Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ১ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-১৪-২০১৯

রাতের আঁধারে গুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি নেতার বাড়ি

রাতের আঁধারে গুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি নেতার বাড়ি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ১৪ আগস্ট - ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে রাতের আঁধারে বুলডোজার দিয়ে বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হারুণ অর রশিদের বাড়ি, সীমানা প্রাচীর ও বিভিন্ন স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া বাড়ির ভেতরের গাছও কেটে দিয়েছে তারা।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দিনগত রাত ২টা থেকে সকাল পর্যন্ত এ তাণ্ডব চালানো হয়।

জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের প্রধান ফটক থেকে প্রায় ৩০-৪০ ফুট দূরে বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য হারুণ অর রশিদের বাড়ি। বর্তমানে ওই বাড়িতে মডার্ন এক্স-রে ও প্যাথলজি ক্লিনিক অবস্থিত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্লিনিকের কয়েকজন জানান, মডার্ন এক্স-রে ও প্যাথলজি ক্লিনিকের পশ্চিম দিকে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জাকারিয়া ও মনির হোসেন, শহর যুবলীগের আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন রনি, শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, ব্যবসায়ী উবায়দুল হকসহ বেশ কয়েকজন মিলে প্রায় ৪০ শতক জায়গা কিনেছেন। সেখানে ডা. জাকারিয়া মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের উদ্দেশে এ জায়গা কিনেছেন। ওই হাসপাতালের রাস্তা নির্মাণের জন্যই তারা এই ক্লিনিকের সীমানা প্রচীরসহ ভেতরে তাণ্ডব চালিয়ে ভাঙচুর করেছে।

মডার্ন এক্স-রে ও প্যাথলজি ক্লিনিকের পরিচালক আজিজুল হক বলেন, রাতের আঁধারে একদল দুর্বৃত্ত এসে ভাঙচুর চালিয়েছে। ক্লিনিকের দুটি ফটক, একটি জেনারেটর, একটি আল্ট্রাসনোগ্রাফ মেশিন ও একটি এসি ট্রাকে করে নিয়ে গেছে। এছাড়া ক্লিনিকের তিনটি জেনারেটর, সাতটি এসি, একটি আল্ট্রাসনোগ্রাফ মেশিন ও পাঁচটি কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেছে। ভাঙচুরে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।    

প্রত্যক্ষদর্শী মডার্ন এক্স-রে ও প্যাথলজি ক্লিনিকের এক্স-রে টেকনিশিয়ান শফিক মিয়া বলেন, রাত দুইটা থেকে আড়াইটার দিকে প্রায় শতাধিক লোক বুলডোজার নিয়ে ভাঙচুর শুরু করে। বাঁধা দিতে গেলে তারা পৌরসভা থেকে এসেছেন বলে জানান।

এদিকে এ খবর পেয়ে, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া সকালে জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক, যুগ্ম সাধারণ সাধারণ সম্পাদক এবিএম মমিনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র নায়ার কবির জানান, আমাদের বুলডোজার নষ্ট হয়ে গেছে। আমাদের কোনো লোক সেখানে যায়নি। প্রায় দুই মাস আগে চিকিৎসক জাকারিয়া জায়গাটি খালি করে দেওয়ার জন্য আমাদের কাছে আবেদন করেছিলেন। আবেদনটি পৌরসভার প্রকৌশল শাখায় পড়ে রয়েছে। যদি জায়গাটি সরকারের হয়ে থাকে তাহলে সরকার এর ব্যবস্থা নেবে। একটা চক্র রাতের আঁধারে এই কাজ করেছে এটা মেনে নেওয়া যায় না।

এদিকে, সকাল সোয়া ১১টার পর ঘটনাস্থল পরির্দশন করতে আসেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন। পরে ১১টা ৪০মিনিটে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল কবির।

সূত্র : বাংলানিউজ
এন এইচ, ১৪ আগস্ট.

ব্রাক্ষ্রণবাড়িয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে