Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯ , ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-১৪-২০১৯

ওষুধ নীতি প্রবর্তন করে মানুষের মোবারকবাদ পেয়েছিলেন এরশাদ

ওষুধ নীতি প্রবর্তন করে মানুষের মোবারকবাদ পেয়েছিলেন এরশাদ

ঢাকা, ১৪ জুলাই- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আর নেই। রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

নিজের প্রজ্ঞা, জ্ঞান ও শিক্ষা দিয়ে গড়ে তুলেছেন নতুন বাংলাদেশ। তাই তিনি বৃটিশ আমলের ঘুনেধরা প্রশাসন ভেঙ্গে দিয়ে সৃষ্টি করেন উপজেলা পদ্ধতি-জনগণের নির্বাচিত প্রশাসন ব্যবস্থা। বাস্তবায়িত করেন যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, পল্লী উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, ভূমি সংস্কার, টেলি যোগাযোগ নেটওয়ার্কের হাজার হাজার প্রকল্প।

সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ যুগান্তকারী ওষুধ নীতি প্রবর্তন করে শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের সচেতন মানুষের মোবারকবাদ পেয়েছেন।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মধ্যে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল ওষুধনীতি। এই ওষুধনীতির ফলে আজকে যে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্পে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। বিদেশে যে ওষুধ রফতানি করতে পারছে তার একটি বড় অবদান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে দেয়া যেতেই পারে।

কারণ এরশাদ ক্ষমতায় বসেই ডা. জাফরুল্লাহকে দায়িত্ব দিয়ে জাতীয় ওষুধনীতি তৈরি করেছেন। যে ওষুধনীতির কারণে তিনি বিদেশি ওষুধ বিক্রিতে অনেকগুলো বিধি নিষেধ আরোপ করেছিলেন এবং একই সঙ্গে তিনি দেশীয় ওষুধ উৎপাদনে উৎসাহিত করার জন্য নানা ধরনের প্রণোদনা দিয়েছিলেন। যার ফলে ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশের চেহারা অন্যরকম হয়েছে।

ওষুধশিল্প নিয়ন্ত্রণে ১৯৮২ সালে ৭ জুন ওষুধ নীতি প্রবর্তন করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে তৈরি ওষুধ দেশের ৯৮ ভাগ চাহিদা মিটিয়ে বিশ্ববাজারে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাধার পাহাড় পেরিয়ে বিশ্বের ওষুধ বাজারে বিস্ময়কর প্রসার ঘটেছে বাংলাদেশের।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে একসময় ওষুধ দেয়নি উন্নত বিশ্ব। বিপ্লবের অগ্রযাত্রায় এখন দেশের ৯৮ শতাংশ চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের ১৬০টি দেশে রফতানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ। এখন পোশাক শিল্পের মতোই ইউরোপ-আমেরিকার বাজারেও ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে বাংলাদেশের ওষুধ।

পল্লীবন্ধু এরশাদ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার রোধের কার্যকর পদক্ষেপ এবং অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার ‘জাতিসংঘ জনসংখ্যা পুরস্কার’ লাভ করেন।

১৯৮৭ সালের ১০ জুন নিউইয়র্কে তিনি ‘জাতিসংঘ জনসংখ্যা পুরস্কার’ গ্রহণ করেন।

তিনি শেরেবাংলা নগরে হার্ট ইন্সটিটিউট স্থাপন করেছেন। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে সরকারি হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ২৩ হাজার ৮৭০টিতে উন্নিত করেন। অথচ ক্ষমতা গ্রহণের সময় তা ছিল ১৬ হাজার ১৭১টি।

পল্লীবন্ধু এরশাদ শ্রমিক শ্রেণির মানুষের জন্য তৈরি করেন শ্রমজীবী হাসপাতাল।

সূত্র: যুগান্তর
এমএ/ ০৯:৩৩/ ১৪ জুলাই

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে