Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯ , ৬ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.5/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০৭-২০১৯

এরশাদ শিকদারের প্রেতাত্মার নাম নুরু মন্ডল

মো: ইমরান হোসেন


এরশাদ শিকদারের প্রেতাত্মার নাম নুরু মন্ডল

দৌলতদিয়া, ০৭ আগস্ট - দৌলতদিয়া ঘাটের ফেরিওয়ালা থেকে ছিঁচকে সন্ত্রাসী। সেখান থেকে গোয়ালন্দ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। অসংখ্য হত্যাকাণ্ডের গডফাদার ও পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। নাম তার নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু মণ্ডল। দৌলতদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। অভিযোগ আছে, স্থানীয় এমপির আশ্রয়-প্রশ্রয়ে সে এখন আরও বেপরোয়া। যার কর্মকাণ্ডে বিব্রত স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনও। এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে খোদ পুলিশের গোপন প্রতিবেদনেও।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ইস্টের আইন বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম রিপনের মায়ের আহাজারি আজও থামেনি। ২০১৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাতে সাইফুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে নূর মন্ডলের দেহরক্ষী ও ক্যাডাররা।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৭ সালে পুলিশ চার্জশিট দেয়। আর তাতেই উঠে আসে এসব তথ্য। এছাড়া দৌলতদিয়া যৌন পল্লীর ভেতরের বাড়িওয়ালা লাভলী ও সালমী হত্যা, ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর, আলোচিত পলাশ মাডার, আপন দুই ভাই সাদ্দাম ও রুবেল খুন, ভূমির জবরদখলসহ অসংখ্য অপরাধে নুরু মন্ডলের হাত রয়েছে বলে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এভাবেই সাধারণ মানুষের কাছে ধীরে ধীরে পদ্মা পাড়ের ত্রাস হয়ে ওঠে নুরু মন্ডল। যাকে খুলনার সেই এরশাদ শিকদারের চেয়েও ভয়ঙ্কর মনে করছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখনই তিনি তাদের হয়ে কাজ করেন। রাজনৈতিক ছত্র ছায়ায় নির্বিঘ্নে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। সরকারদলীয় স্থানীয় নেতারাও তাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

এভাবেই অধরা শীর্ষ সন্ত্রাসী হয়ে ওঠে নুরু মন্ডল। একসময় দৌলতদিয়া ঘাটের ফেরিওয়ালার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা নুরু মন্ডল পুলিশের খাতায় সর্বহারা খুনি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসাবে তালিকাভুক্ত।

তবে এই নুরু মন্ডলকে আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া অস্বীকার করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী। ২০০৮ সালের পর রাজনৈতিক তদবিরে তার নাম পুলিশের তালিকা থেকে বাদ পড়ে। তবে সব অপরাধের রেকর্ডপত্র সংরক্ষিত আছে। রাজবাড়ী জেলা পুলিশ বলছে নুরু মন্ডলের অপরাধ কার্যকম এখনো অব্যাহত। দৌলতদিয়া এলাকায় রয়েছে নিকট আত্মীয়দের সমন্বয়ে ৩০ থেকে ৪০ জনের সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ। যার নেতৃত্ব দেন নুরু মন্ডল নিজেই।

সুত্র : বিডি২৪লাইভ
এন এ/ ০৭ আগস্ট

অপরাধ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে