Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯ , ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-১৩-২০১৯

আফিফ-মোসাদ্দেকের ব্যাটে বাংলাদেশের রোমাঞ্চকর জয়

অনীক মিশকাত


আফিফ-মোসাদ্দেকের ব্যাটে বাংলাদেশের রোমাঞ্চকর জয়

ঢাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর- আট নম্বরে নেমে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিলেন আফিফ হোসেন। বোলিংয়ে ভালো করার পর ব্যাটিংয়েও অবদান রাখলেন মোসাদ্দেক হোসেন। দুই তরুণের দৃঢ়তায় রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের রোমাঞ্চকর জয়
চ্যালেঞ্জিং রান তাড়ায় দশম ওভারে ৬০ রানে প্রথম ছয় ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে অসাধারণ এক ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েছেন আফিফ হোসেন। তার সঙ্গে ৮২ রানের জুটি উপহার দেওয়া মোসাদ্দেক হোসেন খেলেছেন অপরাজিত ৩০ রানের কার্যকর এক ইনিংস।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
জিম্বাবুয়ে: ১৮ ওভারে ১৪৪/৫ (টেইলর ৬, মাসাকাদজা ৩৪, আরভিন ১১, উইলিয়ামস ২, মারুমা ১, বার্ল ৫৭*, মুটুমবদজি ২৭*; সাকিব ৪-০-৪৯-০, তাইজুল ৩-০-২৬-১, সাইফ ৪-০-২৬-১, মুস্তাফিজ ৪-০-৩১-১, মোসাদ্দেক ৩-০-১০-১)

বাংলাদেশ: ১৭.৪ ওভারে ১৪৮/৭ (লিটন ১৯, সৌম্য ৪, সাকিব ১, মুশফিক ০, মাহমুদউল্লাহ ১৪, সাব্বির ১৫, মোসাদ্দেক ৩০*, আফিফ ৫২, সাইফ ৬*; উইলিয়ামস ৩-০-৩১-০, জার্ভিস ৪-০-৩১-২, চাতারা ৪-০-৩২-২, বার্ল ৩-০-২৭-১, মাদজিভা ৩.৪-২-২৫-২)

ফল: বাংলাদেশ ৩ উইকেটে জয়ী

জয়ের কাছে নিয়ে ফিরলেন আফিফ

দারুণ এক ইনিংস খেলে দলকে জয়ের কাছে নিয়ে ফিরলেন আফিফ হোসেন।

নেভিল মাদজিভার ফুলটস বলে কাভারে হ্যামিল্টন মাসাকাদজার হাতে ধরা পড়েন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। ভাঙে ৮২ রানের জুটি।

২৬ বলে ৫২ রান করেন আফিফ। তার বিদায়ের সময় জয়ের জন্য ৪ বলে ৩ রান প্রয়োজন বাংলাদেশের।

ঝড় তুলে আফিফের ফিফটি
বছর দেড়েক আগে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেকে দুই বলে শূন্য রানে ফিরেছিলেন আফিফ হোসেন। লম্বা বিরতির পর খেলতে নেমে সেই তরুণ নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে তুলে নিলেন দারুণ এক ফিফটি।

জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়ে ২৪ বলে আফিফ পূরণ করের প্রথম ফিফটি। তার ব্যাটিং বীরত্বে খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ।

১৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১৪০/৬। জয়ের জন্য শেষ ওভারে প্রয়োজন ৫ রান। আফিফ ৫০ ও মোসাদ্দেক হোসেন ৩০ রানে ব্যাট করছেন।

মোসাদ্দেক-আফিফের পঞ্চাশ রানের জুটি
মোসাদ্দেক হোসেন ও আফিফ হোসেনের ব্যাটে ম্যাচে প্রথম পঞ্চাশ রানের জুটি পেয়েছে বাংলাদেশ।

জুটির শুরুতে যে ঝড় তুলেছিলেন দুই ব্যাটসম্যান তা একটু কমেছে। শুরুর বাউন্ডারিগুলোর জন্যই ৩১ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করেছে জুটির রান।

১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১১৭/৬। শেষ ৩ ওভারে ২৮ রান চাই তাদের। আফিফ ৩৩ ও মোসাদ্দেক ২৪ রানে ব্যাট করছেন।  

মোসাদ্দেক-আফিফের ব্যাটে বাংলাদেশের একশ
দুই তরুণের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। মোসাদ্দেক হোসেন ও আফিফ হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে টিকে আছে স্বাগতিকদের আশা।

১৩ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১০৪/৬। জয়ের জন্য শেষ ৫ ওভারে ৪১ রান চাই স্বাগতিকদের। ১৩ বলে ২৭ রানে ব্যাট করছেন আফিফ, ১১ বলে ১৯ রানে মোসাদ্দেক।

বার্লের দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরলেন সাব্বির
ব্যাটিং-বোলিংয়ে বাংলাদেশকে ভোগানোর পর এবার ফিল্ডিংয়ে স্বাগতিকদের ধাক্কা দিলেন রায়ান বার্ল। সীমানায় নিলেন সাব্বির রহমানের অসাধারণ এক ক্যাচ।

বার্লের বলে একবার জীবন পাওয়া সাব্বির কাজে লাগাতে পারেননি সুযোগ। নেভিল মাদজিভাকে ছক্কায় ওড়ানোর চেষ্টায় ধরা পড়েন ডিপ স্কয়ার লেগে। বেশ কিছুটা সরে গিয়ে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ মুঠোয় নেন বার্ল।

১৫ বলে এক চারে ১৫ রান করেন সাব্বির। ১০ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৬৫/৬। ক্রিজে মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গী আফিফ হোসেন।

এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ
জুটি গড়ার চেষ্টা ভেঙে গেল। রায়ান বার্লের লেগ স্পিনে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে গেলেন মাহমুদউল্লাহ।

লেগ স্টাম্পে পড়ে বেরিয়ে যাওয়া বল ব্যাটে খেলতে পারেননি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। আম্পায়ার আউট দেওয়ার পর রিভিউ নেন। আম্পায়ার্স কলে এলবিডব্লিউ হওয়ায় টিকে যায় বাংলাদেশের রিভিউ।

১৬ বলে দুই চারে ১৪ রান করে ফিরেন মাহমুদউল্লাহ। ৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৫৮/৫। ক্রিজে সাব্বির রহমানের সঙ্গী মোসাদ্দেক হোসেন।

জীবন পেলেন সাব্বির
ব্যাট হাতে বাংলাদেশকে ভোগানো রায়ান বার্ল বোলিংয়ে উইকেট পেতে পারতেন নিজের প্রথম ওভারে। স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে গেছেন সাব্বির রহমান।

শর্ট বলে আগেই শট খেলে ফেলেছিলেন সাব্বির। স্কয়ার লেগের ফিল্ডার বেশ কিছুটা এগিয়ে ঝাঁপিয়ে বলে হাত ছোঁয়ালেও তালুতে জমাতে পারেননি। বেঁচে যান সাব্বির। সে সময় ১১ রানে ছিলেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান।

৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৫০/৪। সাব্বির ১৩ ও মাহমুদউল্লাহ ৯ রানে ব্যাট করছেন।

টিকলেন না সাকিবও
দলের বিপদে হাল ধরতে পারলেন না অধিনায়ক। বাজে শট খেলে দ্রুত ফিরে গেলেন সাকিব আল হাসান।

টেন্ডাই চাতারার অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বেরিয়ে যাওয়া বল জায়গায় দাঁড়িয়ে ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন সাকিব। টাইমিং করতে পারেননি বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। স্লিপে ক্যাচ মুঠোয় জমান হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।

পাওয়ার প্লেতে ৫ ওভারে প্রথম চার ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই সময়ে তুলতে পেরেছে কেবল ৩৪ রান। ক্রিজে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গী সাব্বির রহমান।   

গোল্ডেন ডাক মুশফিক
পরপর দুই বলে আউট লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। চাপে পড়া বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের। সেখানে গোল্ডেন ডাকের স্বাদ পেলেন মুশফিকুর রহিম। বিপদে পড়ে গেল স্বাগতিকরা।

শরীর তাক করে করা কাইল জার্ভিসের বাউন্সারে চোখ সরিয়ে নিয়েছিলেন মুশফিক। দিতে হয় তার মাশুল। ব্যাটের শোল্ডারে লেগে সহজ ক্যাচ যায় কিপার ব্রেন্ডন টেইলের কাছে।

৪ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২৮/৩। ক্রিজে সাকিব আল হাসানের সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ।

উড়িয়ে মারতে গিয়ে আউট সৌম্য
টাইমিং পেতে সংগ্রাম করছিলেন সৌম্য সরকার। বাঁহাতি এই ওপেনারের ইনিংস শেষ হলো উড়িয়ে মারতে গিয়ে সহজ ক্যাচ দিয়ে।

কাইল জার্ভিসের স্লোয়ার বল বুঝতে পারেননি সৌম্য। উড়িয়ে মারার চেষ্টায় মিড অফে মাডজিভার হাতে ধরা পড়েন তিনি। ৭ বলে ৪ রান করেন সৌম্য।

বোল্ড হয়ে ফিরলেন লিটন
ঝড়ের আভাস ছিল লিটন দাসের ব্যাটে। সম্ভাবনাকে পূর্ণতা দিতে পারলেন না তরুণ এই ওপেনার। তৃতীয় ওভারে ফিরে গেলেন বোল্ড হয়ে।

টেন্ডাই চাটারার নিখুঁত ইয়র্কার ঠেকাতে পারেননি লিটন। এলোমেলো হয়ে যায় স্টাম্পস। একটি করে ছক্কা ও চারে ১৪ বলে ১৯ রান করেন এই ওপেনার।

৩ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২৬/১। সৌম্য সরকার ব্যাট করছেন ৪ রানে।    

বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য
শেষ ৪ ওভারে ৬৩ রান সংগ্রহ গড়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে লড়াইয়ের পুঁজি গড়েছে জিম্বাবুয়ে।

অবিচ্ছিন্ন ষষ্ঠ উইকেটে রায়ান বার্ল ও টিনোটেন্ডা মুটুমবদজির ৮.৩ ওভারে ৮১ রানের ওপর ভর করে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিয়েছে সফরকারীরা। ১৮ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৪ রান করেছে হ্যামিল্টন মাসাকাদজার দল।

ঝড় বয়ে গেছে সাকিব আল হাসানের ওপর দিয়ে। ৪ ওভারে ৪৯ রান দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এক ওভার থেকেই এসেছে ৩০ রান। আঁটসাঁট বোলিং করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন এই অফ স্পিনার।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
জিম্বাবুয়ে: ১৮ ওভারে ১৪৪/৫ (টেইলর ৬, মাসাকাদজা ৩৪, আরভিন ১১, উইলিয়ামস ২, মারুমা ১, বার্ল ৫৭*, মুটুমবদজি ২৭*; সাকিব ৪-০-৪৯-০, তাইজুল ৩-০-২৬-১, সাইফ ৪-০-২৬-১, মুস্তাফিজ ৪-০-৩১-১, মোসাদ্দেক ৩-০-১০-১)

শের-ই-বাংলায় বিদুৎ বিভ্রাট
জিম্বাবুয়ে ইনিংসের সপ্তদশ ওভার শেষ হওয়ার পরপরই হঠাৎ করে এক সঙ্গে নিভে যায় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সব ফ্লাডলাইট। ঘড়ির কাটায় তখন রাত সোয়া নয়টা।

জিম্বাবুয়ের বিপদ বাড়িয়ে রান আউট মারুমা
আগের বলে ক্যাচ হতে হতে বেঁচে গিয়েছিলেন রায়ান বার্ল। পরের বলেই উইকেট পেলো বাংলাদেশ। রান আউট হয়ে গেলেন প্রস্তুতি ম্যাচে বিস্ফোরক ইনিংস খেলা টিমিসেন মারুমা।

বুর্লের ব্যাটের কানায় লেগে বল লেগ সাইডে গেলে রান নিতে ছুটেন মারুমা। শুরুতে কিছুটা এগিয়ে যাওয়া বুর্ল রান হবে না বুঝতে পেরে ফিরে আসেন। অনেকটা এগিয়ে যাওয়া মারুমা ফিরতে পারেননি। সাকিব আল হাসানের থ্রো পেয়ে বাকিটা সহজেই সারেন মুস্তাফিজ।

২ বলে ১ রান করেন মারুমা। ১০ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ৬৪/৫। ক্রিজে রায়ান বুর্লের সঙ্গী টিনোটেন্ডা মুটুমবদজি।

উইকেট শিকারে যোগ দিলেন মোসাদ্দেক
আগের ওভারে উইকেট পেয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। তবুও বোলিংয়ে পরিবর্তন আনলেন সাকিব আল হাসান। কাজে লেগে সেটা। আক্রমণে এসে প্রথম বলেই উইকেট পেলেন মোসাদ্দেক হোসেন। ফিরিয়ে দিলেন শন উইলিয়ামসকে।

মারবেন নাকি ঠেকাবেন এনিয়ে যেন দ্বিধায় পড়েছিলেন উইলিয়ামস। দ্বিধা নিয়ে খেলতে গিয়ে কোনোটাই করতে পারলেন না। বল তোলে দিলেন অফ স্পিনার মোসাদ্দেকের হাতে।

৩ বলে ২ রান করে ফিরেন উইলিয়ামস। ৯ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ৫৯/৪। ক্রিজে টিমিসেন মারুমার সঙ্গী রায়ান বুর্ল।

সাব্বিরের চমৎকার ক্যাচে মাসাকাদজার বিদায়
ডানা মেলতে শুরু করেছিলেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনের বলে চমৎকার এক ডাইভিং ক্যাচে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ককে থামালেন সাব্বির রহমান।

সাইফের বলে জায়গা করে নিয়ে মিড অফের ওপর দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন মাসাকাদজা। শরীরের খুব কাছের বলে টাইমিং করতে পারেননি এই ওপেনার। কিছুটা এগিয়ে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ মুঠোয় জমান সাব্বির।

২৬ বলে পাঁচ চার ও এক ছক্কায় ৩৪ রান করেন মাসাকাদজা। ৮ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ৫৬/৩। ক্রিজে শন উইলিয়ামসের সঙ্গী টিমিসেন মারুমা।

এসেই মুস্তাফিজের আঘাত
বোলিংয়ে এসেই আঘাত হেনেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। ক্রেইগ আরভিনকে ফিরিয়ে দিয়েছেন বাঁহাতি এই পেসার।

মুস্তাফিজের বল পুল করে ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন আরভিন। টাইমিং করতে পারেননি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ মুঠোয় জমান মোসাদ্দেক হোসেন। ভাঙে ৪৪ রানের জুটি।

৭ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ৫২/২। ক্রিজে হ্যামিল্টন মাসাকাদজার সঙ্গী শন উইলিয়ামস।

তাইজুলের খরুচে ওভার
নিজের প্রথম দুই ওভারে আঁটসাঁট বোলিং করা তাইজুল ইসলাম লাইন-লেংথ পেতে ভুগলেন তৃতীয় ওভারে। বাঁহাতি এই স্পিনারের এলোমেলো বোলিংয়ের সুবিধা কাজে লাগিয়ে ১৮ রান তুলে নিয়েছেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও ক্রেইগ আরভিন।

প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকানোর পর দ্বিতীয় বলে দুই রান নেন আরভিন। পরের বলে তার সিঙ্গেলে স্ট্রাইক পান মাসাকাদজা। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক তুলে নেন ম্যাচের প্রথম ছক্কা। পরের বলে হাঁকান বাউন্ডারি। ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে ধরে রাখেন স্ট্রাইক।

৬ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ৪৮/১। মাসাকাদজা ৩০ ও অঅরভিন ৯ রানে ব্যাট করছেন।

প্রথম বলেই তাইজুলের উইকেট
অভিষেকে নিজের প্রথম বলেই উইকেট পেলেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার ফিরিয়ে দিলেন প্রস্তুতি ম্যাচে অপরাজিত ফিফটি করা ব্রেন্ডন টেইলরকে।

স্টাম্পের বল স্লগ সুইপে ওড়াতে চেয়েছিলেন টেইলর। লেংথ পড়তে ভুল করে টাইমিং করতে পারেননি। বাড়তি বাউন্সের জন্য ব্যাটের কানায় লেগে শর্ট থার্ডম্যানে সহজ ক্যাচ যায় মাহমুদউল্লাহর হাতে।

৫ বলে এক চারে ৬ রান করেন টেইলর। ২ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ৯/১। ক্রিজে হ্যামিল্টন মাসাকাদজার সঙ্গী ক্রেইগ আরভিন।

অভিজ্ঞদের নিয়ে গড়া জিম্বাবুয়ে একাদশ
নিজেদের প্রথম ম্যাচে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সুযোগ দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। অভিজ্ঞদের মধ্যে বাদ পড়েছেন কেবল পেসার ক্রিস এমপোফু।

জিম্বাবুয়ে একাদশ: হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, শন উইলিয়ামস, নেভিল মাদজিভা, টিনোটেন্ডা মুটুমবদজি, টনি মুনিয়োঙ্গা, কাইল জারভিস, টেন্ডাই চাতারা, ক্রেইগ আরভিন, ব্রেন্ডন টেইলর, টিমিসেন মারুমা, রায়ান বার্ল।

তাইজুলের অভিষেক
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক হচ্ছে তাইজুল ইসলামের। এর আগে স্কোয়াডে থাকলেও খেলার সুযোগ পেলেন এবারই প্রথম। বাঁহাতি এই স্পিনারকে টুপি পরিয়ে দেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।  

১৩ জনের দল থেকে বাদ পড়েছেন অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান ও পেসার ইয়াসিন আরাফাত।
বাংলাদেশ একাদশ: সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার, লিটস দাস, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, সাব্বির রহমান, তাইজুল ইসলাম, সাইফ উদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান।

টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ
বৃষ্টির জন্য ১৮ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে টস জিতে বোলিং নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশ অধিনায়ক জানান, বৃষ্টির কথা ভেবেই ফিল্ডিং নিয়েছেন।   

পৌনে আটটায় টস
নির্ধারিত সময়ের পৌনে দুই ঘণ্টা পর রাত পৌনে আটটায় হবে টস। খেলা শুরু হবে রাত আটটায়। বৃষ্টির জন্য ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে এসেছে ১৮ ওভারে।  

থেমেছে বৃষ্টি, সরানো হচ্ছে কাভার
বৃষ্টি থেমেছে মিরপুরে। সাড়ে সাতটার দিকে শুরু হয়েছে সেন্টার উইকেটের কাভার সরানোর কাজ। মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে। ওয়ার্ম আপ করছেন বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররা।   

আবার বৃষ্টির হানা
আম্পায়াররা দ্বিতীয় দফা মাঠ পরিদর্শনের পর মিরপুরে ফিরে এলো বৃষ্টি। কাভার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে সেন্টার উইকেট। বৃষ্টির বেগ বেশি নয়। গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মধ্যে ফিল্ডিং অনুশীলন করছে দুই দলের খেলোয়াড়রা।  

সন্ধ্যা ৭টায় আবার পরিদর্শন
দুটি সুপার সপার দিয়ে চলছে মাঠ শুষ্ক করার কাজ। এরই মধ্যে সন্ধ্যা সোয়া ছয়টায় মাঠ পরিদর্শন করেছেন আম্পায়াররা। মাঠ পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়ায় সাতটায় আবার পরিদর্শন করবেন তারা।

মাঠ ভেজা থাকায় টসে দেরি
থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় টসে দেরির শঙ্কা জেগেছিল আগেই। সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে জানা গেল, নির্ধারিত সময় ছয়টায় টস করা সম্ভব নয়। সোয়া ছয়টায় মাঠ পরিদর্শন করবেন আম্পায়াররা।

বিকাল চারটার দিকে থামে বৃষ্টি। তবে কোথাও জমেনি পানি। পাঁচটার দিকে সরানো হয় সেন্টার উইকেটের কাভার। তারপর থেকে চলছে মাঠ প্রস্তুত করার কাজ।

বিশ্বকাপে চোখ বাংলাদেশের
বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি রেকর্ড খুব সুবিধের নয়! এদিকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট হারের রেশ রয়েছে এখনও। বাস্তবতা মেনে নিয়ে আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানালেন, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে টি-টোয়েন্টি দল গুছিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য। যেটির শুরু এই ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট দিয়ে।

বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের লড়াই দিয়ে শুক্রবার শুরু ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে খেলা শুরু সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। টুর্নামেন্টের আরেক দল আফগানিস্তান।

বাংলাদেশে এর আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসলেও ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ হচ্ছে এই প্রথম। বলার অপেক্ষা রাখে না, দৃষ্টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।

আশায় জিম্বাবুয়ে
আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে টালমাটাল অবস্থা। নানা বিতর্কে জেরবার দল। টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান ফুটিয়ে তুলছে পারফরম্যান্সের চিত্র। পাশাপাশি অনিশ্চয়তায় ক্রিকেটাররা। সলোমন মিরে অবসর নিয়েছেন। মাসাকাদজাও বিদায় বলবেন এই সিরিজ শেষে। শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে জায়গা পাননি অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা।

তবে বাংলাদেশে টি-টোয়েন্টি রেকর্ড তাদের খারাপ নয়। ১০ ম্যাচে জয়-হার সমান ৫টি করে। বাংলাদেশে সবশেষ (২০১৬ সালে) দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতেছে তারাই।

সবকিছু মিলিয়ে তাই খেলা বাংলাদেশে আর সংস্করণ টি-টোয়েন্টি হওয়ায় আত্মবিশ্বাসী অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।  

সূত্র: বিডিনিউজ২৪

আর/০৮:১৪/১৩ সেপ্টেম্বর

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে