Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৯ , ৬ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০৬-২০১৯

ডেঙ্গু ঠেকাতে ড্রেনে ছাড়া হলো মসকিউটো ফিশ

ডেঙ্গু ঠেকাতে ড্রেনে ছাড়া হলো মসকিউটো ফিশ

ঢাকা, ০৬ আগস্ট - ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ড্রেনে প্রায় ৮ হাজার মসকিউটো ফিশ (মশাভুক মাছ) অবমুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বাকৃবি মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের আয়োজনে এর পাশের ড্রেনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভিসি অধ্যাপক ড. মো. লুৎফুল হাসান। পরবর্তীতে পুরো ক্যাম্পাসের ড্রেনেই এই মাছ অবমুক্ত করা হবে।

এছাড়া আগামী বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটুর নেতৃত্বে শহরের ড্রেনে এই মাছ ছাড়া হবে।

এদিকে মশাভুক মাছ ছাড়ার মাধ্যমে মশার ডিম নিধন সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাকৃবির একদল গবেষক। দলের প্রধান ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. হারুনুর রশীদ জানান, মসকিউটো ফিশ প্রায় ১০ বছর আগে আমেরিকা থেকে দেশে অ্যাকুরিয়াম ফিশ হিসেবে আসে। পরে এটি দেশের মুক্ত জলাশয় এবং ড্রেনে ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক বছর পূর্বে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ড্রেনে মশা দমনে মসকিউটি ফিশ ও গাপ্পি মাছ ছেড়েছিল। গবেষণার এক পর্যায়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ড্রেন ও নর্দমার নোংরা পানিতে আমরা এই মশাভুক মাছের সন্ধান পেয়েছি, যারা খাবার হিসেবে প্রচুর পরিমাণে মশার ডিম খায়। এ মাছ ড্রেন ও নর্দমার নোংরা পানিতে স্বাভাবিকভাবেই বেঁচে থাকতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, দেশীয় খলিশা, দারকিনা, জেব্রা মাছ মসকিউটো ফিশের চেয়ে বেশি মশার লার্ভা খেলেও এরা নর্দমার নোংরা পানিতে বেশিদিন বাঁচতে পারে না। নর্দমার পানিতে মশার লার্ভা নিধনে মসকিউটো ফিশ সর্বাধিক উপযোগী।

মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাকৃবির প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন খান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল হকসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভিসি অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান বলেন, দেশের ডেঙ্গুর এই মারাত্মক পরিস্থিতিতে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার শিখতে হবে। তেমনি একটি হলো মশা নিধনের বায়োলজিক্যাল পদ্ধতি অর্থাৎ মাছ দিয়ে মশার লার্ভাকে ভক্ষণ করানো। এক্ষেত্রে দেশীয় প্রজাতির খলিশা মাছ বেশি উপযোগী। ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখা, টবে পানি জমতে না দেয়া, ধূমায়িত করা এবং জৈবিক পদ্ধতি সব কিছু সমন্বয়ের মাধ্যমে এই দুর্যোগ মোকাবিলা সম্ভব।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ০৬ আগস্ট.

শিক্ষা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে