Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ২ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-২৫-২০১৯

থাকার জায়গা নেই বলে পাবলিক টয়লেটে থাকছেন এই বৃদ্ধা!

থাকার জায়গা নেই বলে পাবলিক টয়লেটে থাকছেন এই বৃদ্ধা!

নয়াদিল্লী, ২৫ আগস্ট - বসবাসের জন্য ঘর নেই, তাই জনসাধারণের জন্য নির্মিত শৌচাগারে দিন কাটাচ্ছেন ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা।

দিনে শৌচাগারকে পরিষ্কার করেন এবং সেখানে রাতযাপন করেন ওই বৃদ্ধা। গত ১৯ বছর ধরে এভাবেই দিন চলছে তার।

বৃদ্ধার এই মানবেতর জীবনযাপনের দৃশ্য দেখতে হলে যেতে হবে ভারতের দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ুতে।

সেই রাজ্যের মধুরাই শহরের একটি পাবলিক টয়লেটের পরিচ্ছন্নকর্মী কারুপ্পাই। ওই পাবলিক টয়লেট পরিষ্কার করে দিন এনে দিন খেয়ে কোনোমতে জীবন চলছে তার। থাকার কোনো ব্যবস্থা নেই দেখে টয়লেটেই ঘুমিয়ে পড়েন রাতে।

গত ২২ আগস্ট ভারতের বার্তা সংস্থা তাদের টুইটার হ্যান্ডেলে কারুপ্পাইকে নিয়ে একটি টুইট করে। এর পরই ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে কারুপ্পাইয়ের মানবেতর জীবনের কাহিনীটি।

টুইটে ওই বৃদ্ধার কয়েকটি ছবি পোস্ট করে এএনআই লিখেছে, গত ১৯ বছর ধরে তামিলনাড়ুর মধুরায় শহরের রামনাদ এলাকায় একটি সরকারি শৌচাগারে বসবাস করছেন কারুপ্পাই নামের এক বৃদ্ধা। শিশু বয়স থেকেই তিনি ওই শৌচাগারের পরিচ্ছন্নকর্মী। কিন্তু গত ১৯ বছর ধরে কোথাও থাকার জায়গা না পেয়ে সেই শৌচাগারকেই নিজের ঘর বানিয়ে নিয়েছেন।

এ টুইটের পর ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকেই।

তাকে কেন বয়স্কভাতা দেয়া হচ্ছে না বা হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে প্রশ্ন ওঠে নেট দুনিয়ায়।

ইতিমধ্যে অনেকে কারুপ্পাইয়ের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। অনেকে আবার টুইটার, ফেসবুকে তামিলনাড়ু সরকারি কার্যালয়কে ট্যাগ করে কারুপ্পাইয়ের বিষয়টি দেখভালের আবেদন জানান।

Madurai: 65-year-old Karuppayi has been living in a public toilet in Ramnad for past 19 years, & earning her livelihood by cleaning the toilets & charging a meager amount from public for using it. #TamilNadu pic.twitter.com/UA1Zmo0pNS

— ANI (@ANI) August 22, 2019

এ বিষয়ে কারুপ্পাইয়ের সাক্ষাৎকার নিয়েছে এএনআই। শৌচাগারে কেন থাকছেন এমন প্রশ্নে কারুপ্পাই জানান, শৌচাগার পরিষ্কার করে প্রতিদিন ৭০-৮০ রুপি আয় হয় তার। এ আয় দিয়ে ভাড়া বাড়িতে থাকা সম্ভব নয়। তাই শৌচাগারেই বছরের পর বছর ধরে থাকছেন।

পরিবারে আর কেউ আছে কিনা প্রশ্নে তিনি বলেন, একটা মেয়ে আছে, কিন্তু কোনো খোঁজখবর নেয় না।

বয়স্কভাতার প্রসঙ্গে কারুপ্পাই বলেন, ‘বয়স্কভাতার জন্য আবেদন করেছিলাম আমি। কিন্তু পাইনি। অনেক সরকারি কার্যালয়ে ঘুরেছি ভাতার জন্য। কিন্তু কিছুই পাইনি। কেউ কখনও এগিয়েও আসেনি।’

এ খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনেকেই স্থানীয় প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

তারা বলছেন, একজন অসহায় বয়স্ক নারী যদি ভাতা না পান, তা হলে পাবেন কে? এ ঘটনায় দায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

এন এইচ, ২৫ আগস্ট

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে