Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৫ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-১২-২০১৯

দেশে এখন আর ত্রাণ চোর নেই : ত্রাণমন্ত্রী

দেশে এখন আর ত্রাণ চোর নেই : ত্রাণমন্ত্রী

ঢাকা, ১২ জুলাই- বাংলাদেশে এখন কোনো ত্রাণ চোর নেই বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশ। খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলা করে এখন আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। এখন কারো কোনো অভাব নেই। কাজেই এখন ত্রাণ চুরির প্রশ্নই আসে না।’

আজ শুক্রবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি বৈঠক হয়। বৈঠকে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা বন্যা মোকাবিলায় তাঁদের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন।

বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে সরকারের ত্রাণ কার্যক্রমের বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, বগুড়া, নেত্রকোনা, শেরপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। এই ১০টি জেলায় ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে জরুরিভাবে ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হয়েছে। শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসকদের। সুষ্ঠুভাবে জেলা প্রশাসকদের দায়িত্বে ত্রাণ বিতরণ হবে। মাঠ প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা সহযোগিতা করবেন। ওইসব জেলায় সরকারি কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তাঁদের সার্বক্ষণিক জনগণের পাশে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পর একজন সাংবাদিক জানতে চেয়ে বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে ত্রাণ বিতরণ নিয়ে অনিয়মের খবর আসে। প্রকৃত দুর্গত লোকজন সরকারের ত্রাণসামগ্রী থেকে বঞ্চিত হন। এবার আপনারা এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন।’

সাংবাদিকের করা এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এখন অভাব নেই। কাজেই কারো ত্রাণ চুরি করার প্রশ্নই আসে না।’

ডা. এনামুর রহমান বলেন, “এর আগে আমরা ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ যখন আঘাত হেনেছিল ওই সময়ও আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করে মানুষের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলাম। এবারও আমরা সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সংস্থাগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে একযোগে কাজ করব। আশা করি. মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সক্ষম হব।’

সূত্র: এনটিভি
এমএ/ ০৬:০০/ ১২ জুলাই

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে