Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯ , ৩ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-৩০-২০১৩

নীলফামারীতে আউসের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত : আগাম জাতের ধান আবাদে লাভবান কৃষক


	নীলফামারীতে আউসের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত : আগাম জাতের ধান আবাদে লাভবান কৃষক
নীলফামারী, ৩০ সেপ্টেম্বর- চলতি আউস মৌসুমের ধান কাটা-মাড়াই শেষ করেছেন নীলফামারীর কৃষক। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবারে আউসের ফলন কৃষি বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া আগাম জাতের হাইব্রিড ধান আবাদ করে লাভবান হয়েছেন তারা। কৃষকরা এখন আউস ও আগাম জাতের ধান কাটার পর ওইসব জমিতে শীতকালীন সবজি, আগাম জাতের আলু ও আমন চাষ শুরু করেছেন। জেলা কৃষি অফিস জানায়, এবারে নীলফামারতে আউস ধান রোপনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৪৮ হেক্টরে, যার চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ১ মেট্রক টন। কিন্তু কৃষকরা ৯৩৫ হেক্টর জমতে আউস রোপন করে। যার মধ্যে হাইব্রিড ৯৫ হেক্টর ও উফসী জাতের ৮৪০ হেক্টর। এতে উৎপাদিত চালের পরিমাণ ২ হাজার ৩৭৩ মেট্রিক টন। প্রতি হেক্টরে গড় ফলন ২ দশমিক ৫৩ মেট্রিক টন। ফলে চালের উৎপাদিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৭২ মেট্রক টন চাল বেশি উৎপাদিত হয়। এবারে আউসে চাষিরা পারিজা, বিআর-১, ব্রি-২৮, সোনার বাংলা, টিয়া, এসিআই জাতের ধান আবাদ করেছে। জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নের ধরেপাড়ার চাষি সুবাশ চন্দ্র, মোমিনুল ইসলাম ও ডোমার উপজেলা সদরের দিঘলটারী গ্রামের সামসুল ইসলাম জানান, এক বিঘা জমিতে পারিজা জাতের আউসের চারা রোপন করে তিন মাসেই বিঘাপ্রতি ১৪ মন ধান পেয়েছেন। ইরি ধান কাটার পর এসব জমি আমন চাষের জন্য ফেলে রাখা হয়। এর ফাঁকে আউসের চাষ করা সম্ভব।
তারা বলেন, বর্তমানে আউস ধান কাটা- মাড়াই করে ওই জমিতে আমন চাষ করা হচ্ছে। কোনো কোনো জমতে আমনের চারার বয়স এখন ২৫-৩০ দিন। জলঢাকা উপজেলার মীরগঞ্জের চাষি হাবিবুর রহমান জানান, দুই বিঘা জমিতে পারিজা ও ব্রি-২৮ জাতের আউসের চারা রোপন করে ২৬ মন ধান পেয়েছেন। এতে বিঘাপ্রতি ব্যয় হয়েছে প্রায় চার হাজার টাকা। এছাড়া নীলফামারী জেলার কৃষকরা আগাম জাতের হাইব্রিড ব্রী ধান-৩৩, ব্রী ধান-৩৯, ব্রী ধান-৪৯, ব্রী ধান-৫৬ ও বীণা জাতের ধান আবাদ করে লাভবান হয়েছেন। অল্প সময়ে অধিক ফলন হওয়ায় এসব ধান কাটা- মাড়াই করে বাজারে বিক্রি করে আশ্বিন-কার্তিকের অভাবী মাসের অভাব দুর করছেন। এসময় অন্যান্য ফসল বিক্রি করার না থাকায় এই ধান ও খড় বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। ফলে এসব ধানও দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে নীলফামারী জেলা কৃষ সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এসএম সিরাজুল ইসলাম জানান, জেলার সব উপজেলার চাষিদের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আউস আবাদের উপকারিতা বোঝানো হয়েছে এবং আউস ধান আবাদে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।

নীলফামারী

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে