Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ২ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-১৮-২০১৯

‘জিহাদি জ্যাকের’ নাগরিকত্ব বাতিল করল যুক্তরাজ্য

‘জিহাদি জ্যাকের’ নাগরিকত্ব বাতিল করল যুক্তরাজ্য

লণ্ডন, ১৮ আগস্ট - কিশোর বয়সে ধর্মান্তরিত হওয়া জ্যাক লেটস মাত্র ১৮ বছর বয়সে যুক্তরাজ্য থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দেন।

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে সরকারের নেওয়া এটাই সর্বশেষ সিদ্ধান্ত ছিল।

বিবিসি জানায়, ২০১৪ সালে দেশ ছাড়ার সময় জ্যাক অক্সফোর্ডশায়ারে একটি স্কুলে পড়তেন। সেখানে গিয়ে তিনি সিরিয়ার রাক্কায় আইএস যোদ্ধা হিসেবে ‍কাজ করা শুরু করেন।

২০১৭ সালে কুর্দি ওয়াইপিজি বাহিনীর রাক্কা অভিযানের সময় জ্যাক তুরস্কে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হন এবং ওই বছর মে মাসে ওয়াইপিজি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন।

জ্যাকের বিষয়ে জানতে বিবিসি থেকে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে তারা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে এক মুখপাত্র বলেছেন, “কর্মকর্তা, আইনজীবী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সম্ভাব্য সব রকম তথ্যের ভিত্তিতে একজন দ্বৈত নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

“এটা সবচেয়ে বিপদজনক ব্যক্তিদের কাছ থেকে সন্ত্রাসী হামলার হুমকি মোকাবেলা করে দেশকে নিরাপদ রাখার একটি উপায়।”

বিবিসি জানায়, সংবাদমাধ্যমে ‘জিহাদি জ্যাক’ নামে পরিচিত এই তরুণ ১৬ বছর বয়সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি যুক্তরাজ্য ও কানাডার দ্বৈত নাগরিক।

সিরিয়া পালিয়ে যাওয়ার আগে এ-লেভেলের শিক্ষার্থী জ্যাক স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

এক প্রতিনিধিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জ্যাক বলেন, “আমি জানি, আমি নিশ্চিতভাবেই যুক্তরাজ্যের একজন শত্রু।”

কেন আইএসে যোগ দিয়েছিলেন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমি ভেবেছিলাম, আরো ভালো কিছুর জন্য আমি কিছু জিনিস পেছনে ফেলে যাচ্ছি।”

এ বছরের শুরুতে আইটিভি নিউজকে তিনি বলেছিলেন, তিনি যুক্তরাজ্যে ফিরতে চান।

“আমি জানি, আমি নির্দোষ না। আমি নির্দোষ নই। আমার সঙ্গে যেটা হচ্ছে সেটা আমার প্রাপ্য। কিন্তু আমি শুধু যথাযথ প্রক্রিয়ায় সেটা ঘটুক... তা চাই। সিরিয়ার বিশৃঙ্খল এবং যা ইচ্ছা তাই বিচার ব্যবস্থায় আমার শাস্তি আমি চাই না।”

জ্যাকের বাবা জন (৫৮) এবং মা স্যালি লেন (৫৭) সন্ত্রাসীদের অর্থ দেওয়ার অভিযোগে গত জুনে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তারা তাদের ছেলেকে সিরিয়ায় ২২৩ পাউন্ড পাঠিয়েছিলেন।

যেজন্য ওল্ড ব্যালি আদালত তাদের ১৫ মাসের কারাদণ্ড দেয়।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোনো দেশের সরকার তখনই কেবল নাগরিকত্ব বাতিল করতে পারে যখন ওই ব্যক্তি একই সঙ্গে অন্য কোনো দেশের নাগরিক। অর্থাৎ, নাগরিকত্ব বাতিলের পরও যেন তিনি দেশহীন না হন।

এ বছরের শুরুতে যুক্তরাজ্য একইভাবে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আইএস যোদ্ধাপত্নী শামীমা বেগমের নাগরিকত্ব বাতিল করে।

২০১৫ সালে পূর্ব লন্ডন থেকে সিরিয়া পালিয়ে যাওয়া তিন কিশোরীর একজন শামীমা। যিনি সেখানে গিয়ে এক আইএস যোদ্ধাকে বিয়ে করেন।

শামীমার নাগরিকত্ব বাতিলের সময় বলা হয়েছিল, যেহেতু শামীমা জন্মসূত্রে বাংলাদেশি তাই তিনি ওই দেশের নাগরিকত্ব দাবি করতে পারবেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, শামিমা কখনো বাংলাদেশে আসেননি এবং তিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন। তাকে বাংলাদেশে আসতে দেওয়া হবে না।


এন এইচ, ১৮ আগস্ট.

 

 

ইউরোপ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে