Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ , ২৮ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-০১-২০১৯

৪টি বাড়ি ও একাধিক স্ত্রী ছিল রোহিঙ্গা নূর মোহাম্মদের!

৪টি বাড়ি ও একাধিক স্ত্রী ছিল রোহিঙ্গা নূর মোহাম্মদের!

কক্সবাজার, ২ সেপ্টেম্বর- টেকনাফে আলোচিত রোহিঙ্গা ‘ডাকাত’ ও যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ (৩৪) ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে।

রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোরে টেকনাফের জাদিমোড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সম্প্রতি কক্সবাজারের টেকনাফে নিজের কিশোরী মেয়ের রাজকীয় কান ফোঁড়ানো অনুষ্ঠান করিয়ে দেশবাসীর নজরে পড়েন এই রোহিঙ্গা নেতা।

বার্তা সংস্থা ইউএনবির খবর অনুযায়ী, রাজকীয় কান ফোঁড়ানো অনুষ্ঠান হয় নূর মোহাম্মদের মেয়ের। ১ কেজি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৪৫ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন উপহার দেয়া হয় ওই রোহিঙ্গাকন্যাকে।

অতিথিদের দেয়া এমন উপহারে ধীরে ধীরে আয়োজকের বাড়ি স্বর্ণালংকারের স্তূপে পরিণত হয়। একইভাবে টাকায় বস্তা ভর্তি হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন বাংলাদেশে বসবাস করে এই রোহিঙ্গা নূর মোহাম্মদ আর তার এতো প্রতিপত্তির পেছনে রহস্য কি! তা জানতে কৌতূহলী হয়ে ওঠেন অনেকে।

সূত্র জানায়, নুর মোহাম্মদের মালিকানায় একটি দোতলা, একটি পাকা ভবন, একটি টিনের ঘর এবং একটি বাগানবাড়িসহ চারটি বাড়ি রয়েছে। নুর মোহাম্মদের রয়েছে একাধিক স্ত্রী।

এছাড়া অবাক করা সব তথ্য দেন টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী।

তিনি বলেন, ১৯৯২ সালে মিয়ানমারের আকিয়াব এলাকা থেকে বাংলাদেশে ঢুকে রোহিঙ্গা নুর মোহাম্মদ। এর পর হ্নীলা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জাদিমুরা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন তিনি।

কিছুদিন পর সেখানে জমি কিনে একটি বাড়ি করেন। আর সেখানে বসেই একটি শক্তিশালী সন্ত্রাস বাহিনী গড়ে তোলেন। এসব সন্ত্রাসী দিয়ে টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন।

প্রতিটি ক্যাম্পে বিয়েও করেন নুর মোহাম্মদ এবং ক্যাম্পে বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড তার হাতেই সংঘটিত হতো বলে জানান চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ।

এদিকে রবিবার বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার পর নূর মোহাম্মদের বিষয়ে বেরিয়ে আসে আরও বিস্ফোরক কিছু তথ্য।

জাদিমোড়া এলাকায় পড়ে থাকা তার মরদেহের সঙ্গে পাওয়া যায় বাংলাদেশি স্মার্টকার্ড! যেখানে তাকে চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকার বাসিন্দা হিসেবে লেখা হয়েছে। সে এলাকায় নুর আলম নামে তিনি ভোটারও হয়েছেন।

২০১৭ সালের ২৩ জানুয়ারি চট্টগ্রামের সিটি কর্পোরেশনের ঠিকানায় ইস্যু করা নুর মোহাম্মদের বাংলাদেশি স্মার্টকার্ডটিতে তার নাম – নুর আলম। বাবা কালা মিয়া এবং মা সরু বেগম।

জন্ম তারিখ ২৫ নভেম্বর ১৯৮৩। জন্মস্থান চট্টগ্রাম। এনআইডি নম্বর-৬০০৪৫৮৯৯৬৩। এভাবেই বাংলাদেশের নাগরিকত্ব নিয়ে অপকর্ম করে যাচ্ছিলেন এই রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ

আর/০৮:১৪/০২ সেপ্টেম্বর

কক্সবাজার

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে