Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৯ , ২৭ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-২৮-২০১৯

নেত্রকোনায় আরেক ইয়াসমিন ট্র্যাজেডি!

নেত্রকোনায় আরেক ইয়াসমিন ট্র্যাজেডি!

নেত্রকোনা, ২৮ আগস্ট- বই কিনতে এসে জন্ম নিল আরেক ইয়াসমিন ট্র্যাজেডি। বই নিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না কলেজছাত্রী ইয়াসমিনের। ভাগ্নিকে বাঁচাতে মামার প্রস্তুতকৃত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে উঠার আগেই চিরবিদায় নিলেন তিনি। অপহরণ করে ধর্ষণে কলেজছাত্রীর মৃত্যু ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় বইছে নেত্রকোনায়। ইয়াসমিন নেত্রকোনা আবু আব্বাছ ডিগ্রি কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুনসী। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে নিহত ইয়াসমিনের মা নাছিমা খাতুনকে মেয়ের হত্যাকারীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দেন।

নেত্রকোনা সদর উপজেলার শ্রীপুর বালী গ্রামের মৃত আবুল হাসেমের পুত্র মো. আলমগীর হোসেন (২৪) মোটরসাইকেলযোগে ইয়াসমিনকে অপহরণ করে। কলেজছাত্রীকে ফুসলিয়ে বিয়েসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনের সহযোগিতায় ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার সদরের এক ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়।

সেখানে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণের শিকার হন কলেজছাত্রী। ধর্ষণে বাধা দেয়ায় ধস্তাধস্তি করতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এদিকে ২১ আগস্ট বিকাল থেকেই মেয়ের সন্ধানে পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করতে থাকেন। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে খবর পান আলমগীরের সঙ্গে ইয়াসমিন শ্যামগঞ্জ এলাকায় রয়েছে। খবর পেয়ে মা ছুটে আসেন। তাকে দেখেই শ্যামগঞ্জ রেলগেট এলাকায় কলেজছাত্রীকে ফেলে পালিয়ে যায় আলমগীর।

সেখান থেকে কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে তার মা নাছিমা আক্তার ও তার মামা আবুল কালাম আজাদ নিয়ে যান নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে। বিস্তারিত ঘটনার বলার পর এক পর্যায়ে জ্ঞান হারান ইয়াসমিন। তারপর তাকে দ্রুত নিয়ে যান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে দুদিন লাইফ সার্পোটে রাখা হয়।

রোববার তার মামা আবুল কালাম আজাদ ঢাকায় নিয়ে যেতে প্রস্তুত করেন এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। সেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তার আর উঠা হয়নি। সকাল ৮টা ৩০মিনিটে চলে যান না ফেরার দেশে।

এ ঘটনায় রোববার তার মা নাছিমা আক্তার বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পদ করে। সোমবার আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, ২৪ বছর আগে ১৯৯৫ সালে ২৪ আগস্ট দিনাজপুরে পুলিশ সদস্যের হাতে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছিল ইয়াসমিন। তখন থেকেই এ দিনটি সারা দেশে ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ
এনইউ / ২৮ আগস্ট

নেত্রকোনা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে