Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯ , ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৭-১৪-২০১৯

ভারতে যেতে হয়রানির চিত্র তুলে ধরলেন খুলনার ব্যবসায়ীরা

ভারতে যেতে হয়রানির চিত্র তুলে ধরলেন খুলনার ব্যবসায়ীরা

খুলনা, ১৪ জুলাই- বেনাপোল ও ভোমরা স্থলবন্দর নিয়ে ভারতে যাত্রী ও পণ্য আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন খুলনাসহ আশপাশের জেলার ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীরা। অনেক সময় পণ্যবাহী ট্রাক কয়েক দিন আটকে রাখা হচ্ছে ভারত সীমান্তে। এ ছাড়া রোগী, পর্যটকরাও সীমান্ত চেকপোস্টে নানা রকম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

খুলনাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের সহকারী হাইকমিশনার রাজেশ কুমার রায়নার সঙ্গে বৈঠকে এসব দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেছেন ব্যবসায়ীরা। রোববার দুপুরে খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাকক্ষে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা চেম্বার অব কমার্স এর আয়োজন করে। এ সময় ভারতীয় হাই কমিশনের অ্যাটাচি প্রাভীন শর্মা ও মনোজ কুমার পান্ডা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, হরিদাসপুর চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় ভারতীয় কাস্টমস নানাবিধ প্রশ্ন করে হয়রানি করে। এ ছাড়া প্রশ্নের সঙ্গে রূঢ় আচরণও করে থাকে, যা বিব্রতকর। ফেরার পথে ইমিগ্রেশন পুলিশ চেক করার পর আবার সীমান্তে বিএসএফ হয়রানি করে যাত্রীদের। অনেক সময় দ্বিতীয়বার লাগেজ খুলে যাত্রীদের হয়রানি করা হয়। তারা বলেন, খুলনা-কলকাতা রুটের মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাত্রীদের বেনাপোল বন্দরে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা হয়। এতে ট্রেন থেকে নেমে ইমিগ্রেশন করতে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। ভারতে যাওয়ার সময় সঙ্গে ভারতীয় রুপি নেওয়া যায় না। এ দেশ থেকে ডলার নিয়ে ভারত সীমান্তে প্রবেশ করে ভাঙাতে হয়। আবার বাংলাদেশে ফেরার সময় রুপি থাকলে সেটা টাকায় ভাঙাতে হয়। দুইবার টাকা পরিবর্তন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে লোকসানের মুখে পড়তে হয়। ব্যবসায়ীরা বলেন, পেট্রাপোল স্থলবন্দর সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ হয়ে যায়। বেলা ৩টায় কলকাতা থেকে রওনা দিলে পেট্রাপোল বন্দরে পৌঁছানো যাবে-কিনা, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়।

সভায় খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজী আমিনুল হক ব্যবসায়ীদের পক্ষে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের কাছে ৬টি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে- ট্রেনযাত্রীদের জন্য খুলনা রেলওয়ে স্টেশন ও কলকাতা স্টেশনে ইমিগ্রেশন চালু, বিজনেস ভিসায় যারা যাতায়াত করেন তাদের জন্য চেকপোস্টগুলোতে আলাদা কাউন্টার রাখা, সীমান্তে হয়রানি বন্ধ, খুলনা-কলকাতা রুটে সপ্তাহে একদিনের পরিবর্তে প্রতিদিনের ট্রেন সার্ভিস চালু, ভারতীয় চেকপোস্ট রাত ১০টা পর্যন্ত চালু রাখা প্রভৃতি।

সহকারী হাইকমিশনার রাজেশ কুমার রায়না তার বক্তৃতায় এসব দাবি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়া-আসার ক্ষেত্রে কেউ যাতে দুর্ভোগ বা হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে খুলনা-কলকাতা অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি চালু হলে ৪ ঘণ্টায় রোগী খুলনা থেকে কলকাতার হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হবে। সভায় ব্যবসায়ী ও আমদানি-রফতানিকারকরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: সমকাল
এনইউ / ১৪ জুলাই

খুলনা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে