Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯ , ৮ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-১৭-২০১৯

আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ প্রতিমন্ত্রীর

লুৎফর রহমান কাকন


আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ প্রতিমন্ত্রীর

ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর- দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর নতুন করে আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাস সংযোগ দেওয়া হতে পারে বলে একটি আলোচনা বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে গঠিত কমিটি নতুন করে আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাস সংযোগ দিতে সুপারিশ করার পর এ আলোচনার পালে আরও হাওয়া লাগে। তবে আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী, এমন এক প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী আমাদের সময়কে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন করে আবাসিক গ্রাহকদের সংযোগ দেওয়া হবে না।

বিদেশ থেকে লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরুর পর থেকে সরকার সব ধরনের গ্যাস সংযোগ

উন্মুক্ত করে দিলেও আবাসিকে বন্ধ রেখেছে। তবে শহরগুলোতে যেখানে পাইপলাইনে নতুন আবাসিক সংযোগ দেওয়ার সুযোগ আছে, সেখানে গ্যাসের সংযোগ দিতে সম্প্রতি সুপারিশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে গঠিত কমিটি। এ ক্ষেত্রে আমদানি করা এলএনজি পাইপলাইনের মাধ্যমে আবাসিকে সরবরাহ করার কথা বলেছে তারা। কমিটি মনে করছে, এ ক্ষেত্রে এলএনজির দাম তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চেয়ে কম পড়বে।

গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর সভাপতিত্বে ‘আবাসিক জ্বালানি হিসেবে এলপিজি ও এলএনজির তুলনামূলক মূল্য পর্যালোচনা’ বিষয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আলোচনা হয়, ভারতের শহরাঞ্চলে এলপিজি ব্যবহার বাদ দিয়ে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করে এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে। এলপিজির চেয়ে এলএনজির দামও কম। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে জনগণের চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যমান পাইপলাইনে আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া যেতে পারে বলে বৈঠকে সুপারিশ আসে।

গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাসের এক হিসেবে দেখা গেছে, গত ১০ বছরে আবাসিক খাতে প্রায় সাত লাখ অবৈধ সংযোগ হয়েছে। অনেক পুরনো গ্রাহক তাদের বাড়িঘরের আকার বৃদ্ধি করেছেন। নতুন সংযোগের অনুমোদন না পেয়ে তারা বৃদ্ধি করেছেন চুলার সংখ্যা। অনেকে আবার নিয়েছেন অবৈধ সংযোগ। ফলে গ্রাহকদের প্রত্যাশা ছিল সরকার আবাসিক পর্যায়ে গ্যাস সংযোগ নতুন করে উন্মুক্ত করে দিলে অবৈধ গ্রাহকরা বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবেন। যার মাধ্যমে সরকার বিশাল পরিমাণ রাজস্ব পেত।

রাজধানীর গোপীবাগের মো. মামুন নামে এক গ্রাহক বলেন, আমাদের বাড়ি আগে তিনতলা ছিল। পরে আমরা পাঁচতলা করেছি। এখন পরবর্তী দুই তলায় গ্যাসের লাইন নিতে অফিসগুলোতে যোগাযোগ করলেও চুলা বৃদ্ধি বন্ধ থাকার কারণে তা বৈধভাবে করতে পারিনি। ফলে আমরা স্থানীয় মিস্ত্রি দিয়ে ওপরের দুই তলায় গ্যাসের লাইন নিয়েছি। তিতাসের স্থানীয় কর্মকর্তারা আশ্বাস দিয়েছেন, সুযোগ পেলে আমাদের বৈধ করে দেবেন।

এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার পরিচালক (প্রশাসন) এবং তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মোস্তফা কামাল বলেন, নতুন গ্যাস সংযোগের বিষয়ে আমাদের কাছে নতুন কোনো দিকনির্দেশনা নেই। ফলে আবাসিক পর্যায়ে সংযোগ আগের মতোই বন্ধ থাকছে।

আর/০৮:১৪/১৭ সেপ্টেম্বর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে