Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ , ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-১৫-২০১৯

কংগ্রেসের হুমকির আশঙ্কা, হোটেল থেকেই পুলিশকে চিঠি বিক্ষুব্ধদের

কংগ্রেসের হুমকির আশঙ্কা, হোটেল থেকেই পুলিশকে চিঠি বিক্ষুব্ধদের

নয়াদিল্লি, ১৫ জুলাই- আস্থা ভোটের আগে কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও রকমের সমঝোতাতেই যেতে নারাজ কর্নাটকের বিক্ষুব্ধ বিধায়কেরা। কংগ্রেসের থেকে গুরুতর হুমকির আশঙ্কায় পুলিশের কাছে ফের চিঠি দিলেন মুম্বইয়ের হোটেলে আশ্রয় নেওয়া ওই রাজ্যের ১৪ বিধায়ক। এর ফলে আরও ঘোরাল হল রাজ্যের জোট সরকারের ভবিষ্যৎ। এই আবহেই সোমবার দুপুরে কর্নাটক বিধানসভার স্পিকার রমেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি নেতারা। মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর ইস্তফা দাবি করেন তাঁরা।

বিজেপির আরও দাবি, কর্নাটকের জোট সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। এ দিনই বিধানসভায় অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেন তাঁরা। 

এর আগে মুম্বই পুলিশের কাছে লেখা একটি চিঠিতে বিক্ষুব্ধ বিধায়কেরা দাবি করেন, কংগ্রেস নেতারা তাঁদের সঙ্গে দেখা করে হুমকি দিতে পারেন। সে কারণেই কর্নাটক বা মহারাষ্ট্রের কোনও কংগ্রেস নেতার সঙ্গে দেখা করতে চান না তাঁরা। পুলিশের কাছে ওই নেতাদের থেকে সুরক্ষার আবেদনও করা হয়েছে ওই চিঠিতে।

মুম্বইয়ের পোয়াই এলাকায় ওই হোটেলে বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের সঙ্গে এ দিন দেখা করার কথা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মল্লিকার্জুন খড়্গে এবং কর্নাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বরের। তবে ওই নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার রাস্তায় যেতে নারাজ বিক্ষুব্ধ বিধায়কেরা।

পোয়াই পুলিশকে বিধায়কেরা লিখেছেন, ‘মল্লিকার্জুন খড়্গেজি বা গুলাম নবি আজাদ অথবা মহারাষ্ট্র বা কর্নাটকের অন্য কোনও কংগ্রেস বা রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে দেখা করার কোনও ইচ্ছে নেই আমাদের। ... আমরা তাঁদের থেকে গুরুতর হুমকির আশঙ্কা করছি।’ সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, কংগ্রেস নেতাদের ঠেকাতে বিক্ষুব্ধ বিধায়কেরা এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হতে পারেন।

তবে এই প্রথম নয়, এর আগে গত সপ্তাহেও মুম্বই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিক্ষুব্ধ বিধায়কেরা। পোয়াইয়ের যে হোটেলে তাঁরা রয়েছেন, সেখানে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন কর্নাটকে জোট সরকার গড়ার অন্যতম কারিগর ডিকে শিবকুমার। তাঁর বিরুদ্ধেও মুম্বই পুলিশের কাছে চিঠি লেখেন বিধায়কেরা। হোটেলে পৌঁছলে শিবকুমারকে লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও দেন তাঁরা। ওই হোটেলে দীর্ঘ ক্ষণ অপেক্ষা করেও কোনও লাভ হয়নি শিবকুমারের। বরং মুম্বই পুলিশ তাঁকে আটক করে বিমানবন্দরে পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকেই বেঙ্গালুরুতে ফিরে আসতে বাধ্য হন তিনি।

বিধানসভার ভোটের পর বছরখানেকের মধ্যেই সংখ্যা-সঙ্কটে কর্নাটকের কংগ্রেস এবং জেডিএস জোট সরকার। গত সপ্তাহে জোটের ১৬ জন বিধায়ক ও ২ জন নির্দল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। যার ফলে সংখ্যার বিচারে সঙ্কটে পড়ে জোট সরকার। ২২৫ আসনের কর্নাটক বিধানসভায় বিজেপির কাছে ১০৭ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। অন্য দিকে, কর্নাটক বিধানসভার স্পিকার ওই ১৬ জনের ইস্তফা গ্রহণ করলে মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর সরকার পতনের সম্ভাবনা।

কারণ, ১৬ জন বিধায়ক ও ২ জন নির্দলের ইস্তফায় জোটের সংখ্যা ১১৮ থেকে ১০০-তে নেমে যাবে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, ইস্তফা বা বিধায়কপদ খারিজ করা নিয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেবে না আদালত। ওই দিনই ১১ দিনের জন্য বিধানসভার জরুরি অধিবেশন শুরু হলে মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী  স্পিকারের কাছে আস্থা ভোটের আর্জি জানান। জোটের সংখ্যা ঠিক রাখতে এখন মরিয়া প্রচেষ্টা শুরু করেছে কর্নাটক সরকারের নেতারা।

সূত্র: আনন্দবাজার
এমএ/ ০১:২২/ ১৫ জুলাই

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে