Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ , ২ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (20 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-০৯-২০১৯

সরকারি ঘর পেয়ে খুশি অসহায় পরিবার

সরকারি ঘর পেয়ে খুশি অসহায় পরিবার

শেরপুর, ৯ জুলাই - প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘জমি আছে, ঘর নেই’ বিশেষ প্রকল্পের আওতায় শেরপুরের ২৭১ অসহায় পরিবারের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে দুর্যোগ সহনীয় ঘর। ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। ঘর গুলো নির্মাণ শেষ হলেই সুবিধাভোগীরদের মাঝে হস্থান্তর করা হবে। ঘর নির্মাণ কাজ চলছে তা দেখে খুশি ওই সব অসহায় পরিবারের সদস্যরা। তারা বলেন, আমরা এই ঘর পেয়ে সবচেয়ে বেশি সুখি মানুষ। এখন থেকে আর রোধ বৃষ্টিতে ভিজে কষ্ট করতে হবে না।

তথ্যমতে, চলতি অর্থ বছরের এপ্রিলে শেরপুরের সব কয়টি উপজেলায় ২৭১টি ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রতিটি ঘরের প্রাকল্পিক নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩১ টাকা করে। এতে করে জেলায় মোট ৭ কোটি ৬১ হাজার ৯০১ টাকা এই প্রকল্পের আওতায় ব্যয় করা হচ্ছে। এই বরাদ্দের আওতায় শেরপুর সদরে ৬৬ টি দুর্যোগ সহনীয় ঘরের বিপরীতে এক কোটি ৭০ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬ টাকা, নকলায় ৫৫ টি ঘরের বিপরীতে এক কোটি ৪২ লাখ ১৯ হাজার ২০৫ টাকা, নালিতাবাড়ীতে ৪৯ টি ঘরের বিপরীতে এক কোটি ২৬ লাখ ৬৮ হাজার ১৯ টাকা, শ্রীবরদীতে ৫৮ টি ঘরের বিপরীতে এক কোটি ৪৯ লাখ ৯৪ হাজার ৭৯৮ টাকা, ঝিনাইগাতীতে ৪৩ টি ঘরের বিপরীতে এক কোটি ১১ লাখ ১৬ হাজার ৮৩৩ টাকার কাজ চলছে। বরাদ্দমূলে পাওয়া স্ব-স্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা ওইসব ঘর নির্মাণ প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ প্রকল্পর ‘জমি আছে, ঘর নেই’ এর আওতায় তথা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর বাস্তবায়নে দুর্যোগ সহনীয় বসতঘর পেয়ে খুশি- যার জমি ছিল, কিন্তু কোন বসত ঘর ছিলনা এমন শেরপুরের অসহায়রা ২৭১টি পরিবার।

নকলা উপজেলার গণপদ্দী ইউপির বাসিন্দা অসহায় শাহজাহান আলী, আশরাফ আলী ও কাইল্লা মিয়া জানান, তারা কোন দিন কল্পনাও করেনি যে, তারা পাকা ঘরে ঘুমাতে পারবেন। তারা বলেন, ২টি থাকার কক্ষ, একটি রান্না ঘর ও একটি গোসলখানা পেয়ে আমরা সবচেয়ে বেশি সুখি মানুষ। তারা আরও বলেন, আমরা সারাদিন অন্যের বাড়িতে কাজ করে এসে এখন থেকে শেখ হাসিনার দেওয়া পাকা (হাফ বিল্ডিং) নিজের ঘরে ঘুমাতে পারব, এর চেয়ে আর সুখ কি আছে? এই বলে উল্টা প্রশ্ন করেন তারা।

অসহায় শাহজাহান আলী নিজের মত করে বলেন, গরীব মানুষের নাইগা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মেয়ে এত সুন্দর ঘর কইরা দিব, তা আমি আগে কল্পনাও করতাম না। আল্লাহ যেন গরীবের সরকার হাসিনারে আরো মেলাদিন বাচায়া রাহে। তাইলে সামনের দিনে আমরা আরও মেলা কিছু পামু। এমন করেই হাসিমাখা মুখে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য মঙ্গল কামনা করেন শাহজাহান ও তার স্ত্রী সুন্দরী বেগম।

যার জমি আছে ঘর নেই এমন লোকদের খোঁজে বেড় করে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা তাদের তালিকা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নিকট জমা দিলে তাদের নামে বরাদ্দ আসে। এ বরাদ্দের টাকায় ঘর নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইউপি চেয়ারম্যানের দেওয়া তালিকা মোতাবেক যার জমি আছে ঘর নেই তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণে প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দে এ কাজ হচ্ছে।

নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমান জানান, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের বাস্তবায়নে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের নিবিড় তত্বাবধানে ওইসব ঘর নির্মাণের কাজ চলমান আছে। এখন গনপদ্দী ইউপিতে কাজ শুরু হয়েছে, কয়েক দিনের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হলে তা সুবিধাভোগীদের মাঝে হস্থান্তর করা হবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ইউপি’র চাহিদা ও বরাদ্দ অনুযায়ী এমন ঘর নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হবে।


সূত্র : বিডি২৪লাইভ 

এন এইচ, ৯ জুলাই.

শেরপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে