Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৬ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-২৮-২০১৯

কোথয়া সাধনা, গোপন খবর দিলেন বাবা!

কোথয়া সাধনা, গোপন খবর দিলেন বাবা!

জামালপুর, ২৮ আগস্ট- সদ্য ওএসডি হওয়া জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীর ও নারী অফিস সহকর্মী সানজিদা ইয়াসমিন সাধনার আপত্তিকর ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তা কিছু সময়ের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। ওই ঘটনার পর থেকে ডিসি ও নারীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তবে হঠাৎ করে সোমবার (২৬ আগস্ট) সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে জেলা প্রশাসকের অফিসে বোরখা এবং হিজাব পরিবর্তন করে হঠাৎ করে হাজির হন তিনি। এ সময় তার হাতে একটি ছুটির দরখাস্ত দেখা যায়। সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে অফিসে হাজির হলেও সাংবাদিকদের চোখ ফাঁকি দিতে পারেননি সাধনা।

ভিডিও বিষয়ে জানতে চাইলে সানজিদা ইয়াসমিন সাধনার সাংবাদিকদের বলেন, এসব কিভাবে হল আমি কিছুই জানি না। ‘আমি বাঁচতে চাই না, আমার সন্তানের জন্য আমাকে বাঁচান। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার চান কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সাধনা বলেন, আমি বিচার চাই তবে স্যারের কোনো দোষ নাই।

পরে অফিসের কর্মরতদের সহায়তায় জ্ঞান ফিরলে সাধনা ছুটির দরখাস্ত দিয়ে দ্রুত অফিস ত্যাগ করেন। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার বাসায় খোঁজ নিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত নাম্বারটিও বন্ধ রয়েছে। যদিও ডিসি আহমেদ কবীরের সাথে ভিডিও প্রকাশের পর থেকে তিনি নিজের বাসায় থাকছেন না। মোবাইল ফোনও বন্ধ রেখেছেন।

এরই মধ্যে নতুন একটি সংবাদ এসেছিল গণমাধ্যমের কাছে। নিজের চাকরি বাঁচাতে আহমেদ কবীর সাধনাকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নাম-পরিচয় উল্লেখ না করে এক সূত্রের বরাতে বলা হয়, স্বামীর চাকরি বাঁচাতে আহমেদ কবীরের বর্তমান স্ত্রী কঠিন হলেও এতে সম্মতি দেয়ার চিন্তা করছেন।

তবে এসব গুঞ্জনের কোনো সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে জানতে আহমেদ কবীর ও সাধনার মোবাইল নম্বরে বারবার কল করা হলেও তাদের দু’জনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে ওইসব তথ্যের সত্যতা জানতে মঙ্গলবার একদল সাংবাদিক ছুটে যান জামালপুর শহরের বগাবাইদ এলাকায় সাধনার ভাড়া বাসায়।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সাধনার বাবা খাজু মিয়া চমকে উঠে বলেন, ‘আপনেগরে কেডা খবর দিল? তিন দিনের ছুটি নিয়া আমার মেয়ে গ্রামের বাড়ি মাদারগঞ্জের সুখনগরীতে গেছে। আপনেরা যা শুনছেন তা সত্যি না।’

এমন সময় সাধনার মা নাছিমা আক্তার ঘর থেকে বেড়িয়ে রাগান্বিত কন্ঠে সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘ওকে শেষ করার আর কি বাকি রাখছেন। আমার মেয়ে এহনো মরেনি। মরার বেশি বাকিও নাই। এই সাধনার বাবা ওদের সাথে কি কও (বলছো)। এদিক আইসা পড়ো।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি জামালপুরের ডিসির একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে ডিসি আহমেদ কবীরের সঙ্গে তার অফিসের এক নারীকর্মীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে খন্দকার সোহেল আহমেদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ভিডিওটি পোস্ট করা হয়।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ

আর/০৮:১৪/২৮ আগস্ট

জামালপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে