Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৪ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-২১-২০১৯

চার মাসের মধ্যে পেপারবুক, শুনানি শুরু এ বছরই

চার মাসের মধ্যে পেপারবুক, শুনানি শুরু এ বছরই

ঢাকা, ২১ আগস্ট- একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার পেপারবুক আগামী চার মাসের মধ্যে তৈরির পর এ বছরই হাইকোর্টে শুনানি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

বুধবার (২১ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিচারিক আদালত যদি কাউকে ফাঁসি দেন তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী সেই মামলা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্ট ডিভিশনে চলে যায়। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও হত্যা মামলা; এখানে রায়ে কিছুসংখ্যক আসামির ফাঁসি হয়েছে, কিছু সংখ্যক আসামির যাবজ্জীবন হয়েছে। ফাঁসি হওয়ার কারণে মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে চলে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘যারা যাবজ্জীবন সাজা পেয়েছেন, তারাও আপিল করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের নিয়ম হচ্ছে ডেথ রেফারেন্স এবং আপিলটাকে একসঙ্গে ট্যাগ করে তারা শুনানি করে। সে ক্ষেত্রে কিছু ফর্মালিটিজ আছে, যেগুলো কমপ্লিট করতে হয়, যেমন ধরেন, যাদের ফাঁসি হয়েছে, তাদের পেপারবুক সরকারের তৈরি করে দিতে হয়, বিজিপ্রেসের তৈরি।’

‘এই পেপারবুকে মামলার যাবতীয় কাগজ থাকে। এটা তৈরি করার পর মামলাটা শুনানির জন্য প্রস্তুত হয়, তারপর শুনানি হয়।’

আনিসুল হক বলেন, ‘আমি এইটুকু বলতে পারি, এই মামলার পেপারবুক তৈরি হওয়ার জন্য যে আনুষঙ্গিক কার্যক্রম, সেটা শুরু হয়ে গেছে। যেমন- কাগজপত্র আসার পর এখানে কাগজপত্র সর্টিং হয়, সব কাগজপত্র সর্ট করার পর এটা বিজি প্রেসে চলে যায়। সেক্ষেত্রে আমি এইটুকু বলতে পারি, সেই কাজ শুরু হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রসিকিউশন থেকে দেখব, এই পেপারবুক তৈরিটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, সেটা যেন হয়।’

‘এই মামলাটায় ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৬১ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়, ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আরও ১৬৪ জনসহ সর্বমোট ২২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। আর সওয়াল-জবাব তো আছেই। সব মিলে এটা বৃহৎ হবে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত তৈরি করে মামলাটা রেডি করে, হাইকোর্ট বিভাগের কার্য তালিকায় এনে, শুনানি শুরু করতে।’

পেপার বুক তৈরিতে ইতোমধ্যে ১০ মাস চলে গেছে, আর কত সময় লাগবে- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এই টাইমটুকু কিন্তু লাগে। আমরা চেষ্টা করব, যত তাড়াতাড়ি পারা যায়। আমার কাছে যতদূর সংবাদ আছে, এটা ২ থেকে ৪ মাসের মধ্যে রেডি হয়ে যাবে।’

আমরা কি বলতে পারি এ বছরের মধ্যে হবে- জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এই বছরের মধ্যে শুনানি শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।’

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/২১ আগস্ট

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে