Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৪ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-২৭-২০১৯

দৌলতপুরে এক গ্রামে ৩৮ ডেঙ্গু রোগী

দৌলতপুরে এক গ্রামে ৩৮ ডেঙ্গু রোগী

কুষ্টিয়া, ২৭ আগস্ট- এবার কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ছাতারপাড়া গ্রামে সন্ধান মিলেছে ৩৮ ডেঙ্গু রোগীর। এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে আশপাশের গ্রামগুলোতেও।

স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ এতদিন এ ব্যাপারে চুপচাপ থাকলেও খবরটি ছড়িয়ে পড়ায় টনক নড়েছে তাদের। এরই মধ্যে ওই গ্রামে কাজ করার জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। এলাকায় জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয়দের ধারণা, ঈদকে কেন্দ্র করে ঢাকা থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত কেউ নিজ গ্রাম ছাতারপাড়ার দাড়েরপাড়ায় ফিরলে ওই ব্যক্তি থেকে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ে।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে এক সপ্তাহ ধরে ভর্তি আছেন প্রকৌশলী নুর আলম। তার চাচা মাজেদুল ইসলাম বলেন, এলাকায় দিনকে দিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অরবিন্দ পাল দাবি করেন, ছাতারপাড়া গ্রামে ঈদের পর থেকে ডেঙ্গু রোগ ছড়ানো শুরু করে।

তিনি বলেন, ঢাকা থেকে অনেকে ঈদ করতে গ্রামে আসেন। এরপর থেকেই ওই গ্রামে ডেঙ্গু রোগ দেখা দেয়। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদ করতে আসা লোকজন ঢাকায় ফিরে যাওয়ার বেশ ক'দিন পর ওই গ্রামের মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হন।

ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও বলেন, তাদের হিসাবমতে গত ২৬ আগস্ট পর্যন্ত ওই গ্রামে মোট ৩৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে দৌলতপুর ও মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ২৫ জন। অন্যরা চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। তবে স্থানীয়রা ধারণা করছেন, ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ জনের বেশি হতে পারে।

ডা. অরবিন্দ পাল বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ওই গ্রামে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি দল কাজ শুরু করেছে। ওই দলের সদস্য স্বাস্থ্যকর্মী ওয়ালিউর রহমান জানান, ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত ও তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার কাজ করছে ওই দল।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারমিন আক্তার বলেন, সার্বক্ষণিক তদারকি হচ্ছে। নতুন করে আর কেউ যেন আক্রান্ত না হয়, সে বিষয়ে নজরদারি রয়েছে। এলাকার মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। এডিস মশা যাতে বংশবিস্তার করতে না পারে সেজন্য এলাকা পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখতে সংশ্নিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা দৌলতপুরবাসীর মধ্যে। এরই মধ্যে এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদ ও ইউএনও শারমিন আক্তার। 

সূত্র: সমকাল
এনইউ / ২৭ আগস্ট

কুষ্টিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে