Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩০ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.3/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-২৯-২০১৯

বাঘাবাড়ির মিল্কভিটার খামারিদের দুধ সংগ্রহ সকালে বন্ধ, বিকালে চালু

বাঘাবাড়ির মিল্কভিটার খামারিদের দুধ সংগ্রহ সকালে বন্ধ, বিকালে চালু

সিরাজগঞ্জ, ২৯ জুলাই- পাস্তুরিত দুধে সিসা ও এন্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক বস্তু পাওয়ার ঘটনায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে বাঘাবাড়ির মিল্কভিটা ইউনিটের খামারিদের দুধ সংগ্রহ সোমবার (২৯ জুলাই) সকালে বন্ধ ছিল। তবে বিকালে আপিলের পর ফের দুধ সংগ্রহ চালু হয়।

এদিকে দুধ সংগ্রহ চালু হওয়ায় স্থানীয় খামারিদের মধ্যে প্রাণ ফিরে এসেছে। ঈদের আগে দুধ সংগ্রহ বন্ধের ঘোষণায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছিল। আদালতের নির্দেশের কারণে বাঘাবাড়ি অঞ্চল থেকে দুধ সংগ্রহ করতে আসা মিল্কভিটাসহ অন্য আরও ১৩টি কোম্পানিও বিপাকে পড়ে।

বাঘাবাড়ি মিল্কভিটা দুধ সংগ্রহ ইউনিটের ব্যবস্থাপক ইদ্রিস আলী সোমবার (২৯ জুলাই) বিকালে বলেন, আদালতের নির্দেশের কারণে সকাল থেকে দুধ সংগ্রহ বন্ধ রাখা হয়। দুপুরে উচ্চ আদালতে আপিলের কারণে আগের রায়টি ৮ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়। আর এ জন্য বিকালে খামারিদের দুধ সংগ্রহ ফের শুরু হয়। এদিকে, দুধ সংগ্রহের খবরে শাহাজাদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ক্ষুদ্র ও প্রন্তিক খামারিদের দুধ সংগ্রহে বিকাল থেকেই মাইকিং শুরু হয়। বিকালে মিল্কভিটা নিয়ন্ত্রিত পোতাজিয়া প্রাইমারি দুধ উৎপাদন সমবায় সমিতি প্রাঙ্গণে দুধ সংগ্রহ করতেও দেখা গেছে।

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরের দুগ্ধজোন হিসেবে খ্যাত বাঘাবাড়ি মিল্কভিটা নিয়ন্ত্রিত রাউতারা প্রাথমিক দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতির সাধারণ সদস্য পান্নু শেখ বলেন, সামনে কোরবানির ঈদ। বাড়ির চারপাশ পানিতে ভেসে গেছে। বন্যা এলে প্রতি বছর দুর্বিসহ হয়ে উঠে গবাদিপশুসহ আমাদের জীবন। ঘাস ডুবে যাওয়ায় গরু-বাছুর নিয়ে খুবই অসুবিধা হয়। নিজেরা দু’বেলা দু’মুঠো খেতে না পেলেও গরু-বাছুরের খাবারের অভাব রাখি না। গরমে নিজেদের শোবার ঘরে ফ্যান না থাকলেও গরু-বাছুরের গোয়ালে ফ্যান ও মশারির ঘাটতি রাখি না। মিল্কভিটা দুধ কেনা বন্ধ করায় আমরা মহা দুশ্চিন্তায় পড়ি। আবার চালু হবার খবর শুনে স্বস্তি পেলাম।

শাহজাদপুরের মিল্কভিটা নিয়ন্ত্রিত পোতাজিয়া প্রাইমারি দুগ্ধ উৎপাদন সমবায় সমিতির সভাপতি ওয়াজ আলী বলেন, মিল্কভিটা হঠাৎ দুধ সংগ্রহ বন্ধ করে দেওয়ায় মহাবিপাকে ছিলাম। সোমবার বিকালে নির্দেশ পেয়ে দুধ সংগ্রহের জন্য আবার মাইকিং করি। সকালে মিল্কভিটা দুধ না নেওয়ায় স্থানীয় মিষ্টি উৎপাদনকারী বা ঘোষালদের নিকট বিক্রি করেছে কেউ কেউ। সামনে ঈদ, সারা বছর ৩৫/৪০ টাকা দুধ বিক্রি করলেও ঈদের সময় সাধারণত দুধ প্রতি লিটার ৬০/৭০ টাকায় বিক্রি করি। ঈদের সময় বাড়তি উপার্জন দিয়েই ঈদের খরচ জুটিয়ে থাকেন খামারিরা। কিন্তু হঠাৎ দুধ বন্ধের ঘোষণায় মহা দুশ্চিন্তায় পড়েছিলাম।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
এনইউ / ২৯ জুলাই

সিরাজগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে