Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৯ , ২৭ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-১৯-২০১৯

রানীনগরে বেড়িবাঁধ ভেঙে তিন গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি ১৫ হাজার মানুষ

রানীনগরে বেড়িবাঁধ ভেঙে তিন গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি ১৫ হাজার মানুষ

নওগাঁ, ১৯ জুলাই- উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে আজ শুক্রবার ভোরে নওগাঁর রানীনগরে নান্দাইবাড়ী-মালঞ্চি নামক স্থানে ছোট যমুনা নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে ৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৮ শত পরিবারের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। মালঞ্চি গ্রামের নওগাঁ-আত্রাই আঞ্চলিক সড়কের ২টি কালভার্টের নিচ দিয়ে প্রবল বেগে বন্যার পানি প্রবেশ করছে। এতে আত্রাই, রানীনগর, বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ফসলি জমির মাঠসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। 

সরেজমিন জানা গেছে, বেড়িবাঁধ ভেঙে নান্দাইবাড়ী-মালঞ্চি ও কৃষ্ণপুর গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে বাড়ি-ঘরসহ সবজি খেত। বন্যার পানিতে বাড়িঘর ডুবে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ৩টি গ্রামের মানুষ। অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে আসবাবপত্র ও গবাদিপশু নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।

গোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত খাঁন হাসান বলেন, আমার এলাকার ছোট যমুনা নদীর নান্দাইবাড়ি, মালঞ্চি, কৃষ্ণপুর ও আত্রাই উপজেলার ফুলবাড়ি বেড়িবাঁধটি নির্মিত হওয়ার পর থেকে অভিভাবকহীন। কোনো দপ্তর কোনো দিন এই বাঁধটি সংস্কার করেনি। এমনকি এই বাঁধটিকে কোনো দপ্তরই তাদের অধীনে বলে স্বীকার করে না। যার কারণে সংস্কার ও উন্নয়নের কোনো প্রকারের ছোঁয়া এই বাঁধে কখনো স্পর্শ করেনি। যার ফলশ্রুতিতে বাঁধটি দীর্ঘদিন যাবত চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। আজ বাঁধটির মালঞ্চি এলাকার কিছু অংশ ভেঙে গেছে। এতে করে নদীর তীরবর্তী কয়েকটি গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে। এমনিতেই এই এলাকা পুকুর ও সবজির আবাদের জন্য বিখ্যাত। 

আশঙ্কা করা হচ্ছে, বন্যার কারণে এই এলাকা কয়েক শত পুকুর ও শতাধিক হেক্টরের সবজির আবাদ পানিতে তলিয়ে যাবে। এছাড়াও নওগাঁ-আত্রাই সড়কের বেশকিছু জায়গা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেইসব ঝুঁকিপূর্ণ স্থানকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় স্থানীয়রা নিরাপদ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ভেঙে যাওয়া অংশে নদীর পানিতে তেমন গতি না থাকায় বন্যাকবলিত এলাকা ছাড়া অন্যান্য ফসলের তেমন উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্লাবিত ৩টি গ্রামের সবজির আবাদ ও পুকুর বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। কৃষি অফিসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে বন্যা কবলিত এলাকায় সার্বক্ষণিক থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ও ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন করে তাদের জন্য সহায়তা হিসেবে ত্রান সামগ্রী বিতরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এছাড়াও ভেঙে যাওয়া অংশ ঠিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাঁধটি পরিদর্শন করে পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

সুত্র : কালের কন্ঠ
এন এ/ ১৯ জুলাই

নওগা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে