Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৪ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-২২-২০১৯

সমুদ্রসম্পদ আহরণে হবে মাইনিং পোর্ট ও ফিশ হারবার

সমুদ্রসম্পদ আহরণে হবে মাইনিং পোর্ট ও ফিশ হারবার

চট্টগ্রাম, ২২ আগস্ট- দেশের বিশাল সমুদ্রসম্পদ আহরণ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ করার লক্ষ্যে মাইনিং পোর্ট ও ফিশ হারবার নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বন্দর ভবনে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল জুলফিকার আজিজ এ তথ্য জানান।

বন্দর চেয়ারম্যান জানান, সরকার ব্লু-ইকোনমির গুরুত্ব অনুধাবন করে শিগগিরই সমুদ্রসম্পদ আহরণের পথে হাঁটছে। সমুদ্রের গভীরে থাকা মিনারেল মিশ্রিত মাটি-বালি গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ। এ মাটি-বালি আহরণ করে সমুদ্র উপকূলের নির্দিষ্ট স্থানে তুলে সেমি প্রসেস করার জন্য মাইনিং পোর্ট প্রয়োজন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন পোর্ট রয়েছে। একইসঙ্গে সমুদ্রের মূল্যবান টোনা ফিশসহ অন্যান্য মাছ আহরণ ও বাজারজাত করার জন্য ফিশ হারবার পোর্টের প্রয়োজন হয়। ফিশ হারবার পোর্ট থেকে মাছ সরাসরি বিদেশেও রফতনি করা যাবে।

বন্দর চেয়ারম্যান আরও বলেন, চবক ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডের জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অ্যালবাম তৈরি করার কাজ হাতে নিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বন্দরকে আগামী দিনের জন্য প্রস্তুত করা হবে। আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরের পরিকল্পনা এতে থাকবে। এ জন্য চবক নতুন জমি কেনার প্রতিও মনোনিবেশ করেছে। ইতোমধ্যে বে-টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের জন্য জমি নেয়া হয়েছে। মিরসরাই এলাকায় জমি কেনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় জমির যেন কোনো সংকট না হয় সেদিক লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।

রিয়ার অ্যাডমিরাল জুলফিকার আজিজ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের ইকুইপমেন্ট সংযোজনসহ অবকাঠামো উন্নয়নের ফলে বিশ্বের বন্দরের তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছয় ধাপ এগিয়ে এসেছে। গত বছর যেখানে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিল ৭০। এ বছর তা ৬৪-তে উন্নীত হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী ২০২২ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বের শীর্ষ বন্দরের তালিকার ৫০-এর মধ্যে পৌঁছাবে। কারণ বন্দরের ইয়ার্ড ও টার্মিনাল সম্প্রসারণের ফলে হ্যান্ডলিং ক্ষমতা ৩১ লাখে উন্নীত হবে। এ বছর কন্টেনার হ্যান্ডলিংয়ের পরিমাণ ছিল ২৯ লাখ তিন হাজার।

বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল, ওভার ফ্লো-ইয়ার্ড নির্মাণ কাজ আগামী দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন হলে হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। বন্দরে আসা জাহাজ ৭২ ঘণ্টার স্থলে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য খালাস ও বোঝাই কাজ সম্পন্ন করতে পারবে।

তিনি বলেন, বন্দর সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় বে-টার্মিনাল হবে ফোকাল পয়েন্ট। বে-টার্মিনালে ডেলিভারি টার্মিনাল ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মিত হবে। যা আগামী দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। তিনি আগামী দুই-তিন বছরকে চট্টগ্রামে বন্দরের জন্য ক্রিটিক্যাল সময় হিসেবে উল্লেখ করেন।

কারণ এ সময়ের মধ্যে বন্দরের ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিনের মতো কয়েক হাজার ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, লরি প্রবেশ করবে না। সকল কন্টেইনার জাহাজ থেকে বে-টার্মিনালের ডেলিভারি ইয়ার্ডে চলে যাবে। সেখান থেকে ট্রাক, লরি ও কাভার্ডভ্যান পণ্য নিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে চলে যাবে। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে কোনো ট্রাক প্রবেশ করতে হবে না।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস, সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাহ্উদ্দিন মো. রেজা, সহ-সভাপতি মনজুর কাদের মনজু, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক দেবাশীষ বড়ুয়া দেবু, গ্রন্থাগার সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, কার্যকরী সদস্য স ম ইব্রাহীম, কাজী আবুল মনসুর এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম, সদস্য (ফিন্যান্স) কামরুল আমিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/২২ আগস্ট

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে