Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ১ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-২৫-২০১৯

কাশ্মীরে দমন-নিপীড়নের প্রতিবাদে আইএএস কর্মকর্তার পদত্যাগ

কাশ্মীরে দমন-নিপীড়নের প্রতিবাদে আইএএস কর্মকর্তার পদত্যাগ

নয়াদিল্লী, ২৫ আগস্ট - জম্মু-কাশ্মীরে দমন-নিপীড়নের প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসের কান্নান নামের এক কর্মকর্তা। ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পর এই প্রথম কোনো শীর্ষ কর্মকর্তা পদত্যাগ করে প্রতিবাদ জানালেন।

গত ৫ আগস্ট ভারতের পার্লামেন্টে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে নরেন্দ মোদির সরকার। এতে বিশেষ মর্যাদা হারায় ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীর। এরপর বিক্ষোভ ফেটে পড়ে কাশ্মীরের জনগণ। বিক্ষোভ বানচাল করতে ১৪৪ ধারা জারিসহ টেলিফোন, ইন্টারনেট সংযোগসহ যোগাযোগের সব মাধ্যম বন্ধ করে দেয় সরকার। কাশ্মীরের জনগণের অবাধ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাশ্মীরীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ারও ঘটনা ঘটে।

টানা দেড় সপ্তাহ অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে সম্প্রতি পরিস্থিতিতে শিথিল হয়ে উঠছে কাশ্মীর। মসজিদ ও স্কুল খুলে দেয়া হয়েছে। ল্যান্ডলাইনের সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।

তবে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া জম্মু-কাশ্মীরে দমন-নিপীড়নের প্রতিবাদে পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসের (আইএএস) কর্মকর্তা কান্নান গোপীনাথ।

বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন কান্নান। বর্তমানে দাদ্রা নগর হাভেলি পোস্টিং ছিলেন তিনি।

আইএএস অ্যাসোসিয়েশন সূত্র জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের মৌলিক অধিকার খর্ব হওয়ায় ক্ষুব্ধ ছিলেন কান্নান।

পদত্যাগের কারণ জানিয়ে টুইটারে জম্মু-কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করে কান্নান লিখেন, ভেবেছিলাম সিভিল সার্ভিসে যোগদান করে মানুষের বক্তব্য তুলে ধরতে পারব। মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করব। কথা বলতে পারব। কিন্তু এখন দেখছি আমার কণ্ঠই রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।

পদত্যাগের পর ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লিখেন, আমি স্বরাষ্ট্র সচিব বা অর্থসচিব নই। আমার পদত্যাগে পরিস্থিতির বদল হবে না। কিন্তু আমার বিবেক স্বচ্ছ।

কান্নানের এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে তার এক সহকর্মী বলেছেন, কাশ্মীরের সাম্প্রতিক অবস্থা নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন ও অস্বস্তিতে থাকতেন কান্নান। তিনি বরাবরই বলতেন, মৌলিক অধিকার খর্ব হওয়ার অর্থ জরুরি অবস্থা জারি হওয়া। কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি আমি মেনে নিতে পারছি না।

মোদি সরকারের সঙ্গে আগেও বিরোধ হয়েছে কান্নানের। লোকসভা ভোটের সময়ে এক নেতা তাকে নির্দেশ দেয়ায় নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিলেন কান্নান।

কান্নানকে ‘দেশ-বিরোধী’ তকমা দিয়ে একপক্ষ টুইটারে প্রচার শুরু করেছে। তবে এসব পাত্তা না দিয়ে তিনি বলছেন, দেশের স্বার্থে আমি দেশ-বিরোধী তকমা সহ্য করতে রাজি।

কান্নানের পাশেও দাঁড়িয়েছেন অনেকে। প্রাক্তন আইএএস অনিল স্বরূপের বক্তব্য, কান্নানের মতো অফিসারদের নিয়ে আমরা গর্বিত।

এন এইচ, ২৫ আগস্ট

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে