ব রয়েছে তা সঠিকভাবে পালন করারও নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনাগুলো দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে-

১. সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে, সেটি অব্যাহত থাকবে। শুধু ছাত্রলীগ বা যুবলীগ নয়, সারাদেশে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে যারাই অপকর্ম করছে, সন্ত্রাসীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে- তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ব্যাপারে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি অনুসরণ করতে হবে।

২. ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে, সেই অভিযানকে অব্যাহত রাখতে হবে। এই ক্যাসিনোর সঙ্গে যারা যারা জড়িত ছিল তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

৩. অপরাধী বা অপকর্মের সঙ্গে যুক্তদের ব্যাপারে কোনোরকম তদবির আইন প্রয়োগকারী সংস্থা শুনবে না। এ ব্যাপারে কেউ তদবির বা টেলিফোন করলে তা লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে। সেই তদবিরের অনুরোধ লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে এবং সেই অনুরোধের বিষয়াদি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করতে হবে।

৪. দলের মধ্যে যারা অনুপ্রবেশ করেছে, বিশেষ করে ২০০৯ সালের পর যারা বিএনপি, জামাত, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির থেকে যারা আওয়ামী লীগ এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনে যোগদান করেছে- তাদের তালিকা দ্রুত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৫. দলের কাউন্সিলের প্রস্তুতি এগিয়ে নিতে হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ জেলাগুলোর সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে। এছাড়াও অঙ্গসহযোগী এবং ভাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সম্মেলনের জন্য তারিখ ঘোষণা করতে হবে।

৬. বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার সঠিক তদন্ত করতে হবে। এর পিছনে অন্য কোনো চক্রান্ত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে এবং এর জন্য যারা দায়ী, তাদের জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।

৭. মুজিববর্ষে প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে হবে। এ ব্যাপারে কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে।

৮. গুজব সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। লক্ষ্য করা যায় যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বাইরে থাকলে গুজব ছড়ানো হয়, জনগণকে নানাভাবে বিভ্রান্ত করা হয়। গুজব যারা ছড়ায় তাদেরকে চিহ্নিত করতে হবে এবং গুজব সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে হবে।

৯. সরকারের মন্ত্রী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। দৈনন্দিন কাজকর্মের পাশাপাশি যে প্রকল্প এবং কার্যক্রমগুলো চলছে, সেগুলো এগিয়ে নিতে হবে।

১০. প্রধানমন্ত্রী এটাও বলেছেন যে কোনোরকম সমস্যা বা সংকট তৈরি হলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে সেটি অবহিত করতে হবে। তিনি কি নির্দেশনা দেন সেটি জানতে হবে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী আটদিনের সফরে নিউইয়র্কে যাচ্ছেন। ২২ সেপ্টেম্বর তার নিউইয়র্কে পৌঁছানোর কথা। ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘে সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। দেশে ফিরেই কয়েকদিনের মধ্যে আবার তিনি ভারত সফরে যাবেন।

সূত্র: বাংলা ইনসাইডার

আর/০৮:১৪/২০ সেপ্টেম্বর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে