Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ , ২৮ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-১৮-২০১৯

তিস্তার পানি কমলেও বাড়ছে দুর্ভোগ, পানিবন্দি ২০ হাজার পরিবার

তিস্তার পানি কমলেও বাড়ছে দুর্ভোগ, পানিবন্দি ২০ হাজার পরিবার

লালমনিরহাট, ১৮ সেপ্টেম্বর- তিস্তা নদীর পানিপ্রবাহ কমলেও তিস্তা পাড়ের পানিবন্দি প্রায় ২০ হাজার পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। পানিবন্দি পরিবারগুলো ঘরবাড়ি ছেড়ে তিস্তার গাইড বাঁধে রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছে। ঘর-বাড়িতে পানি ওঠায় পরিবারগুলো রান্না করতে না পেরে শুকনো খাবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। তিস্তা চর এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

বুধবার সকাল থেকেই তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে সন্ধ্যার পর থেকে পানি কমতে শুরু করেছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, উজানে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে গত মঙ্গলবার বিকেলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ডালিয়া পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও মঙ্গলবার রাত থেকে পানি বৃদ্ধি পায়। রাত ৯টায় তা বিপৎসীমা অতিক্রম করে ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বুধবার সকাল ৬টা থেকে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে পানি কমতে শুরু করেছে।


লালমনিরহাটের ৫টি উপজেলার তিস্তা অববাহিকার চরাঞ্চল ও নিম্নঞ্চল প্লাবিত হয়ে নতুন করে প্রায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে ঘর থেকে বের হতে পারছে না মানুষ। ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে চরাঞ্চলের এই মানুষদের।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় তিস্তার ডান তীরের দক্ষিণ ধুবনী এলাকার একটি বাঁধ ভেঙে ৫ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। তিস্তার চরের রাস্তাঘাট ভেঙে যাওয়া চরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। পানিবন্দি পরিবারগুলো এখনও কোনো সরকারি সাহায্য পায়নি।

ডালিয়া ডিভিশনের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বলেন, উজানের ঢলে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি স্লুইস গেট খুলে দেয়া হয়েছে। রাতে পানি কমতে পারে।

হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস আহম্মেদ বলেন, সার্বক্ষণিক তিস্তাপাড়ের মানুষের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। বন্যার্ত পরিবারের পরিবারে মাঝে ত্রাণসামগ্রী এলেই তা বিতরণ করা হবে।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন জানান, এখন পর্যন্ত বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর জানান, বন্যা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত। বন্যার্ত পরিবারগুলোর জন্য এ পর্যন্ত ২৫ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/১৮ সেপ্টেম্বর

লালমনিরহাট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে