Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ , ২ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২০-২০১৯

তৃণমূলে চাপা ক্ষোভ, বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যাচ্ছে বিএনপি !

মো. ইলিয়াস


তৃণমূলে চাপা ক্ষোভ, বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যাচ্ছে বিএনপি !

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর - দীর্ঘ ১৯ মাস যাবত কারাগারে বন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাবন্দী হন তিনি। বেগম জিয়ার মুক্তির জন্য আইনি পথে হাঁটছে বিএনপি। কিন্তু খুব একটা সুবিধা করতে পারছে না। তবে খালেদা জিয়ার মুক্তির কোনো আশা দেখছেন না তাঁর আইনজীবীরা। তার মুক্তির দাবিতে রাজপথের আন্দোলনও জোরদার করতে পারছে না দলটি। দলীয় প্রধানের মুক্তির জন্য আইনি ও আন্দোলন—দুটো পথ বেছে নেওয়া হলেও কোনোটি থেকে এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি বিএনপি।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বলছেন আইনি প্রক্রিয়ায় কোন ভাবেই তার মুক্তি মিলবে না। আবার দলের সিনিয়র নেতারাও বলেছেন মানববন্ধন ও আনশন কর্মসূচীর মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলবে না। খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে তৃণমূলে রয়েছে চাপা ক্ষোভ। বিভিন্ন কর্মসূচীতে দলের সিনিয়র নেতাদেরকে তৃণমূল কর্মীদের তোপের মুখে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। তৃণমূলের প্রশ্ন হচ্ছে এই আন্দোলনে যদি দলীয় প্রধানের মুক্তি না হয়, তাহলে যেই আন্দোলনে তার মুক্তি হবে সেই আন্দোলন দেয়া হচ্ছে না কেন।

দলীয় প্রধানের মুক্তির দাবিতে রাজপথের আন্দোলন জোরদার করতে পারছে না বিএনপি। মানববন্ধনের মতো কর্মসূচী দিয়ে যাচ্ছে দলটি। চলতি মাসের ১৫ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২ দিনের মানববন্ধন কর্মসূচী দিয়েছে দলটি। কিন্তু এই মানববন্ধনে কর্মসূচীর মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দেলন কতটা কার্যকর হবে। বিএনপির একাধীক নেতা বলছে এসব কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণকে সচেতন এবং সংগঠিত করে তাদরকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করে বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যাবে দলটি। মানববন্ধন আদালতের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা, পাশাপাশি এই আন্দোলনে দেশব্যাপী মানুষের আংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে রাজপথের আন্দোলনে পরিণত করা।

বিএনপির ১২ দিনের কর্মসূচি দিয়েছে এর মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন কতটা তরান্বিত করবে জানতে চাইলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, এই ধরণের আন্দোলন বিএনপির অনেক আগে থেকেই করা উচিৎ ছিলো। খালেদা জিয়াকে আটকিয়ে রাখাটাই হচ্ছে অন্যায় কাজ, তবে তাকে মুক্তির জন্য প্রচেষ্টা কন্টিনিউ (নিয়মিত) করুক। তিনি বলেন, তারা কেবল খালেদা জিয়ার জন্য নয়, দেশে যেই হারে দূর্নীতি হচ্ছে এসবের বিরুদ্ধেও আন্দোলন করার দরকার।

তিনি বলেন, একদিকে খালেদা জিয়ারসহ বিএনপির ২৫ হাজার নেতাকর্মী জেলে রয়েছে তাদের মুক্তির জন্য আন্দোলন করা দরকার। একই সাথে চারিদিকে আনাচার দূর্নীতি চলছে এর বিরুদ্ধেও সোচ্চার হতে হবে। বিএনপির এসব আন্দোলন আরও আগেই করার দরকার ছিলো। আসা কারি সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। খালেদা জিয়ার বেল না দেওটাই অত্যান্ত অন্যায়, অযোক্তিক কাজ। সরকার ধীরে ধীরে বিপদের দিকে যাচ্ছে।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, স্বৈরাচারের যাতাকল যতদিন থাকবে ততদিন আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। এদের শক্তির উৎসতো আর সাধারণ মানুষ নয়, সাধারন মানুষও ভোট দিতে পারে নি আইন অনুযায়ী সেটা নির্বাচন হয় নাই। তিনি বলেন, মানববন্ধন আদালতের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা, পাশাপাশি এই আন্দোলনে দেশব্যাপী মানুষের আংসগ্রহণের মধ্য দিয়ে রাজপথের আন্দোলনে পরিণত করা। এভাবেই এগোতে হবে তাহলেই সফলতা সম্ভব।

বিএনপির স্থায়ী কিমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, মানববন্দন অনশন ইত্যাদি কর্মসূচিই হলো জনগণকে সম্পৃক্ত করা। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণকে সচেতন এবং সংগঠিত করে তাদরকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করে বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যাবে বিএনপি। বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে বিএনপির কতদিন লাগতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দলের মধ্যে অনেক কাজ হচ্ছে, জেলায় জেলায় সম্মেলন হচ্ছে, বিভিন্ন যায়গায় সংগঠন হচ্ছে। এটা শুধু সংগঠনকে শক্তিশালি করার জন্য নয়, আন্দোলন সংগ্রাম করে নেত্রীকে মুক্ত করাই হচ্ছে আমাদের উদ্দেশ্য।

সূত্র : বিডি২৪লাইভ
এন এইচ, ২০ সেপ্টেম্বর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে