Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯ , ৪ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (8 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২৫-২০১৩

উদ্বোধনের অপেক্ষায় ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ


	উদ্বোধনের অপেক্ষায় ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

ফরিদপুর, ২৫ সেপ্টেম্বর- ফরিদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হচ্ছে। চলতি বছরই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। ফরিদপুরের শিক্ষাযোন হিসাবে পরিচিত শহরতলীর বায়তুলআমান এলাকায় ৫ একর জমির উপর বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ৫৩ কোটি টাকা ব্যায়ে ২০০৫সালে শুরু হয় ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের নির্মাণ কাজ এবং শেষ হয় ২০১০সালে। ২০১০সালে কলেজের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও শুধু মাত্র বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগের জটিলতার কারণে তিনটি বছর কর্তৃপক্ষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি চালু করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। অবশেষে আগস্ট মাসে বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ পাওয়াগেছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ চালুকরার সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ পরিদর্শন করে গেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজী অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর প্রফেসর প্রকৌশলী মো. জিয়াউল হক মামুন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ উপ পরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমান। ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও কম্পিউটার এই ৩টি টেকনোলজী পড়ানো হবে। তবে ২০১৩-১৪বছরে ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এই দুটি টেকনোলজীতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে। প্রত্যেকটি টেকনোলজীতে ৬০টি আসন রয়েছে। কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদের জন্য ছাত্রাবাস ও ছাত্রীদের জন্য ছাত্রী নিবাস গড়ে তোলা হয়েছে। এছাড়াও ক্যাম্পাসে গড়েতোলা হয়েছে ব্যাংক, ডাকঘর, ক্যাফেটারিয়া, লাইব্রেরী, সেন্টাল কম্পিউটার ল্যাবসহ সবধরনের সুবিধা।
প্রফেসর আলতাফ হোসেন বলেন, ফরিদপুরের শিক্ষা যোন হিসাবে পরিচিত বায়তুলআমান এলাকায় ২০১০সালে স্থাপিত হলেও দীর্ঘদিন কলেজটি পড়ে আছে। জানতে পারলাম কলেজটি চালুর অপেক্ষ ভীষন ভাল লাগছে এখন। কলেজটি স্বচল করতে যারা কাজ করছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।
কলেজ পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যেই ৬৭টি রেভিনিউ পদ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও ১৮জন ননরেভিনিউ পদ রয়েছে। এখন চলছে শেষ মুহুর্তের বিভিন্ন টেকনোলজীর ল্যাব গুলোর সাজানোর কাজ। ফরিদপুরের বিভিন্ন পেশার মানুষ মনে করেন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি চালু হলে ফরিদপুর তথা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মেধাবি শিক্ষার্থীরা এখানে এসে উচ্চ শিক্ষা লাভ করবে।
মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বলেন, ফরিদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি চালু করার। কলেজের অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেন দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন কলেজটি চালু করার জন্য। আমরা এলাকাবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছি কবে কলেজটি চালু হবে। কলেজটি চালু হলে এ অঞ্চল আরো উন্নত হবে। এ অঞ্চলের ছেলে-মেয়েদের আর বাহিরে গিয়ে পড়তে হবেনা।
ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হসেন বললেন, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। ২০১৩-১৪ শিক্ষা সনেই আমরা এই প্রতিষ্ঠানটি চালুকরার প্রচেষ্টা নিছি এবং সেই লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা এবছর ২টি টেকনোলজীতে ভর্তি করব। একটি হলো ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স আর একটি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। এই দুটি টেকনোলজী দিয়েই প্রাথমিক ভাবে এই প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করব।
২০১৩-১৪ শিক্ষা বর্ষে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ চালু হবে এমনটিই প্রত্যাশা করছেন ফরিদপুরবাসী।

ফরিদপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে