Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-২৫-২০১৯

টঙ্গীতে ফ্ল্যাটে ঢুকে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

টঙ্গীতে ফ্ল্যাটে ঢুকে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

গাজীপুর, ২৫ জুলাই- গাজীপুরের টঙ্গীতে ফ্ল্যাটে ঢুকে অসুস্থ এক স্কুলছাত্রকে ধারলো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বুধবার সকালে গাজীপুরার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরিচিত কোনো বন্ধুবান্ধবের কেউ এ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

নিতহ তসিফুল ইসলাম মুন্না (১৫) রাজধানীর উত্তরার শাহীন ক্যাডেট একাডেমির অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল। অসুস্থ থাকায় স্কুল হোস্টেল থেকে তাকে বাসায় এনে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

নিহত মুন্নার মা মুকুল আক্তার জানান, তিনি সকাল পৌনে ৮টায় মুন্নাকে একা বাসায় রেখে ছোট ছেলেকে নিয়ে পাশের আবু তালেব মডেল একাডেমিতে যান। সকাল ১০টায় স্কুল ছুটি শেষে ছোট ছেলেকে নিয়ে বাসায় ফিরে দেখতে পান, ফ্ল্যাটের বাইরের দিক থেকে দরজায় সিটকিনি আটকানো। তিনি দরজা খুলে ভেতরে ঢুকেই মুন্নার নিথর দেহ খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। বিছানায় ছেলের নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে আছে এবং কণ্ঠনালি কাটা। এ অবস্থা দেখে তিনি চিৎকার শুরু করেন। পরে তিনি দেখতে পান রুমের শোকেস ভাঙা। দুর্বৃত্তরা দুটি মোবাইল সেট ও শোকেস থেকে মুন্নার অত্যাধুনিক ডিএসএলআর ক্যামেরাটিও লুটে নিয়েছে। এদিকে মুন্নার মায়ের আর্তচিৎকার শুনে পাশের ফ্ল্যাট ও অন্যান্য প্রতিবেশীরা ছুটে এসে পুলিশে খবর দেয়।

মুন্নার বাবা মিজানুর রহমান জানান, তার তিন ছেলের মধ্যে মুন্না মেজ। বড় ছেলে ডিপ্লোমা পাস করে ইন্টার্নি করছে। ছোট ছেলে স্থানীয় গাজীপুরা আবু তালেব মডেল একাডেমিতে নার্সারিতে পড়ে। মুন্নার শরীরে জ্বর উঠায় গত ১৮ জুলাই তাকে স্কুল হোস্টেল থেকে বাসায় আনা হয়। বাসায় তার চিকিৎসা চলছিল।

এদিকে এ হত্যাকা-ের খবর পেয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পুলিশ লাশের পাশ থেকে রক্তমাখা একটি দা ও ক্রিকেট খেলার ব্যাট উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মুন্নার লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন জানান, কে বা কারা এবং কী কারণে মুন্নাকে হত্যা করেছে তা এ মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। তবে তার পরিচিত কোনো বন্ধুবান্ধবের কেউ এ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় মুন্নার বাবা মিজানুর রহমান (জাহাঙ্গীর) বাদী হয়ে জিএমপির টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, আমরা ঘাতকদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।

মুন্নার বাবা রাজধানীর বনানীতে একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি করেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার ধানদি গ্রামে। তারা টঙ্গীর গাজীপুরায় হাবীবুর রহমান নামে এক ব্যক্তির পাঁচতলা ‘চন্দ্রিমা হাউস’-এর ৪র্থ তলায় ভাড়া থাকেন। ওই এলাকায় তারা প্রায় ১৫ বছর ধরে বসবাস করেন।

আর/০৮:১৪/২৫ জুলাই

টাঙ্গাইল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে