Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৬ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-০১-২০১৯

আমার মেয়ে নির্দোষ : মিন্নির বাবা

আমার মেয়ে নির্দোষ : মিন্নির বাবা

বরগুনা, ০২ সেপ্টেম্বর- বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর। রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর কাছে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। তবে রিফাত হত্যা মামলার মূল নথি জজকোর্টে থাকায় আদালত চার্জশিট শুনানির অপেক্ষায় রাখেন।

এদিকে গণমাধ্যমে রিফাত হত্যা মামলার চার্জশিটে মিন্নির নাম থাকার বিষয়টি প্রকাশিত হলে তা দৃষ্টিগোচর হয় মিন্নির বাবার। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমার মেয়ে নিদোর্ষ। আমার মেয়ে তার স্বামী রিফাতকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচাতে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা করেছে। যা ভিডিওর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সারাদেশের মানুষ দেখেছে। তারপরও আমার মেয়েকে পুলিশ আসামি করেছে। এ থেকে বোঝা যায়, এ হত্যা মামলায় আমার মেয়েকে ফাঁসাতে কেউ পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে।

মিন্নির বাবা আরও বলেন, মিন্নিকে চার্জশিটে ৭ নম্বর আসামি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো স্ত্রীর সামনে যদি তার স্বামী হামলার শিকার হন, তাহলে আসামি হওয়ার ভয়ে আর কোনো স্ত্রী তার স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে যাবে না।

নিহত রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আমার বেয়াই তার নিজের বুদ্ধিতে চলেন না। যদি চলতো তাহলে পুলিশ আজ আমার মেয়েকে সাক্ষী থেকে আসামি করতে পারতো না। আমার মেয়ে আসামি হওয়ায় তিনি তার ছেলে হত্যার সুষ্ঠু বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন। হত্যাকারীরা সাক্ষীর অভাবে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেড়িয়ে যাবে। কারণ আমার মেয়ে ছিল এই হত্যা মামলার প্রধান ও একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী। তবে রিফাত হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হলেও আদালতের বিচারে মিন্নি নির্দোষ প্রমাণিত হবে বলে প্রত্যাশা তার।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। যার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে দেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।

এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয় রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে। কিন্তু মিন্নির শ্বশুর মামলার ১৮ দিন পর গত ১৩ জুলাই এই হত্যাকাণ্ডে মিন্নি জড়িত এমন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করার পর মামলাটির তদন্ত নাটকীয় মোড় নেয়। পরে এ মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিন্নিকে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া সবাই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত ২ জুলাই এ মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

সূত্র: জাগোনিউজ২৪

আর/০৮:১৪/০২ সেপ্টেম্বর

বরগুনা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে