Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯ , ৪ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (53 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২৮-২০১৩

তসলিমার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার


	তসলিমার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার

কলকাতা, ২৮ সেপ্টেম্বর- আলোচিত লেখক তসলিমা নাসরিনের ভিসা বাতিল ও তাকে ভারত থেকে বিতাড়নের দাবিতে ২০০৭ সালে পশ্চিমবঙ্গে যে তুমুল সংঘর্ষ হয়েছিল তাতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় সেসময় কলকাতায় সেনাবাহিনী পর্যন্ত তলব করতে হয়েছিল। নন্দীগ্রামে গণহত্যার প্রতিবাদ, তসলিমা নাসরিনের ভিসা বাতিল এবং তাকে বিতাড়নের দাবিতে ২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর রাজ্য অচল কর্মসূচি নিয়েছিল দুটি সংগঠন। সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ভাঙচুর হয়, আগুন জ্বলে, আক্রান্ত হয় পুলিশও। সে দিন কলকাতার রিপন স্ট্রিট, মৌলালি, পার্ক সার্কাস, তপসিয়াসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় তাণ্ডব চলেছিল সকাল থেকে রাত পর্যন্ত।

কলকাতা পুলিশের তৎকালীন ডিসি (সাউথ) এবং অন্য কয়েক জন পুলিশকর্মী আহত হন। সাম্প্রতিক কালে সেই ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতেই কলকাতায় সেনা নেমেছিল। সেনা টহল দিতে শুরু করার পরেও অবশ্য এন্টালি, পার্ক স্ট্রিট, তপসিয়া, বেনিয়াপুকুর, কড়েয়া থানা এলাকায় কার্ফু জারি রাখতে হয়েছিল। সে দিনের বিক্ষোভের প্রেক্ষিতেই তসলিমার নিরাপত্তার জন্য কলকাতা পুলিশ গোপনে তাকে রাজ্যের বাইরে সরিয়ে দেয়। সে দিনের তাণ্ডবের পরে পার্ক স্ট্রিট থানা বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। বিক্ষোভকারী একটি সংগঠনের নেতা ইদ্রিস আলীসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটও দেয় পুলিশ। যে ইদ্রিস রাজ্যে ‘পরিবর্তন’ এর হাওয়ায় কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে গিয়েছেন। এতদিন সেই মামলা রাজ্যের ব্যাঙ্কশাল কোর্টে বিচারাধীন ছিল এত দিন। গত ১২ সেপ্টেম্বর সরকারি কৌসুলি (কলকাতা ইন চার্জ) প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় আদালতে মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন জানান। ওই দিনই শুনানির পরে নবম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু গঙ্গোপাধ্যায় মামলা প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তুলেছে আইনজীবীদের একাংশ। আইনজীবী শুভাশিস রায় অভিযোগ করেন, ‘যে কোনও মামলা প্রত্যাহার করা যায় না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে করা যায়, সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আছে। সেই নির্দেশ মানা হয়নি। রাজ্য সরকারের চাপে সরকারি কৌসুলি মামলা প্রত্যাহারে সচেষ্ট হয়েছেন।’
 
যদিও সরকারি কৌসুলি (কলকাতা ইন চার্জ) প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় জানান, রাজ্য সরকার তাকে এ ব্যাপারে কোনও নির্দেশ দেয়নি। মামলা প্রত্যাহারের পূর্ণ অধিকার আইন পাবলিক প্রসিকিউটরকেই দিয়েছে। সেই ক্ষমতাতেই আমি রাজ্য সরকারের কাছে ওই মামলা তোলার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। তিনি জানান, দীর্ঘ দিন ধরে মামলা চলছিল। অভিযুক্তদের তিন চার জন বাদে বাকিরা কেউ নির্দিষ্ট দিনে আদালতে হাজিরা দিতেন না। তাছাড়া, ওই মামলায় অভিযুক্তেরা সকলেই সংখ্যালঘু। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। ব্যক্তিগত ভাবে কেউ মামলা করেননি।

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে