Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৫ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-০৮-২০১৯

১০ বছরে বিদেশে গেছে ৫৯ লাখ মানুষ

১০ বছরে বিদেশে গেছে ৫৯ লাখ মানুষ

ঢাকা, ০৯ জুলাই- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ জানিয়েছেন, সরকারের বিগত দুই  মেয়াদে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৫৯ লাখ ৩৩ হাজার ৯৫ কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে। এরমধ্যে ৮ লাখ ৫৪ হাজার ৮০৯ জন নারী কর্মীর প্রবাসে কর্মসংস্থান হয়েছে। 

সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে মহিলা এমপি বেগম হাবিবা রহমান খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান। 

প্রতিমন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ওমানে সর্বোচ্চ সংখ্যক ১১ লাখ ৮ হাজার ৪৮৬ জন, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সৌদি আরবে ১০ লাখ ৯২ হাজার ৪৭৩ জন এবং তার পরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১০ লাখ ৩৬ হাজার ৯০ জন কর্মী গেছেন।

বেগম আদিবা আনজুম মিতার অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ পর্যন্ত ৮ লাখ ৫৪ হাজার ৮০৯ জন নারী কর্মী প্রেরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সৌদি আরবে ৩ লাখ ১৭ হাজার ২৪৪ জন। এর পরেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নারী কর্মী পাঠানো হয়েছে জর্ডানে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৩ জন নারী কর্মী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১ লাখ ২৫ হাজার ৪১৮ জন, লেবাননে ১ লাখ ৫ হাজার ৮৬০ জন নারী কর্মী পাঠান হয়েছে।

দেশে রিক্রুটিং এজেন্সি ১ হাজার ২৪৮টি: সরকারি দলের এম আবদুল লতিফের (চট্টগ্রাম-১১) প্রশ্নের জবাবে ইমরান আহমদ বলেন, বিপুল পরিমাণ বিদেশগামী কর্মীর অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পাদন করা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব না। বর্তমানে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা ১ হাজার ২৪৮টি।

কর্মীরা যাতে প্রতারণার শিকার না হয় মনিটরিং হচ্ছে: বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদের (চাপাইনবাবগঞ্জ-৩) সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন বিদেশগামী কর্মী যাতে প্রতারণা বা হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে মনিটরিং করা হচ্ছে। যদি কেউ কোন গরীব মানুষকে বিদেশে নিয়ে যাবার নামে প্রতারণা করে তবে আমরা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। 

তিনি বলেন, প্রতিটি উপজেলা থেকে প্রতি বছরে এক হাজার কর্মীকে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

লাশ আনতে এক লাখ টাকা দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে জানিয়ে অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জাবাবে ইমরান আহমদ বলেন, বিদেশ কেউ মারা গেলে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে ফ্রি ডেডবডি আনা হয়, লাশ আসার পরে বিমান বন্দরে তার পরিবারের হাতে ২৫ হাজার টাকা এবং পরে ৩ লাখ টাকা সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হয়। তবে বিদেশেই লাশ আনার জন্য আমরা সেখানেই এক লাখ টাকা দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এমপি আনোয়ারুল আজীমের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রবাসে কর্মরত আমাদের কর্মীদের আইনগত সহায়তাসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা দেয়া লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন দেশে ৩০টি শ্রম উইং স্থাপন করা হয়েছে। বিদেশ প্রতারিত হয়ে যারা জেলে আটকে আছে তাদের মুক্তির লক্ষ্যে এ উইং এর মাধ্যমে আইনগত সহায়তা দিয়ে তাদের দেশে ফেরত আনা হয়। 

এমএ/ ০০:২২/ ০৯ জুলাই

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে