Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ , ২ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২০-২০১৯

যুবলীগ নেতা ‘ক্যাসিনো’ খালেদ বহিষ্কার

যুবলীগ নেতা ‘ক্যাসিনো’ খালেদ বহিষ্কার

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর - ফকিরাপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবে অবৈধ ‘ক্যাসিনো’র মালিক যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবলীগ। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) তাকে বহিষ্কার করা হয়।

এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরে ৫৯ নম্বর সড়কের বাসা থেকে ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে তাকে আটক করা হয়।

আটকের পরই খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় তিনটি মামলা করা হয়। মাদক, মানিলন্ডারিং ও অস্ত্র আইনে তার বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করা হয়।

বুধবার আটকের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব। রাত সাড়ে আটটার দিকে তাকে আদালতে হাজির করে গুলশান থানার পুলিশ। আদালতে খালিদ মাহমুদের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে এই তিন মামলায় মোট ১৪ দিন রিমান্ড চাওয়া হয়। পরে আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে অস্ত্র মামলায় চার দিন ও মাদক মামলায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গ্রেপ্তারের পর র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন খালেদ মাহমুদ।

ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে দেশি-বিদেশি সিন্ডিকেটের বিষয়েও তিনি মুখ খুলেছেন। ক্যাসিনো পরিচালনা থেকে আসা আয়ের ভাগ কার কার কাছে যেত তাদের নামও বলেছেন খালেদ।

সূত্র জানায়, খালেদ যাদের নাম বলেছেন, তাদের মধ্যে বিদেশে অবস্থানকারী আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসী এবং রাজিনীতিবিদও রয়েছেন। প্রশাসনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের ম্যানেজ করেই ক্যাসিনো ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন খালেদ।

যুবলীগের একজন প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় থেকে ক্যাসিনো ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করতেন বলেও জানিয়েছেন খালেদ। তার দেয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করছে র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, খালেদ তাদের কাছে দাবি করেছেন, প্রতিটি ক্যাসিনোতে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা লেনদেন হতো। লাভের অংশের টাকা তিনি প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দিতেন।

কাউকে কাউকে তিনি গাড়িও উপহার দিয়েছেন। অনেককে দামি মোবাইল ফোনও উপহার দিয়েছেন। পুলিশের ডিসি থেকে ওসি পর্যন্ত মাসিক ভিত্তিতে টাকার ভাগ পৌঁছে দিতেন বলেও জানান তিনি।

পুলিশের উচ্চপর্যায় পর্যন্ত তার ক্যাসিনো ব্যবসার কথা জানতো। ক্যাসিনোর অর্থ তিনি বিদেশে অবস্থানকারী আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসীদের কাছেও পৌঁছে দিতেন।

মগবাজার এলাকার একসময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী নাজির আরমান নাদিম ও শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের হয়ে তিনি ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ করতেন। তাদের তিনি ঢাকা থেকে অর্থ পাঠাতেন।

র‌্যাবের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে খালেদ জানিয়েছেন, ক্যাসিনো ব্যবসা ও চাঁদাবাজি করে আয় করা কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। আন্ডারওয়ার্ল্ডের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এসব টাকা পাচার করেছেন তিনি।

তবে কত টাকা তিনি পাচার করেছেন, এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে এরই মধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছেন গোয়েন্দারা।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ২০ সেপ্টেম্বর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে