Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০৮-২০১৯

দিল্লিতে দলে যোগ দেওয়া কাউন্সিলাররা চাপের মুখেই পালিয়েছে, বক্তব্য বিজেপির

দিল্লিতে দলে যোগ দেওয়া কাউন্সিলাররা চাপের মুখেই পালিয়েছে, বক্তব্য বিজেপির

কলকাতা, ০৮ আগস্ট- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, হুমকি এবং চাপের মুখেই বনগাঁ পুরসভার বিজেপি কাউন্সিলাররা আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে গিয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। মাসখানেক আগে ওই কাউন্সিলাররাই দিল্লিতে মুকুল রায় এবং রাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তারাই ফের রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ (ববি) হাকিম এবং খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের হাত ধরে তৃণমূলে ফিরলেন।

তৃণমূলে ফিরেই তারা বলেছেন, বিজেপিতে গিয়ে ভুল করেছিলাম। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু অবশ্য কাউন্সিলারদের দল পরিবর্তন নিয়ে ভয়ভীতির কথাই বলছেন। সায়ন্তনের বক্তব্য,” রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, আমি এবং অন্যান্য নেতাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে এক্ষেত্রে কাউন্সিলারদের ফের দল পরিবর্তন ভয়ভীতির কারণেই এক্ষেত্রে চাপ রাখতে না পেরে অনেকেই চলে যাচ্ছেন। “

সায়ন্তনের বক্তব্য, রাজ্যে গণতন্ত্র নেই তা আবার প্রমাণ হল। পুরলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়াতে অনেক পঞ্চায়েতে সমিতি এভাবেই দখল নিয়ে বসে আছে তৃণমূল। যতদিন এই সরকার থাকবে ততদিন এইসব হবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বিজেপির দিল্লি অভিযানের উপর কালি পড়ল আরেকবার। এর আগেও তৃণমূল খেকে আসা বিজেপির কাউন্সিলাররাা আবার পুরনো দলে ফিরে গিয়েছিলেন। তা নিয়ে বিজেপিতে আলোচনা কম হয়নি। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, বিজেপির একদল কার্যকর্তা বলতে শুরু করেছিলেন, রাজ্যের কিছু নয়।

দিল্লির সিদ্ধান্ত। জেলা স্তরে স্ক্রিনিং কমিটি এবং রাজ্যস্তরে স্ক্রিনিং কমিটি থাকবে। যোগদান নিয়ে তারাই শেষ কথা বলবে। রাজ্যকে না জানিয়ে দিল্লিতে যোগদান করা যাবে না। আবার, অন্য কার্যকর্তারা বলছেন, দিল্লিতে যোগ দেওয়া নিয়ে কোনও বাধা-নিষেধ নেই। শুধু যোগদানের আগে রাজ্যসভাপতিকে ব্যাপারটা জানালেই হবে। এটা কোনো বড় ব্যাপার নয়। কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং মুকুল রায় জুটির সঙ্গে দলের একাংশের মতবিরোধ চরমে উঠেছে। এখন দেশ জুড়ে বিজেপির সদস্যতা অভিযান চলছে।

১৪ জুলাই, মুকুল রায়ের নেতৃত্বে আলিপুরের কিছু নেতা বিজেপিতে আসার জন্য তৈরি হয়েছিলেন। কিন্তু যা খবর, রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের আপত্তিতে সেই যোগদান শেষ পর্যন্ত হতে পারেনি। অভিযোগ ওঠে দলের স্থানীয় নেতৃত্বকে না জানিয়েই মুকুল ওই যোগদান পক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে যাচ্ছিলেন। এরপর অনেকেই বলতে শুরু করেন, যারা দিল্লি গিয়ে যোগদান করেন, তারা সুবিধাবাদি। সুবিধা না পেয়েই পালান। বনগাঁর চার কাউন্সিলারের তৃণমূলে ফেরত যাওয়ার ঘটনা ফের বিতর্কের ইন্ধন জোগালো।

এনইউ / ০৮ আগস্ট

 

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে