Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৬ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-২২-২০১৯

কাশ্মীর নিয়ে তসলিমা নাসরিনের স্ট্যাটাস

কাশ্মীর নিয়ে তসলিমা নাসরিনের স্ট্যাটাস

ঢাকা, ২২ আগস্ট- নির্বাসিত বাংলাদেশি আলোচিত-সমালোচিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন এখন ভারতে বসবাস করছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কাশ্মীর নিয়ে ‘এই লেখাটা হাল্কা, তবে ততটা নয়’ এই শিরোনামে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তসলিমা নাসরিন।

পাঠকদের উদ্দেশ্যে তসলিমা নাসরিনের সেই ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

ফেসবুকে তসলিমা লিখেন, ‘কাশ্মীরে বেড়াতে গিয়েছিলাম ‘৮৮ সালে। নাকি ’৮৯ সালে? ’৮৯ সালে হলেও মনে হয় শুরুর দিকে। ‘৮৯র শেষ দিকে তো ভায়োলেন্স শুরু হয়ে গেছে। ডাল লেকের হাউজবোটে ছিলাম কয়েকটি দিন। বোটের ভেতরে লেকের পচা পানির গন্ধ আসতো। বোটের বাথরুমে স্নান করতে হতো লেকের ওই পচা পানিতেই। শামীম নামে একটা ছেলে কাজ করতো হাউজবোটে। ওকে দিয়ে খাবার পানি আনাতাম ঘরে। তখন শীতকাল। শীত থেকে বাঁচার জন্য শামীম তার পরণের আলখাল্লার আড়ালে একটা হাতলওয়ালা মাটির পাত্র রাখতো, ওই পাত্রে থাকতো জ্বলন্ত কয়লা। মাটির পাত্রটিকে কাশ্মীরি ভাষায় কাংগির বলে। কাংগির হাতে নিয়েই হাঁটাচলা করতো শামীম। আমার ভয় হতো শামীমের গায়ে কখন না আগুন ধরে যায়। কাংগির একটু অসাবধানে হেলে পড়লেই তো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। শামীমকে বখশিস দিলে খুব খুশি হতো। আমাকে বেশ কয়েক বার বলেছে আমাকে তোমার দেশে নিয়ে চলো। শামীমের মতো যুবকদের কাশ্মীরে আরও দেখেছি, দারিদ্র তাদের সর্বাংগে। কাশ্মীরের প্রকৃতিকেই শুধু সুন্দর দেখেছি, অধিকাংশ বাড়ি ঘরে, দোকানপাটে, রাস্তাঘাটে মলিনতা, ধুসরতা, বিবর্ণতা। শালিমার বাগান তখন মরে রয়েছে। মানুষের মুখ চোখে হতাশা। শিকারায় চড়েছি। সুন্দরী সুন্দরী মেয়ে চারদিকে। কিন্তু হাসি নেই আরও মুখে। অশান্তি উড়ে বেড়াচ্ছে হাওয়ায়।

কাশ্মীরে কত ধর্মের, কত বর্ণের, কত জাতের, কত দেশ দেশান্তরের লোক যে এসেছে, বসত করেছে, তার শেষ নেই। শুনেছি জম্মু থেকে কাশ্মীরের একটি সেতুর নামই নাকি গ্রীক সম্রাট আলেকজান্দারের ঘোড়ার নামে, বুসাফেলাস। সম্রাট অশোক এসেছেন, সংগে বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে এসেছেন। বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার কাশ্মীর থেকে লাদাঘ, লাদাঘ থেকে চীনে পৌঁচেছে। পঞ্চম শতাব্দীর আগে কাশ্মীর হয়ে উঠেছিল প্রথমে হিন্দু ধর্ম আর বৌদ্ধ ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। নবম শতাব্দীতে কাশ্মীরে শৈববাদের উত্থান ঘটে। শিবের ভক্তে ছেয়ে যায় কাশ্মীর, দূর দূরান্তেও ছড়িয়ে পড়ে এই শৈববাদ। ত্রয়োদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দীতে কাশ্মীরে ইসলাম বিস্তার করে। কিন্তু তাতে অতীতের ধর্মগুলো হারিয়ে যায় নি, বরং নতুন ইসলামি সংস্কৃতির সংগে মিলে মিশে এক হয়েছে। অনেকে বলে কাশ্মীরিয়ানা অথবা কাশ্মীরি সুফিবাদের জন্ম এভাবেই।

কাশ্মীর শাসন করেছে সুলতান, সুলতানকে সরিয়ে মুঘল এলো কাশ্মীর শাসন করতে, মুঘলকে সরিয়ে আফগান দুররানি এলো, তারপর শিখরা দখল করে নেয় কাশ্মীর। ইংরেজের সংগে শিখরা যুদ্ধে পরাজিত হলে ইংরেজের কাছ থেকে জম্মুর রাজা কিনে নেন কাশ্মীর। কাশ্মীর উপত্যকার ওপর লোভ সবার ছিল। বৃহত্তর কাশ্মীরের এক টুকরো এখন ভারতের, আরেক টুকরো পাকিস্তানের, বাকি টুকরো চীনের। কাশ্মীর নিয়ে কামড়াকামড়ি সেই যে শুরু হয়েছে আজও শেষ হয়নি।

সর্ব ধর্মের মিলনস্থল হলেও, কাশ্মীরি মুসলমানরা ১৯৯০ সালে শত শত কাশ্মীরি হিন্দুদের (পণ্ডিতদের) খুন করেছে, লক্ষ লক্ষকে তাড়িয়ে দিয়েছে কাশ্মীরি উপত্যকা থেকে। মুসলমানরা একা থাকবে কাশ্মীরে। কাশ্মীর কি মুসলমানদের একার কখনও ছিল? কাশ্মীরের অমরনাথে হিন্দুদের তীর্থযাত্রা বন্ধ হয়ে গেল এ বছর। কাশ্মীরের সরকার জানালো তীর্থযাত্রীদের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলা করতে পারে। তারপরই শুনি ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা উঠিয়ে নিয়েছে ভারত সরকার।

দেশভাগের পর থেকে ভারত অধিকৃত কাশ্মীর যে আলাদা মর্যাদা পেত ভারতের কাছ থেকে, সেটি তুলে নিয়েছে ভারত। সংবিধানের ৩৭০ ধারাটি বাতিল করেছে। কাশ্মীরকে ভারতেরই অংশ করে নিয়েছে। ৩৭০ ধারাটি সাময়িক ছিল, এই সাময়িক ব্যবস্থাটিই টিকতে টিকতে ৭০ বছর টিকেছে। তোমার প্রতিরক্ষা, তোমার যোগাযোগ, তোমার বিদেশ মন্ত্রণালয় ইত্যাদির দেখভাল করবো, কাশ্মীরি ছাড়া বাইরের কেউ কাশ্মীরের জায়গা জমি কিনতে পারবে না, কাশ্মীরে কোনও অকাশ্মীরি চাকরিও করতে পারবে না, কিন্তু উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদ আর সন্ত্রাসবাদের চাষ হতে থাকবে। পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসীরা আসতেই থাকবে উপত্যকার যুবসমাজকে ভারতবিদ্বেষ দিয়ে মগজধোলাই করে করে সন্ত্রাসী বানাতে। এখন তো অবশ্য পাকিস্তান থেকে আর সন্ত্রাসীদের আসতে হয় না ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস করার জন্য। এখন সন্ত্রাসী কাশ্মীরেই জন্মাচ্ছে। পুলওয়ামারের সন্ত্রাসী তো ভারত অধিকৃত কাশ্মীরেরই ছিল, যে বোমা বিস্ফোরণ করিয়ে ৪০ জন ভারতীয় জওয়ানকে হত্যা করেছে। ৩৭০ ধারাটি উঠে যাওয়ার পর ভারতীয়রা এখন তীর্থ যাত্রায় বাধার সম্মুখিন হবে না, কাশ্মীরে জমি জায়গা কিনতে চাইলে কিনতে পারবে। উন্নয়ন হবে কাশ্মীরের। ভারতীয় হিন্দুরা ভীষণ খুশি। এত খুশি যে মোদি সরকারের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। কিন্তু মুসলমানদের অধিকাংশই ভীষণ হতাশ। তাদের দুশ্চিন্তা, কাশ্মীরে এখন হিন্দুরা যাবে আর অবাধে জমি জমা কিনতে। কাশ্মীর আর কাশ্মীরি মুসলমানদের থাকবে না।

কাশ্মীরকে ভারতের অংশ করে ফেলায় মানবাধিকারের জন্য যারা সংগ্রাম করছে, তারা ভীষণ অখুশি। কাশ্মীরের নেতাদের গৃহবন্দি করে রাখা, ইন্টারনেট ফোন ইত্যাদি যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া, কার্ফু চালু রাখা, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, রাস্তা ঘাট, বাজার হাট সব বন্ধ করে দেওয়া, ঘরে ঘরে গিয়ে কাশ্মীরি যুবকদের ধরে নিয়ে যাওয়া — এভাবে কি কেউ কোনও নিয়ম পরিবর্তন করে? গণতান্ত্রিক পদ্ধতি না মেনে জোর জবরদস্তি করে ভালো নিয়ম আনবে অন্যের জন্য? না, এভাবে পরিবর্তনটি আনার দরকার ছিল না। কাশ্মীরির নেতাদের সংগে কথা বার্তা বলে, ওঁরা রাজি হলে যদি ৩৭০ ধারা উঠিয়ে নেওয়া হতো, তাহলে চমৎকার হতো। কেউ কেউ বলে কাশ্মীরি এক একটা নেতা কাশ্মীরকে বেচে খাচ্ছিল, লাক্সারি লাইফ ছিল ওঁদের, ওঁরা কোনওদিন কাশ্মীরের আলাদা মর্যাদাকে বাতিল করতে দিতে চাইতেনই না।

সব কাশ্মীরি পণ্ডিত খুশি, তা নয় কিন্তু। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের একটি অংশ জানিয়েছেন, উপত্যকার মানুষের সংগে আলোচনা না করে কেন্দ্রীয় সরকার যে ভাবে একতরফা জম্মু ও কাশ্মীরের সাংবিধানিক মর্যাদা ও অধিকারে হস্তক্ষেপ করেছে, তা অত্যন্ত আপত্তিকর। এই নিন্দায় সুর মিলিয়েছেন কাশ্মীরের ডোগরা এবং শিখ অধিবাসীদের একটি অংশ।

আলোচনা করে নিলে হয়তো কোনওদিনই সম্ভব ছিল না এই ৩৭০ নামের এই সাময়িক ধারাটি বাতিল করার। ক্রীতদাস প্রথা বাতিল করার সময় জনগণের সমর্থন খুবই কম ছিল। ভারতবর্ষে সতিদাহ বন্ধ হয়েছে, বিধবা বিবাহ চালু হয়েছে, কোনওটই মানুষের সমর্থন নিয়ে নয়। কিছু কিছু ভালো কাজ করে ফেলতে হয়, মূর্খ অন্ধ মানবাধিকারবিরোধী নারীবিরোধী মৌলবাদিরা বাধা দিলেও। কিছুদিন আগে তিন তালাক বাতিল হলো ভারতে। পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি মুসলিম দেশে তিন তালাকের আইন নিষিদ্ধ। কিন্তু মুসলিমদের ভোট নিলে কিন্তু অধিকাংশই তিন তালাকের পক্ষেই বলতো। বড় বড় শিক্ষিত মুসলিম নেতারাই তো তিন তালাক বাতিল চাননি। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কোনও মুসলমানই চান না। তাহলে কি সমানাধিকারের ভিত্তিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ভারতে আসবে না? মুসলমান মেয়েরা ধর্মীয় আইনের কারণে সমান উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হতেই থাকবে? মুসলমান পুরুষেরা বহুবিবাহ করতেই থাকবে? সন্তানের ওপর মায়ের চেয়ে বেশি বাবার অধিকারই বহাল থাকবে?

কাশ্মীরে নতুন নিয়মটি আসায় কাশ্মীরের কী কী ক্ষতি হলো? অকাশ্মীরীরাও কাশ্মিরীদের কাছ থেকে জমি কিনতে পারবে, এ ছাড়া আমি তো আর কিছু দেখছি না আপত্তিকর। আপত্তিরই বা কী আছে। কাশ্মীরিদের কেন কাশ্মীরেই বাস করতে হবে। ভারতের যে কোনও অঞ্চলে কাশ্মীরিরা বাস করছে না? করছে। ভারতের যে কোনও স্কুলে কলেজে কাশ্মীরিদের পড়ার অধিকার আছে, যে কোনও অফিসে চাকরি করার অধিকার আছে, যে কোনও জায়গায় ব্যবসা করার অধিকার আছে। তাহলে চিড়িয়াখানার মতো কাশ্মীরিদের কেন কাশ্মীরেই পড়ে থাকতে হবে? ৩৭০ বাতিল করার আগে কাশ্মীর কী এমন স্বর্গ ছিল, কী এমন সুখ শান্তি ছিল যে হঠাৎ নষ্ট হয়ে গেল সব? দীর্ঘকাল যাবত ভারতীয় সেনা আর আর কাশ্মীরের যুবকদের মধ্যে যুদ্ধ চলছে, গুলি আর ইটপাটকেলের অসম যুদ্ধ। ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের কেউ কেউ ভারতের অংশ হতে চায়, কেউ পাকিস্তানের সংগে মিশে যেতে চায়, কেউ আলাদা কাশ্মীর রাজ্য চায়। এই তিন ইচ্ছের একটি ইচ্ছেকে মূল্য দিতে গেলেই গোল বাঁধবে।

আর পাকিস্তানের সংগে ভারত কেন তার কাশ্মীরকে যেতে দেবে! পাকিস্তান অধিকৃত আজাদ কাশ্মীর তো আছেই, যেখানে পাকিস্তানি সেনারা ভারত বিরোধী সন্ত্রাসের ঘাঁটি বানিয়ে রেখেছে। কাশ্মীরের এই একাংশ কোথায় যেত? কী খেত? তার চেয়ে এই ভালো। কাশ্মীরের সরকারের বদলে আপাতত কেন্দ্র দায়িত্ব নিল। এটিই শেষ কথা নয়, সুপ্রীম কোর্ট রাজি না হলে ৩৭০ ধারা রদ করা যাবে না।

একবার ভারত ভাগ করেই সন্ত্রাসী প্রতিবেশির জন্ম দিয়েছে ভারত। আর কত সীমানায় গড়ে উঠতে দেবে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর! সম্ভবত কাশ্মীর বেরিয়ে গেলে সীমান্তের আরও আরও রাজ্য, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, ত্রিপুরা, মেঘালয়, আসাম বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে। একটা বড় দেশকে টিকিয়ে রাখতে হলে যা করতে হয় ভারত তাই করার চেষ্টা করছে। ১৯৪৭ সালের ভুলটি এই দেশ আর করতে চায় না। ১৯৪৭-এর টুকরো টুকরো গ্যাংকে অনুকরণ করবে, না আর নয়।

পাকিস্তান কিন্তু ক্ষেপে উঠেছে। ‘মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই’- এর রাজনীতি ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কাশ্মীর পাকিস্তানের, পাকিস্তানের মানুষ মনে প্রাণে তাই বিশ্বাস করতে শিখেছে। ভারত অধিকৃত কাশ্মীরকে অগণতান্ত্রিক ভাবে লুফে নিয়ে এখন আজাদ কাশ্মীরের দিকে হাত বাড়াবে ভারত – পাকিস্তান অভিযোগ করে বেড়াচ্ছে। কিন্তু কে শুনবে এই অভিযোগ, এক চীন ছাড়া? অর্থনৈতিক রাজনৈতিক স্বার্থ ছাড়া কে কার বনের মোষ তাড়াতে যায় ? মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমান দেশগুলো কিন্তু ভারতের সংগে যতটা আছে, পাকিস্তানের সংগে ততটা নেই।

ভারত পাকিস্তানে ঝগড়া হলে বড় ভয় আমার। হাতে ওদের পারমাণবিক বোমা। ট্রিগার টিপ্লেই হলো। মরে সব ছাই হয়ে যাবো। শুধু কি ওরাই মরবে, গোটা পৃথিবীর মানুষ মরবে।

কাশ্মীরে কিছু একটা দুর্ঘটনা ঘটলে আমার খুব শামীমের কথা মনে পড়ে। শামীম কেমন আছে? বেঁচে আছে তো? শামীমও কি মিলিটারির দিকে ইটপাটকেল ছোঁড়ে? শামীম কি সন্ত্রাসী দলে যোগ দিয়েছে? হিজবুল মুজাহিদীন দলের ২১ বছর বয়সী কমান্ডার বুরহান ওয়ানিকে ভারতের মিলিটারিরা মেরে ফেলার পর কাশ্মীরী যুবকদের সন্ত্রাসী হওয়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে। যেমন সন্ত্রাসী বাড়ছে, তেমন ঘরে ঘরে ঢুকে মিলিটারিদের তল্লাশি বাড়ছে। যেমন সন্ত্রাসী বাড়ছে, তেমন গুম খুন বাড়ছে। শামীম কি আর সব শান্তশিষ্ট কাশ্মীরির মতো চাকরি বাকরি করে ঘর সংসার করছে, বুকের ভেতর আগুনটা লুকিয়ে রেখেছে, যে আগুন কোনও পাত্রে ধরে না?

আশা করছি কাশ্মীর নিয়ে ভারত পাকিস্তানের লড়াই ঝগড়া বন্ধ হবে। দুই দেশে বন্ধুত্ব হবে। কাশ্মীর থেকে অনিশ্চয়তা, অনিরাপত্তা, দারিদ্র,দুর্যোগ দূর হবে। কাশ্মীরের মেয়েদের মুখে হাসি ফুটবে, কাশ্মীরের পুরুষেরা আনন্দ করবে। মিলিটারিরা ওদের অত্যাচার করবে না। ওরাও সন্ত্রাস বন্ধ করবে। মানুষই পারে শান্তি আনতে। আবার এই মানুষই পারে অশান্তি আনতে। অশান্তিটা পলিটিক্সের অংশ। শান্তি কবে পলিটিক্সের অংশ হবে?’

আর/০৮:১৪/২২ আগস্ট

সাহিত্য সংবাদ

আরও সাহিত্য সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে